ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
১৭ই এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। বাঙালি জাতির স্বাধীনতা অর্জনের এক স্মৃতি বিজড়িত দিন
আওয়ামী লীগ নেতাদের মুক্তিতে প্রথম আলোর জোরালো অবস্থান
অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তাকে জুলাই-আগস্টে ঢাকায় হত্যাকাণ্ড বাড়ানোর নির্দেশ দেয় কে?
সেনা জেনারেলদের গভীর রাতের বৈঠকই শেখ হাসিনার সরকারের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়
ইউনূস আমলে এলএনজি ক্রয়ে দুর্নীতি ৮৫৫ মিলিয়ন ডলার; জুন পর্যন্ত এলএনজি-সার কিনতে দরকার অতিরিক্ত ২.৬১ বিলিয়ন ডলার
মুজিবনগর দিবসে কোনো কর্মসূচি রাখেনি বিএনপির সরকার;স্মৃতিসৌধে মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধা
আস্থাহীনতার চাপেই আর্থিক খাত: ব্যাংক পুনর্গঠন ও পুঁজিবাজারে অস্থিরতার দ্বৈত সংকট
‘শেখ হাসিনাকে ফেরতের বিষয়টি বিবেচনা করছে ভারত’
জুলাইয়ের গণআন্দোলনের মুখে ক্ষমতা হারানো সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে করা আনুষ্ঠানিক আবেদনটি ভারত সরকার পর্যালোচনা করছে। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, বিষয়টি বর্তমানে ভারতের প্রচলিত আইন ও বিচারিক প্রক্রিয়ার আলোকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।
‘প্রত্যর্পণের অনুরোধটি আমাদের অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে’ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, আমরা সব পক্ষের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে এ বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যাব এবং পরিস্থিতির ওপর ঘনিষ্ঠ নজর রাখছি।
ভারত জানায়, ২০২৫ সালে তারা প্রথমবারের মতো এ ধরনের আবেদন গ্রহণের বিষয়টি স্বীকার করেছে। এরপর থেকে এটি ধাপে ধাপে
দেশের আইনগত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্যেই পর্যালোচিত হচ্ছে। ২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। পরিস্থিতিটি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে স্পর্শকাতর হলেও দিল্লি স্বাভাবিক কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখার দিকেই অগ্রসর হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে। রণধীর জয়সওয়াল জানান, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী নতুন সরকারকে সঙ্গে নিয়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার আগ্রহ পুনর্ব্যক্ত করেছেন। বিশেষ করে বাণিজ্য, জ্বালানি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে উভয় দেশই আনুষ্ঠানিক প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে কাজ এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে।
দেশের আইনগত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্যেই পর্যালোচিত হচ্ছে। ২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। পরিস্থিতিটি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে স্পর্শকাতর হলেও দিল্লি স্বাভাবিক কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখার দিকেই অগ্রসর হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে। রণধীর জয়সওয়াল জানান, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী নতুন সরকারকে সঙ্গে নিয়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার আগ্রহ পুনর্ব্যক্ত করেছেন। বিশেষ করে বাণিজ্য, জ্বালানি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে উভয় দেশই আনুষ্ঠানিক প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে কাজ এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে।



