ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তেলের লাইনে মৃত্যু—এটা কি শুধু একটি দুর্ঘটনা, নাকি রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার নির্মম প্রতিচ্ছবি?
নড়াইলে প্রাচীর তুলে ২৫ হিন্দু পরিবারের রাস্তা অবরুদ্ধ
বিএনপির পর এবার এনসিপিতে যোগ দিলেন পুরান ঢাকার কুখ্যাত চাঁদাবাজ ইসহাক সরকার
বাংলাদেশকে হামের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
ঝিনাইদহ সীমান্তে আফগান নাগরিকের লাশ উদ্ধার: “বাংলাদেশে এলেন কীভাবে?”; রহস্যময় ঘটনা সীমান্ত এলাকায়
ঢাকা জেলার অংশ হলো পূর্বাচল
রাজধানীর যেসব এলাকায় আজ গ্যাসের স্বল্পচাপ থাকবে
হাদি হত্যার মূল ২ আসামিকে দিল্লি নিয়ে গেছে এনআইএ
শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ এবং তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে ভারতের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনআইএ) হেফাজতে দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের বিধাননগরের আদালত।
সোমবার (২৩ মার্চ) রাতের দিকে এনআইএ তাদের ট্রানজিট রিমান্ডে দিল্লিতে নিয়ে যায়, যেখানে পরে বিশেষ আদালতে তাদের হাজির করা হবে।
গতকাল উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বিধাননগর মহকুমা আদালতে এনআইএ ফয়সাল ও আলমগীরকে হেফাজতে নেওয়ার জন্য আবেদন করলে আদালত তা অনুমোদন করেন।
দিল্লিতে এনআইএর বিশেষ আদালতে তাদের হাজির করা হবে। আদালতের অনুমোদন পেলে সংস্থাটির গোয়েন্দারা তদন্তের প্রয়োজনে এ দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে।
অন্যদিকে, হাদি হত্যা মামলার এ দুই আসামিকে পালাতে সহায়তার অভিযোগে গ্রেপ্তার ফিলিপ সাংমাকে আদালতের নির্দেশে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রাখা
হয়েছে। গত ৮ মার্চ ফয়সাল ও আলমগীরকে পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া বনগাঁ এলাকা থেকে আটক করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্কফোর্স বা এসটিএফ। অনুপ্রবেশের অভিযোগে গ্রেফতারের পর পুলিশ দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১৪ দিনের জন্য রিমান্ডে নিয়েছিল। রিমান্ড শেষে তাদের আদালতে আনা হলে ২২ মার্চ আদালত দুজনকে ১২ দিনের জন্য কারা হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। সেদিন আদালতে নেওয়ার পথে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ফয়সাল বলেন, আমি এই কাজ করিনি। এসব কাজের সঙ্গে আমি যুক্ত ছিলাম না। এ সময় সাংবাদিকেরা তাকে ফাঁসানো হয়েছে কি না জানতে চাইলে এই প্রশ্নের উত্তর তিনি এড়িয়ে যান। ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদিকে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ঢাকায় গুলি করার পর পুলিশি
তদন্তে নাম আসে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ফয়সাল করিমের। যে মোটরসাইকেলে এসে ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়েছিল, তাতে ফয়সাল ও আলমগীর ছিলেন বলে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান।
হয়েছে। গত ৮ মার্চ ফয়সাল ও আলমগীরকে পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া বনগাঁ এলাকা থেকে আটক করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্কফোর্স বা এসটিএফ। অনুপ্রবেশের অভিযোগে গ্রেফতারের পর পুলিশ দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১৪ দিনের জন্য রিমান্ডে নিয়েছিল। রিমান্ড শেষে তাদের আদালতে আনা হলে ২২ মার্চ আদালত দুজনকে ১২ দিনের জন্য কারা হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। সেদিন আদালতে নেওয়ার পথে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ফয়সাল বলেন, আমি এই কাজ করিনি। এসব কাজের সঙ্গে আমি যুক্ত ছিলাম না। এ সময় সাংবাদিকেরা তাকে ফাঁসানো হয়েছে কি না জানতে চাইলে এই প্রশ্নের উত্তর তিনি এড়িয়ে যান। ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদিকে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ঢাকায় গুলি করার পর পুলিশি
তদন্তে নাম আসে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ফয়সাল করিমের। যে মোটরসাইকেলে এসে ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়েছিল, তাতে ফয়সাল ও আলমগীর ছিলেন বলে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান।



