ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ফয়সালকে ‘বলির পাঁঠা’ না করে পর্দার আড়ালের মূল খুনিদের ধরতে বললেন হাদির বোন
কোটি টাকার ঘুষ নতুবা ফাঁসিতে চড়াতে চেয়েছিলেন প্রসিকিউটর তুষার
স্থানীয় সরকার-পেশাজীবীসহ সকল নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণ করবে: শেখ হাসিনা
শেখ হাসিনা সরকারের জ্বালানি চুক্তির সুফল: আজ ভারত থেকে পাইপলাইনে আসছে ডিজেল
৩৬১ ফ্লাইট বাতিল হলো হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে
এসি চালানো শিখতে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন সরকারি ৮ কর্মকর্তা
ইরানের পক্ষে পোস্ট করায় বাহরাইনে এক বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, হতে পারে কঠোর সাজা
ঘুষ–দুর্নীতির অভিযোগ: তাজুলের পর এবার ট্রাইব্যুনাল থেকে সাইমুমের পদত্যাগ
চট্টগ্রামে কলেজছাত্র ওয়াসিম আকরাম হত্যা মামলায় সাবেক এক সংসদ সদস্যকে খালাস পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাসে এক কোটি টাকা ঘুষ দাবি করার অভিযোগ উঠেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর মো. সাইমুম রেজা তালুকদার–এর বিরুদ্ধে। অভিযোগ ওঠার পরপরই তিনি পদত্যাগ করলে তা গ্রহণ করে তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
জুলাইয়ের তথাকথিত আন্দোলনের সময় চট্টগ্রাম–এ কলেজছাত্র ওয়াসিম আকরামসহ নয়জন নিহত ও শতাধিক আহত হওয়ার ঘটনায় এই মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় চট্টগ্রামের রাউজান আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী–র বিরুদ্ধে সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে।
সোমবার সাইমুম রেজা তালুকদারের পদত্যাগের পর একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে দুটি কথিত অডিও ক্লিপ প্রকাশ করা হয়। অডিওগুলোতে ফজলে
করিম চৌধুরীর পরিবারের এক আইনজীবীর সঙ্গে তার কথোপকথনে আর্থিক লেনদেনের বিষয় নিয়ে আলোচনা শোনা যায় বলে দাবি করা হয়েছে। ফাঁস হওয়া অডিওতে মামলার বিষয়ে ‘এক কোটি টাকা’ প্রত্যাশা এবং ‘১০ লাখ টাকা অগ্রিম’ নেওয়ার কথাও উঠে এসেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে মামলার বিষয়ে রাজনৈতিক তদবির করার প্রসঙ্গও কথোপকথনে রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষণ অডিও ফাঁসের পর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশের আইনশৃঙ্খলা ও বিচার ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়। আইনি ও বিচার বিভাগীয় সূত্র জানায়, প্রাপ্ত পদত্যাগপত্র ট্রাইব্যুনাল প্রধানের কাছে জমা পড়েছে এবং বিষয়টি এখন তদন্ত প্রক্রিয়ার আওতায় রয়েছে। তবে এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন
সাইমুম রেজা তালুকদার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, এটি একটি মহলের অপপ্রচার এবং ফাঁস হওয়া অডিওগুলো ভুয়া। তার বক্তব্য, একটি মামলার সিদ্ধান্ত কোনো একক প্রসিকিউটরের হাতে থাকে না। তদন্ত সংস্থা, প্রসিকিউশন টিম এবং আদালতের স্বাধীন বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই মামলার রায় নির্ধারিত হয়। ফলে কোনো প্রসিকিউটরের পক্ষে এককভাবে কাউকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার সুযোগ নেই। সাইমুম রেজা পদত্যাগের কারণ হিসেবে তার আগের কর্মস্থল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা ও গবেষণায় ফিরে যাওয়ার ইচ্ছার কথা উল্লেখ করেন। এদিকে ট্রাইব্যুনালের আরেক প্রসিকিউটর ও সাইবার বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা জানিয়েছেন, ফাঁস হওয়া অডিওগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি কি না তা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে পরীক্ষা করা হয়নি। তবে প্রাথমিক ভয়েস
বিশ্লেষণে এগুলো এআই–নির্মিত হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে মনে হচ্ছে। তিনি বলেন, পূর্ণাঙ্গ ফরেনসিক পরীক্ষা, ভয়েস স্যাম্পল, আইপিডিআর ও সিডিআর বিশ্লেষণের মাধ্যমে তদন্ত শেষ হলে প্রকৃত সত্য জানা যাবে। উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারিতে ওয়াসিম আকরাম হত্যা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ফজলে করিম চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। চীফ প্রসিকিউটার তাজুলের বিরুদ্ধেও অভিযোগের পাহাড় এদিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিমের ভেতরেও দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সাবেক প্রধান কৌঁসুলি মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে লিখিত বিবৃতি দিয়েছেন। মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো ওই বিবৃতিতে তিনি বলেন, কিছু গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে ‘বিদ্বেষপ্রসূত ও মিথ্যা তথ্য’ ছড়ানো হয়েছে। তার
