ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এক হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক জুলাইযোদ্ধাকে গণপিটুনির পর পুলিশে সোপর্দ, করতেন মাদকবিরোধী সংগঠনও
সাভারে শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ গ্রেপ্তার
ব্যবসায়ী থেকে চাঁদার টাকা আনতে যাওয়া বিএনপির ২ নেতাকে গণপিটুনি, মুচলেকায় মুক্তি
খুবি অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে কুপ্রস্তাবের অভিযোগ
চিকিৎসক ধীপ্রার মৃত্যুর ঘটনায় স্বামী-শ্বশুরসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা
গভীর রাতে পরস্ত্রীর বিছানা থেকে হাতেনাতে আটক মসজিদের ইমাম, অতঃপর…
ত্রাণের টাকা লোপাট করলেন জামায়াত এমপির এপিএস-স্বজন ও দলের নেতাকর্মীরা মিলে
ইউনুসের অংশগ্রহনমূলক নির্বাচনের নমুনা দেখুন ফরিদপুরে হাসপাতালে বিএনপি’র সন্ত্রাসীদের হামলা
একটি হাসপাতাল, যেখানে মানুষ আসে চোখের আলো ফিরে পেতে, জীবন বাঁচাতে—সেখানেও আজ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বিষবাষ্প! ফরিদপুর-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মুজাহিদ বেগের ভাই, স্বনামধন্য চিকিৎসক ডা. মহসিন বেগের 'আনোয়ারা হামিদা চক্ষু হাসপাতালে' যেভাবে বিএনপি'র ৩০-৩৫ জন সন্ত্রাসী অতর্কিত হানা দিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দিল, তা কেবল কাপুরুষতা নয়, বরং পুরো সভ্য সমাজের গালে একটি চপেটাঘাত।
দীর্ঘ দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে ডা. মহসিন বেগ সারা দেশে মানুষের চোখের চিকিৎসা দিয়ে আসছেন। অথচ আজ তার অপরাধ—তার ভাই নির্বাচনে দাঁড়িয়েছেন? একজন মানুষকে নির্বাচন থেকে দূরে সরাতে কি এখন হাসপাতাল আর রোগীদের জিম্মি করতে হবে? ৩০-৩৫ জন সরকারি মদদপুষ্ট সন্ত্রাসী মিলে এসে হাসপাতালের সাধারণ কর্মচারীদের ভয়
দেখানো, প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া—এ যেন জুলাই হামলা পরবর্তী নতুন বাংলাদেশের পরিচয়। রাজনীতিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে, কিন্তু সেবামূলক প্রতিষ্ঠানকে তার লক্ষ্যবস্তু বানানো কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। যখন একটি হাসপাতালের ভেতরে বিএনপি'র সন্ত্রাসীরা এভাবে দাপিয়ে বেড়ায়, তখন সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার মাধ্যমে কেবল একজন প্রার্থীর পরিবারকে নয়, বরং পুরো ফরিদপুরের শান্তিপ্রিয় মানুষকে হুমকি দিচ্ছে জুলাইয়ের সন্ত্রাসীরা। ক্ষমতার দাপটে অন্ধ হয়ে যাওয়া এই হায়েনাদের চিনে রাখুন। বানোয়াট নির্বাচনের নামে হাসপাতালের করিডোরে যারা সন্ত্রাস করছে তাদেরকে একবিন্দু ছাড় দেওয়া হবেনা!
দেখানো, প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া—এ যেন জুলাই হামলা পরবর্তী নতুন বাংলাদেশের পরিচয়। রাজনীতিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে, কিন্তু সেবামূলক প্রতিষ্ঠানকে তার লক্ষ্যবস্তু বানানো কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। যখন একটি হাসপাতালের ভেতরে বিএনপি'র সন্ত্রাসীরা এভাবে দাপিয়ে বেড়ায়, তখন সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার মাধ্যমে কেবল একজন প্রার্থীর পরিবারকে নয়, বরং পুরো ফরিদপুরের শান্তিপ্রিয় মানুষকে হুমকি দিচ্ছে জুলাইয়ের সন্ত্রাসীরা। ক্ষমতার দাপটে অন্ধ হয়ে যাওয়া এই হায়েনাদের চিনে রাখুন। বানোয়াট নির্বাচনের নামে হাসপাতালের করিডোরে যারা সন্ত্রাস করছে তাদেরকে একবিন্দু ছাড় দেওয়া হবেনা!



