ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মারা যাওয়ার ২৯ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়নি
সংসদ সদস্য আমির হামজার বিরুদ্ধে মামলা
৭ এপ্রিল দিল্লি যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দেশের ৭০ হাজার শিশু কোনো টিকাই পায়নি: ইউনিসেফ
পাচার চক্রের মূল দুই সদস্য শনাক্ত, মামলার প্রস্তুতি
জ্বালানি তেলের সংকট প্রকট, বাড়ছে হট্টগোল-বিশৃঙ্খলা
গণভোট অধ্যাদেশ উঠবে না সংসদে, বাতিল হচ্ছে
দুই চিকিৎসককে বাধ্যতামূলক অবসর
স্বাস্থ্যের সাবেক দুই শীর্ষ কর্মকর্তা অধ্যাপক ডা. শামিউল ইসলাম ও অধ্যাপক ডা. মো. কামরুল হাসানকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে।
রোববার স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের সই করা প্রজ্ঞাপনে ডা. শামিউল ইসলামকে অবসরে পাঠানোর তথ্য জানানো হয়। এর আগে গত ৬ আগস্ট যুগ্ম সচিব সনজীদা শরমিনের সই করা প্রজ্ঞাপনে অবসরে পাঠানো হয় ডা. মো. কামরুল হাসানকে।
তাদের অবসর দেওয়ার পৃথক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এসব কর্মকর্তার চাকরিকাল ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে। জনস্বার্থে তাদের সরকারি চাকরি থেকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হলো৷ বিধি অনুযায়ী তারা অবসর সুবিধা পাবেন।
অধ্যাপক ডা. শামিউল ইসলাম স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার বিভিন্ন পদে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। তিনি
বঙ্গমাতা ন্যাশনাল সেলুলার অ্যান্ড মলিকুলার রিসার্চ সেন্টারের (বিএনসিএমআরসি) প্রকল্প পরিচালক, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ, মুগদা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক, ম্যালেরিয়া, যক্ষ্মা ও এইডস নির্মূল প্রকল্পের লাইন ডাইরেক্টর এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অধ্যাপক ডা. মো. কামরুল হাসান জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে সবশেষ দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) মহাসচিব পদে রয়েছেন।
বঙ্গমাতা ন্যাশনাল সেলুলার অ্যান্ড মলিকুলার রিসার্চ সেন্টারের (বিএনসিএমআরসি) প্রকল্প পরিচালক, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ, মুগদা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক, ম্যালেরিয়া, যক্ষ্মা ও এইডস নির্মূল প্রকল্পের লাইন ডাইরেক্টর এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অধ্যাপক ডা. মো. কামরুল হাসান জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে সবশেষ দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) মহাসচিব পদে রয়েছেন।



