ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তেলের লাইনে মৃত্যু—এটা কি শুধু একটি দুর্ঘটনা, নাকি রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার নির্মম প্রতিচ্ছবি?
নড়াইলে প্রাচীর তুলে ২৫ হিন্দু পরিবারের রাস্তা অবরুদ্ধ
বিএনপির পর এবার এনসিপিতে যোগ দিলেন পুরান ঢাকার কুখ্যাত চাঁদাবাজ ইসহাক সরকার
বাংলাদেশকে হামের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
ঝিনাইদহ সীমান্তে আফগান নাগরিকের লাশ উদ্ধার: “বাংলাদেশে এলেন কীভাবে?”; রহস্যময় ঘটনা সীমান্ত এলাকায়
ঢাকা জেলার অংশ হলো পূর্বাচল
রাজধানীর যেসব এলাকায় আজ গ্যাসের স্বল্পচাপ থাকবে
সিলেটের বিশ্বনাথে শতবর্ষী ঐতিহ্যবাহী বাউলগানের আসরে হামলা ও ভাঙচুর
গত রোববার (২২ মার্চ) রাতে উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রামে ইব্রাহিম শাহ মাজারের পাশের মাঠে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী বাউলগানের অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিনে একদল স্থানীয় লোক হামলা চালিয়ে মঞ্চ ভাঙচুর করে অনুষ্ঠান পণ্ড করে দেয়।
মাজার কর্তৃপক্ষ ও আয়োজকদের অভিযোগ, হামলাকারীরা বাদ্যযন্ত্র, সাউন্ড সিস্টেম এবং দর্শকদের চেয়ার ভেঙে ফেলে এবং মাজারবিরোধী স্লোগান দেয়। পরে ঘটনাটিকে অন্য খাতে নেওয়ার জন্য পাশের একটি মসজিদের জানালার কাচ ভাঙচুর করে মাজারের ভক্তদের দায়ী করার চেষ্টা করা হয় বলে তারা দাবি করেন।
ইব্রাহিম শাহ মাজারকে কেন্দ্র করে প্রায় একশ বছর ধরে নিয়মিত বাউলগানের আসর ও ওরস অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এটি স্থানীয় আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি
গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে পরিচিত। এবারও প্রতি বছরের মতো তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল, যেখানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন এলাকা থেকে ভক্ত ও দর্শকরা যোগ দিয়েছিলেন। মাজারের খাদেমসহ আয়োজকরা জানান, হামলাকারীরা আগে থেকে কোনো আপত্তি জানায়নি। হঠাৎ শতাধিক লোক সংঘবদ্ধ হয়ে মঞ্চে উঠে ভাঙচুর শুরু করে। এতে উপস্থিত ভক্তদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনুষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে হামলাকারীদের ভাঙচুর করতে দেখা যায়।বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। তবে দুই দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও কোনো মামলা দায়ের হয়নি এবং কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। পুলিশের পক্ষ থেকে
বলা হয়েছে, ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে আপসে মীমাংসার চেষ্টা চলছে।মাজার কর্তৃপক্ষ এ ঘটনায় গভীর ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা বলছেন, এ ধরনের হামলা শতাব্দী প্রাচীন স্থানীয় ঐতিহ্য ও আধ্যাত্মিক সংস্কৃতির ওপর আঘাত। তারা ভবিষ্যতে এমন অনুষ্ঠান আয়োজনে যথাযথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে পরিচিত। এবারও প্রতি বছরের মতো তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল, যেখানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন এলাকা থেকে ভক্ত ও দর্শকরা যোগ দিয়েছিলেন। মাজারের খাদেমসহ আয়োজকরা জানান, হামলাকারীরা আগে থেকে কোনো আপত্তি জানায়নি। হঠাৎ শতাধিক লোক সংঘবদ্ধ হয়ে মঞ্চে উঠে ভাঙচুর শুরু করে। এতে উপস্থিত ভক্তদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনুষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে হামলাকারীদের ভাঙচুর করতে দেখা যায়।বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। তবে দুই দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও কোনো মামলা দায়ের হয়নি এবং কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। পুলিশের পক্ষ থেকে
বলা হয়েছে, ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে আপসে মীমাংসার চেষ্টা চলছে।মাজার কর্তৃপক্ষ এ ঘটনায় গভীর ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা বলছেন, এ ধরনের হামলা শতাব্দী প্রাচীন স্থানীয় ঐতিহ্য ও আধ্যাত্মিক সংস্কৃতির ওপর আঘাত। তারা ভবিষ্যতে এমন অনুষ্ঠান আয়োজনে যথাযথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।



