ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তেলের দাম ১৪০ ডলার ছুঁতে পারে
আবারও বাড়ল ভোজ্যতেলের দাম
জ্বালানি আমদানি কমায় তীব্র ঝুঁকিতে অর্থনীতি, রপ্তানি খাতে বহুমুখী চাপ
মাত্র ৯ মাসে ব্যাংক ঋণের পরিমাণ এক লাখ কোটি টাকা ছাড়াল
এপ্রিলের ২৮ দিনে প্রবাসী আয় ২৯১ কোটি ডলার
সয়াবিন তেলের দাম বাড়ল
এনসিপি নেত্রী মিতুর দুই হলফনামায় ঘাপলা: তিন মাসেই সম্পদ বৃদ্ধি ৫৫%, বেড়েছে সোনাও, উৎস অজানা
বিশ্ববাজারে বেড়েছে স্বর্ণ-রুপার দাম
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কিছুটা বেড়েছে। ডলারের দরপতন, তেলের দাম কমা এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কায় নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে ধাতুটির প্রতি আগ্রহ বেড়েছে বিনিয়োগকারীদের। খবর রয়টার্সের।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) স্পট গোল্ডের দাম ১.৯ শতাংশ বেড়ে আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ৬৩০.০৩ ডলারে পৌঁছেছে। এর আগের সেশনে দাম ৩১ মার্চের পর সর্বনিম্ন স্তরে নেমে গিয়েছিল। তবে চলতি মাসে এখন পর্যন্ত স্বর্ণের দাম কমেছে প্রায় ০.৯ শতাংশ।
অন্যদিকে, জুনে ডেলিভারির জন্য মার্কিন স্বর্ণের ফিউচারের দাম ১.৮ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৬৪২.৯০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
ডলারের মান ০.৩ শতাংশ কমে যাওয়ায় অন্যান্য মুদ্রা ব্যবহারকারীদের জন্য ডলারভিত্তিক স্বর্ণ কেনা আরও সাশ্রয়ী হয়েছে।
স্বাধীন বিশ্লেষক রস নরম্যান বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের অনিশ্চয়তা স্বর্ণের দাম পুনরুদ্ধারে
বড় ভূমিকা রাখছে। তার মতে, বর্তমান প্রবণতা দেখে মনে হচ্ছে সোনা আপাতত একটি নিম্নস্তরে পৌঁছে পুনরুদ্ধারের পথে রয়েছে। বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকে স্বর্ণের দাম এখন পর্যন্ত প্রায় ১২ শতাংশ কমেছে। যদিও অনিশ্চয়তার সময় স্বর্ণকে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তবে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি মুদ্রাস্ফীতি ও সুদের হার বাড়ার আশঙ্কা তৈরি করে, যা এই সুদবিহীন ধাতুর ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। অন্যদিকে, নিতেশ শাহ, কমোডিটি স্ট্র্যাটেজিস্ট, বলেন স্বর্ণ বর্তমানে প্রত্যাশিত আচরণই করছে। ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকির সময়ে এর দাম বাড়ার প্রবণতা স্বাভাবিক, এবং বর্তমান পরিস্থিতিও তারই প্রতিফলন। এদিকে অন্যান্য ধাতুর মধ্যেও মূল্যবৃদ্ধি দেখা গেছে। স্পট সিলভারের দাম ৩ শতাংশ
বেড়ে আউন্সপ্রতি ৭৩.৬০ ডলার, প্ল্যাটিনাম ৩.৩ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৯৪১.৪৫ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১.৩ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৪৭৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবে এই তিনটি ধাতুই টানা দ্বিতীয় মাসের মতো দরপতনের পথে রয়েছে। সূত্র: রয়টার্স
বড় ভূমিকা রাখছে। তার মতে, বর্তমান প্রবণতা দেখে মনে হচ্ছে সোনা আপাতত একটি নিম্নস্তরে পৌঁছে পুনরুদ্ধারের পথে রয়েছে। বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকে স্বর্ণের দাম এখন পর্যন্ত প্রায় ১২ শতাংশ কমেছে। যদিও অনিশ্চয়তার সময় স্বর্ণকে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তবে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি মুদ্রাস্ফীতি ও সুদের হার বাড়ার আশঙ্কা তৈরি করে, যা এই সুদবিহীন ধাতুর ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। অন্যদিকে, নিতেশ শাহ, কমোডিটি স্ট্র্যাটেজিস্ট, বলেন স্বর্ণ বর্তমানে প্রত্যাশিত আচরণই করছে। ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকির সময়ে এর দাম বাড়ার প্রবণতা স্বাভাবিক, এবং বর্তমান পরিস্থিতিও তারই প্রতিফলন। এদিকে অন্যান্য ধাতুর মধ্যেও মূল্যবৃদ্ধি দেখা গেছে। স্পট সিলভারের দাম ৩ শতাংশ
বেড়ে আউন্সপ্রতি ৭৩.৬০ ডলার, প্ল্যাটিনাম ৩.৩ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৯৪১.৪৫ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১.৩ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৪৭৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবে এই তিনটি ধাতুই টানা দ্বিতীয় মাসের মতো দরপতনের পথে রয়েছে। সূত্র: রয়টার্স



