ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নিজের ক্রাশের নাম প্রকাশ করলেন অভিনেত্রী মাহিরা
সাবিলা-মিথিলাকে নিয়ে মালয়েশিয়ায় শুটিংয়ে শাকিব
দীর্ঘ বিরতি ভেঙে অ্যাটলির কল্পবিজ্ঞানে ফিরছেন আনুশকা
প্রযোজক সরোয়ার জাহান গ্রেপ্তার
রায়হান রাফীর সঙ্গে প্রেম ও বিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুললেন তমা মির্জা
ফের কার প্রেমে পড়লেন পরিণীতি?
জুলাইয়ের অভ্যুত্থানের পর প্রায় দেড় বছর আমি কাজ পাইনি: বাঁধন
রূপবদল ও সুবিধাবাদের মোড়কে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন
রাজনীতির হাওয়া পরিবর্তনের সাথে সাথে ভোল পাল্টানো যেন এখনকার সময়ের চিরাচরিত চিত্র। ঠিক যেন সেই ধারাতেই হাঁটছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। এক সময়ের আওয়ামী লীগের শাসনামলে নানা সুযোগ-সুবিধা ভোগ করা এই অভিনেত্রী এখন নিজেকে ‘স্পষ্টভাষী’ এবং ‘জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার মরিয়া চেষ্টায় লিপ্ত। সম্প্রতি এক টিভি অনুষ্ঠানে এসে নিজের ক্যারিয়ারের সংকট ও ব্যক্তিগত হতাশার কথা তুলে ধরলেও, তার বর্ণনায় উঠে এসেছে চরম স্ববিরোধিতা ও সুবিধাবাদের কদর্য রূপ। প্রশ্ন উঠছে—তিনি কি সত্যিই বৈষম্যবিরোধী, নাকি বৈষম্যমুক্ত নতুন বাংলাদেশে টিকে থাকার জন্যই তার এই কৌশলগত রূপান্তর?
সংশ্লিষ্ট মহলে অভিযোগ রয়েছে, বিগত সরকারের দীর্ঘ শাসনামলে যে বাঁধন ছিলেন ক্ষমতার আশীর্বাদপুষ্ট, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময়
হাওয়া বুঝে দ্রুত ভোল পাল্টে ফেলেন তিনি। রাজপথে দাঁড়িয়ে বুক ফুলিয়ে “দেশটা কারো বাপের না”—এমন স্লোগান দিলেও সমালোচকরা বলছেন, এটি ছিল মূলত নিজের অস্তিত্ব রক্ষার এক সুপরিকল্পিত চাল। দেশের যখন ক্রান্তিকাল, যখন চারদিকে মব জাস্টিস ও ধর্ষণের মতো ভয়াবহ ঘটনায় সাধারণ মানুষ দিশেহারা, তখন এই ‘বিপ্লবী’ অভিনেত্রীকে রাজপথের লড়াইয়ে দেখা যায়নি। বরং সংকটময় সেই সময়ে তাকে দেখা গেছে বিদেশে ঘুরে বেড়িয়ে নিজের ‘হাওয়া বদল’ করতে। বাঁধন দাবি করেছেন, তার ‘স্পষ্টভাষী’ ইমেজের কারণেই নির্মাতারা তাকে কাজে নিতে ভয় পান। তবে ইন্ড্রাস্ট্রির ভেতরের খবর হলো, অপেশাদার আচরণ এবং খামখেয়ালিপনার কারণেই অনেক পরিচালক তাকে এড়িয়ে চলেন। সাক্ষাৎকারে তিনি স্বীকার করেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানের আগে দীর্ঘ দেড়
