ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিএনপি নেতাদের দৃষ্টিতে ‘অপ্রয়োজনীয়’ রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রই এখন সংকটে সরকারের শেষ ভরসা
মৃত্যুঞ্জয়ী বঙ্গবন্ধু: ইতিহাসের আয়নায় আমাদের পরিচয়, আত্মমর্যাদা ও অস্তিত্বের প্রতীক
জাতির পিতার জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ সভাপতি-বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার বাণী
ডিজেলের পর এবার এলো ১৬ হাজার মেট্রিক টন ভারতীয় চাল, নামল মোংলায়
শিক্ষক রাজনীতি নাকি শিক্ষার্থীদের থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার রাজনীতি
একটি বন্দিত্ব: বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মের অনিবার্যতা
তেল সরবরাহে হরমুজ ঝুঁকি: ৩ লাখ টন ক্রুডের চালান নিয়ে তেহরানের দ্বারস্থ ঢাকা
নয়াদিল্লিতে আ.লীগ নেতাদের সংবাদ সম্মেলন: কর্মীদের উচ্ছ্বাস, আন্তর্জাতিক প্রচার জোরদারের নির্দেশ শেখ হাসিনার
ভারতের নয়াদিল্লিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার গঠিত বিশেষ টিমের সংবাদ সম্মেলনের পর দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে নতুন করে প্রাণচাঞ্চল্য ও উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। দলীয় সূত্র জানিয়েছে, সংবাদ সম্মেলনের বিষয়বস্তু ও উপস্থাপনার প্রশংসা করেছেন খোদ শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দলের প্রচার আরও সংগঠিত ও জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন।
সাম্প্রতিক এই সংবাদ সম্মেলনে দলের নেতারা বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং ৫ আগস্ট-পরবর্তী ঘটনাবলি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন। সম্মেলন শেষে একাধিক নেতা মন্তব্য করেন, বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরার জন্য এই উদ্যোগটি ছিল অত্যন্ত সময়োপযোগী।
দলীয় সূত্রমতে, শেখ হাসিনা সংবাদ সম্মেলনের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে নেতাদের ধন্যবাদ
জানান। তিনি বলেন, বিচ্ছিন্নভাবে নয়, বরং তথ্য-উপাত্তসহ সংগঠিতভাবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রচার চালাতে হবে। বিশেষ করে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে সংঘটিত বিভিন্ন অনিয়ম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগগুলো বিশ্ববাসীর কাছে পৌঁছে দিতে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর দেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগ নেতারা বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো জোরালোভাবে উপস্থাপন করেন। তাঁরা দাবি করেন, আন্তর্জাতিক মহলে সরকার সম্পর্কে "সঠিক তথ্য" পৌঁছানো হচ্ছে না। এ সময় জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের গত বছর প্রকাশিত রিপোর্টের কঠোর সমালোচনা করেন নেতারা। তাঁরা অভিযোগ করেন, ওই রিপোর্টে প্রকৃত সত্যের প্রতিফলন ঘটেনি এবং অনেক তথ্যই এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের সার্বিক পরিস্থিতি
নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। নেতারা অভিযোগ করেন, দেশে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জন্য হুমকি। এছাড়া নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি ও সাধারণ মানুষের জীবনমানের অবনতির বিষয়টিও তুলে ধরা হয়। নেতারা আরও বলেন, দেশে জঙ্গি তৎপরতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সংস্কৃতিকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটছে, যা মুক্তচিন্তা ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের স্বাধীনতার পরিপন্থী। তাঁরা সতর্ক করে বলেন, এসব ঘটনায় সামাজিক স্থিতিশীলতা ও নাগরিক নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সংবাদমাধ্যম ও সংস্কৃতি অঙ্গনের স্বাধীনতা রক্ষায় জরুরি আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের আহ্বান জানান তাঁরা। নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত এই সংবাদ সম্মেলনের বিষয়ে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া
যায়নি। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দেশের বাইরে আওয়ামী লীগের এমন তৎপরতা আন্তর্জাতিক মহলে বর্তমান সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির একটি কৌশল হতে পারে।
জানান। তিনি বলেন, বিচ্ছিন্নভাবে নয়, বরং তথ্য-উপাত্তসহ সংগঠিতভাবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রচার চালাতে হবে। বিশেষ করে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে সংঘটিত বিভিন্ন অনিয়ম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগগুলো বিশ্ববাসীর কাছে পৌঁছে দিতে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর দেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগ নেতারা বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো জোরালোভাবে উপস্থাপন করেন। তাঁরা দাবি করেন, আন্তর্জাতিক মহলে সরকার সম্পর্কে "সঠিক তথ্য" পৌঁছানো হচ্ছে না। এ সময় জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের গত বছর প্রকাশিত রিপোর্টের কঠোর সমালোচনা করেন নেতারা। তাঁরা অভিযোগ করেন, ওই রিপোর্টে প্রকৃত সত্যের প্রতিফলন ঘটেনি এবং অনেক তথ্যই এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের সার্বিক পরিস্থিতি
নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। নেতারা অভিযোগ করেন, দেশে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জন্য হুমকি। এছাড়া নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি ও সাধারণ মানুষের জীবনমানের অবনতির বিষয়টিও তুলে ধরা হয়। নেতারা আরও বলেন, দেশে জঙ্গি তৎপরতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সংস্কৃতিকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটছে, যা মুক্তচিন্তা ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের স্বাধীনতার পরিপন্থী। তাঁরা সতর্ক করে বলেন, এসব ঘটনায় সামাজিক স্থিতিশীলতা ও নাগরিক নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সংবাদমাধ্যম ও সংস্কৃতি অঙ্গনের স্বাধীনতা রক্ষায় জরুরি আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের আহ্বান জানান তাঁরা। নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত এই সংবাদ সম্মেলনের বিষয়ে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া
যায়নি। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দেশের বাইরে আওয়ামী লীগের এমন তৎপরতা আন্তর্জাতিক মহলে বর্তমান সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির একটি কৌশল হতে পারে।



