ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
প্যারিসে এমআইবি টেলিভিশনের ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
কুয়ালালামপুরে মদ্যপ চালকের গাড়িচাপায় বাংলাদেশি পর্যটক নিহত
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশিদের অপমৃত্যুর হার উদ্বেগজনক
যুক্তরাষ্ট্রে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-ছেলেসহ তিন বাংলাদেশি নিহত
৬৪ বাংলাদেশিসহ ১২৭ বন্দিকে ফেরত পাঠালো মালয়েশিয়া
মালয়েশিয়ায় মানবপাচার চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার, আটক ২৭ বাংলাদেশি
যুক্তরাষ্ট্রে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে বাংলাদেশি নারীকে হত্যা
সৌদি আরবে বাংলাদেশি যুবক নিহত
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার মোহাম্মাদ ফারুক (৪৫) নামে এক যুবক নিহতের খবর পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার ছোট ভাই মোহাম্মদ ইমন।
জানা যায়, বুধবার সৌদি আরবের সময় রাত সাড়ে ৮টায় মক্কা নগরী থেকে ১২০ কিলোমিটার দূরে আল লাম লাম (মিকাত) নামক স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় মোহাম্মদ ফারুকের মৃত্যু হয়।
তিনি বুড়িচং উপজেলার বাকশিমুল ইউনিয়নের আনন্দপুর বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন বাড়ির মৃত শহীদ মিয়ার ছেলে।
ইমন জানান, ৭ বছর আগে তার ভাই সৌদি আরবে যান। সর্বশেষ দেড় বছর পূর্বে দেশ থেকে ছুটি কাটিয়ে যান তিনি। ফারুক সৌদি আরবে গাড়ি চালাতেন। বুধবার রাত দেড়টায় সৌদি আরবে থাকা
তার ফুফাতো ভাই দুলাল ফোন করে জানান ইমন সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। মিকাত নামক স্থানে দুটি প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই ফারুক নিহত হন। তিনি জানান, সাদা রংয়ের একটি প্রাইভেটকার চালিয়ে ফারুক বাসায় যাচ্ছিলেন পথমধ্যে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সৌদি আরবে থাকা নিহত ফারুকের আত্মীয় শাহ আলম ও শাহপরান জানান, ফারুক ওই এলাকাতেই বসবাস করতেন। রাতের খাবারের জন্য গাড়ি নিয়ে বের হয়েছিল। বাসা থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে একটি সড়কে গাড়ি ইউটার্ন নিয়ে রাস্তায় উঠার সময় দুর্ঘটনা ঘটে এবং ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। নিহত ফারুক ৪ ভাইয়ের মধ্যে সবার বড় ছিলেন। তার স্ত্রী ও দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে। নিহতের মরদেহ দেশে আনার জন্য
ও পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।
তার ফুফাতো ভাই দুলাল ফোন করে জানান ইমন সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। মিকাত নামক স্থানে দুটি প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই ফারুক নিহত হন। তিনি জানান, সাদা রংয়ের একটি প্রাইভেটকার চালিয়ে ফারুক বাসায় যাচ্ছিলেন পথমধ্যে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সৌদি আরবে থাকা নিহত ফারুকের আত্মীয় শাহ আলম ও শাহপরান জানান, ফারুক ওই এলাকাতেই বসবাস করতেন। রাতের খাবারের জন্য গাড়ি নিয়ে বের হয়েছিল। বাসা থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে একটি সড়কে গাড়ি ইউটার্ন নিয়ে রাস্তায় উঠার সময় দুর্ঘটনা ঘটে এবং ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। নিহত ফারুক ৪ ভাইয়ের মধ্যে সবার বড় ছিলেন। তার স্ত্রী ও দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে। নিহতের মরদেহ দেশে আনার জন্য
ও পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।