বছর তার হাতে কোনো কাজ ছিল না। কাজ না পেয়ে তিনি ডিপ্রেশনে চলে গিয়েছিলেন এবং তার ওজন বেড়ে ৭৮ কেজি হয়েছিল। অভ্যুত্থানের পর নতুন বাংলাদেশে বৈষম্যমুক্ত সমাজ গড়ার কথা বললেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই মন্তব্য করছেন, বাঁধন আসলে বৈষম্য দূর করতে নয়, বরং নিজের ক্যারিয়ারের বৈষম্য ঘোচাতে আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন। বর্তমানে ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ এবং ওটিটির ‘চক্র-২’ নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও তার এই নতুন অবস্থানকে অনেকেই ‘সুবিধাবাদ জিন্দাবাদ’ নীতির প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন। সেটে গিয়ে শৃঙ্খলা রক্ষার নামে ঝামেলা করার যে অভিযোগ তার বিরুদ্ধে রয়েছে, সেটিকে তিনি ‘ডিসিপ্লিন’ বলে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু সাধারণ দর্শকদের মতে, আওয়ামী ঘরানার সুবিধাভোগী
থেকে রাতারাতি ‘জনতার নেত্রী’ সাজা বাঁধনের এই রূপান্তর আসলে স্রেফ লাইমলাইটে থাকার একটি ব্যর্থ চেষ্টা মাত্র।
হাওয়া বুঝে দ্রুত ভোল পাল্টে ফেলেন তিনি। রাজপথে দাঁড়িয়ে বুক ফুলিয়ে “দেশটা কারো বাপের না”—এমন স্লোগান দিলেও সমালোচকরা বলছেন, এটি ছিল মূলত নিজের অস্তিত্ব রক্ষার এক সুপরিকল্পিত চাল। দেশের যখন ক্রান্তিকাল, যখন চারদিকে মব জাস্টিস ও ধর্ষণের মতো ভয়াবহ ঘটনায় সাধারণ মানুষ দিশেহারা, তখন এই ‘বিপ্লবী’ অভিনেত্রীকে রাজপথের লড়াইয়ে দেখা যায়নি। বরং সংকটময় সেই সময়ে তাকে দেখা গেছে বিদেশে ঘুরে বেড়িয়ে নিজের ‘হাওয়া বদল’ করতে। বাঁধন দাবি করেছেন, তার ‘স্পষ্টভাষী’ ইমেজের কারণেই নির্মাতারা তাকে কাজে নিতে ভয় পান। তবে ইন্ড্রাস্ট্রির ভেতরের খবর হলো, অপেশাদার আচরণ এবং খামখেয়ালিপনার কারণেই অনেক পরিচালক তাকে এড়িয়ে চলেন। সাক্ষাৎকারে তিনি স্বীকার করেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানের আগে দীর্ঘ দেড়
বছর তার হাতে কোনো কাজ ছিল না। কাজ না পেয়ে তিনি ডিপ্রেশনে চলে গিয়েছিলেন এবং তার ওজন বেড়ে ৭৮ কেজি হয়েছিল। অভ্যুত্থানের পর নতুন বাংলাদেশে বৈষম্যমুক্ত সমাজ গড়ার কথা বললেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই মন্তব্য করছেন, বাঁধন আসলে বৈষম্য দূর করতে নয়, বরং নিজের ক্যারিয়ারের বৈষম্য ঘোচাতে আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন। বর্তমানে ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ এবং ওটিটির ‘চক্র-২’ নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও তার এই নতুন অবস্থানকে অনেকেই ‘সুবিধাবাদ জিন্দাবাদ’ নীতির প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন। সেটে গিয়ে শৃঙ্খলা রক্ষার নামে ঝামেলা করার যে অভিযোগ তার বিরুদ্ধে রয়েছে, সেটিকে তিনি ‘ডিসিপ্লিন’ বলে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু সাধারণ দর্শকদের মতে, আওয়ামী ঘরানার সুবিধাভোগী
থেকে রাতারাতি ‘জনতার নেত্রী’ সাজা বাঁধনের এই রূপান্তর আসলে স্রেফ লাইমলাইটে থাকার একটি ব্যর্থ চেষ্টা মাত্র।



