ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কারাগারে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার মৃত্যু,নির্যাতনের অভিযোগ স্বজনদের
মুক্তিযুদ্ধের সংজ্ঞা থেকে জামায়াত-মুসলিম লীগ-নেজামে ইসলামের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার
জাতীয় সংসদ প্রাঙ্গণে মার্কিন স্বাধীনতা দিবস উদযাপন নিয়ে হঠাৎই জ্বলে উঠলেন আনু মুহাম্মদ
জুলাই নিয়ে মন্তব্য করায় আনিস আলমগীর, পিয়া সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা
৩০০ দরিদ্রের উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দ ৮ কোটি, দেশি-বিদেশি ৪৭৩ পরামর্শকের ব্যয় ৫৩ কোটি!
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক মারা গেছেন
নতুন জটিলতায় পে স্কেল, গেজেট কবে?
পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর থেকে ২০ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার করছে ভারত
পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর থেকে এবার ২০ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার করে নিচ্ছে ভারত। আগামী ১লা এপ্রিল থেকে এই আদেশ কার্যকর হবে। এ সংক্রান্ত খবর প্রচার করেছে রয়টার্স।
খবরে বলা হয়েছে ন্যূনতম দর বেঁধে দেওয়াসহ পেঁয়াজ রপ্তানিতে বিধিনিষেধ আরোপের প্রায় ছয় মাস পর এ সিদ্ধান্ত নিল নরেন্দ্র মোদি সরকার।
নয়াদিল্লি বলছে, কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে সরকারের প্রতিশ্রুতি রক্ষার পাশাপাশি ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা বাড়াতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পেঁয়াজ রপ্তানিতে দেশটিতে প্রায় ১০ মাস ধরে যে শুল্ক বসছে, তার শুরু ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে।
ওই সময় অভ্যন্তরীণ ঘাটতির আশঙ্কায় পেঁয়াজ রপ্তানি নিষিদ্ধ করে দিয়েছিল ভারত। সেই সময়ের ঘোষণা অনুযায়ী, ৮ ডিসেম্বর থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।
সেই
নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার সপ্তাহ খানেক আগেই পেঁয়াজ রপ্তানি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছিল সরকার। এর মধ্যে বিশ্বজুড়ে পেঁয়াজের দাম বাড়তে থাকলে রপ্তানি বন্ধ থাকায় সে সুবিধা নিতে পারছিলেন না দেশটির কৃষকরা। এ নিয়ে তখন আন্দোলনে নামেন তারা। আন্দোলনের মুখে এবং লোকসভা নির্বাচন সামনে রেখে গত বছরের ৪ মে পণ্যটির রপ্তানি ক্যাটাগরি ‘নিষিদ্ধ’ থেকে ‘অবাধ’ করে কেন্দ্রীয় সরকার। সেই সঙ্গে ৪০ শতাংশ রপ্তানি শুল্ক এবং প্রতি টনের ন্যূনতম মূল্য ৫৫০ ডলার ঠিক করে দেয়। এই ৪০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর ছিল গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। মহারাষ্ট্রের বিধানসভার ভোট সামনে রেখে ১৩ সেপ্টেম্বর রপ্তানি শুল্ক নামানো হয় ২০ শতাংশে, ১ এপ্রিল থেকে সেটাও আর থাকছে না।
নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার সপ্তাহ খানেক আগেই পেঁয়াজ রপ্তানি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছিল সরকার। এর মধ্যে বিশ্বজুড়ে পেঁয়াজের দাম বাড়তে থাকলে রপ্তানি বন্ধ থাকায় সে সুবিধা নিতে পারছিলেন না দেশটির কৃষকরা। এ নিয়ে তখন আন্দোলনে নামেন তারা। আন্দোলনের মুখে এবং লোকসভা নির্বাচন সামনে রেখে গত বছরের ৪ মে পণ্যটির রপ্তানি ক্যাটাগরি ‘নিষিদ্ধ’ থেকে ‘অবাধ’ করে কেন্দ্রীয় সরকার। সেই সঙ্গে ৪০ শতাংশ রপ্তানি শুল্ক এবং প্রতি টনের ন্যূনতম মূল্য ৫৫০ ডলার ঠিক করে দেয়। এই ৪০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর ছিল গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। মহারাষ্ট্রের বিধানসভার ভোট সামনে রেখে ১৩ সেপ্টেম্বর রপ্তানি শুল্ক নামানো হয় ২০ শতাংশে, ১ এপ্রিল থেকে সেটাও আর থাকছে না।