দাবি, এসব অভিযোগ তথ্যপ্রমাণবিহীন এবং ট্রাইব্যুনালের বিচার প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। নবনির্বাচিত সরকার সোমবার তাজুল ইসলামকে সরিয়ে **মো. আমিনুল ইসলাম**কে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলির দায়িত্ব দেয়। এর আগে প্রসিকিউশনের সদস্য বি এম সুলতান মাহমুদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরেক প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হোসাইন তামিম–এর বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন। তার অভিযোগ, একটি মামলার আসামি শেখ আবজালুল হক–এর স্ত্রী ভারী ব্যাগ নিয়ে তামিমের কক্ষে প্রবেশ করেছিলেন এবং পরে ওই আসামিকে রাজসাক্ষী করা হয়। তবে এসব অভিযোগকে ‘ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন গাজী মোনাওয়ার হোসাইন তামিম। তিনি বলেন, বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর এ ধরনের অভিযোগ অপ্রত্যাশিত এবং প্রমাণ ছাড়া এসব দাবি টিকবে না। অভিযোগ–পাল্টা
অভিযোগের এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিমের স্বচ্ছতা ও বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
করিম চৌধুরীর পরিবারের এক আইনজীবীর সঙ্গে তার কথোপকথনে আর্থিক লেনদেনের বিষয় নিয়ে আলোচনা শোনা যায় বলে দাবি করা হয়েছে। ফাঁস হওয়া অডিওতে মামলার বিষয়ে ‘এক কোটি টাকা’ প্রত্যাশা এবং ‘১০ লাখ টাকা অগ্রিম’ নেওয়ার কথাও উঠে এসেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে মামলার বিষয়ে রাজনৈতিক তদবির করার প্রসঙ্গও কথোপকথনে রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষণ অডিও ফাঁসের পর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশের আইনশৃঙ্খলা ও বিচার ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়। আইনি ও বিচার বিভাগীয় সূত্র জানায়, প্রাপ্ত পদত্যাগপত্র ট্রাইব্যুনাল প্রধানের কাছে জমা পড়েছে এবং বিষয়টি এখন তদন্ত প্রক্রিয়ার আওতায় রয়েছে। তবে এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন
সাইমুম রেজা তালুকদার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, এটি একটি মহলের অপপ্রচার এবং ফাঁস হওয়া অডিওগুলো ভুয়া। তার বক্তব্য, একটি মামলার সিদ্ধান্ত কোনো একক প্রসিকিউটরের হাতে থাকে না। তদন্ত সংস্থা, প্রসিকিউশন টিম এবং আদালতের স্বাধীন বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই মামলার রায় নির্ধারিত হয়। ফলে কোনো প্রসিকিউটরের পক্ষে এককভাবে কাউকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার সুযোগ নেই। সাইমুম রেজা পদত্যাগের কারণ হিসেবে তার আগের কর্মস্থল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা ও গবেষণায় ফিরে যাওয়ার ইচ্ছার কথা উল্লেখ করেন। এদিকে ট্রাইব্যুনালের আরেক প্রসিকিউটর ও সাইবার বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা জানিয়েছেন, ফাঁস হওয়া অডিওগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি কি না তা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে পরীক্ষা করা হয়নি। তবে প্রাথমিক ভয়েস
বিশ্লেষণে এগুলো এআই–নির্মিত হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে মনে হচ্ছে। তিনি বলেন, পূর্ণাঙ্গ ফরেনসিক পরীক্ষা, ভয়েস স্যাম্পল, আইপিডিআর ও সিডিআর বিশ্লেষণের মাধ্যমে তদন্ত শেষ হলে প্রকৃত সত্য জানা যাবে। উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারিতে ওয়াসিম আকরাম হত্যা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ফজলে করিম চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। চীফ প্রসিকিউটার তাজুলের বিরুদ্ধেও অভিযোগের পাহাড় এদিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিমের ভেতরেও দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সাবেক প্রধান কৌঁসুলি মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে লিখিত বিবৃতি দিয়েছেন। মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো ওই বিবৃতিতে তিনি বলেন, কিছু গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে ‘বিদ্বেষপ্রসূত ও মিথ্যা তথ্য’ ছড়ানো হয়েছে। তার
দাবি, এসব অভিযোগ তথ্যপ্রমাণবিহীন এবং ট্রাইব্যুনালের বিচার প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। নবনির্বাচিত সরকার সোমবার তাজুল ইসলামকে সরিয়ে **মো. আমিনুল ইসলাম**কে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলির দায়িত্ব দেয়। এর আগে প্রসিকিউশনের সদস্য বি এম সুলতান মাহমুদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরেক প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হোসাইন তামিম–এর বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন। তার অভিযোগ, একটি মামলার আসামি শেখ আবজালুল হক–এর স্ত্রী ভারী ব্যাগ নিয়ে তামিমের কক্ষে প্রবেশ করেছিলেন এবং পরে ওই আসামিকে রাজসাক্ষী করা হয়। তবে এসব অভিযোগকে ‘ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন গাজী মোনাওয়ার হোসাইন তামিম। তিনি বলেন, বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর এ ধরনের অভিযোগ অপ্রত্যাশিত এবং প্রমাণ ছাড়া এসব দাবি টিকবে না। অভিযোগ–পাল্টা
অভিযোগের এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিমের স্বচ্ছতা ও বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।



