রুশ নাগরিকের মুক্তিতে হামাসের ভূমিকার প্রশংসা করলেন পুতিন – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৯ এপ্রিল, ২০২৫

রুশ নাগরিকের মুক্তিতে হামাসের ভূমিকার প্রশংসা করলেন পুতিন

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৯ এপ্রিল, ২০২৫ |
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন গাজায় ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ যোদ্ধাদের হাতে আটক সব বন্দির মুক্তির জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালানোর অঙ্গীকার করেছেন বলে বুধবার একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছে আনাদোলু এজেন্সি। ক্রেমলিনে রুশ-ইসরাইলি দ্বৈত নাগরিক আলেক্সান্দার ট্রুফানোভ এবং তার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় পুতিন বলেন, ফেব্রুয়ারিতে মুক্তি পাওয়া ট্রুফানোভের ক্ষেত্রে রাশিয়ার দীর্ঘদিনের ফিলিস্তিনি জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। পুতিন বলেন, ‘নিঃসন্দেহে, আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাব যাতে এ ধরনের সফলতা বারবার অর্জিত হয়, যাতে যারা এখনো একই ধরনের দুঃখ-কষ্টে ভুগছে, তারা মুক্তি পায়।’ ট্রুফানোভকে মুক্তি দেওয়ার জন্য ফিলিস্তিনের হামাস গ্রুপের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে পুতিন বলেন, ‘আমাদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে এ মানবিক কাজটি করায় হামাসের রাজনৈতিক নেতৃত্বকে ধন্যবাদ

জানাতে হবে — তোমাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। আমি এ জন্য তোমাকে অভিনন্দন জানাই।’ তবে তিনি এ অঞ্চলের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে কোনো রাজনৈতিক মন্তব্য করেননি। ইসরাইলের দাবি অনুযায়ী, গাজা উপত্যকায় এখনও ৫৯ জন বন্দি রয়েছেন, যাদের মধ্যে ২৪ জন জীবিত। অন্যদিকে, ইসরাইলি কারাগারে ৯,৫০০-র বেশি ফিলিস্তিনি বন্দি রয়েছে, যারা নির্যাতন, অনাহার ও চিকিৎসা অবহেলার শিকার হচ্ছেন। ফিলিস্তিনি মানবাধিকার সংস্থা ও গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এদের মধ্যে অনেকেই ইতোমধ্যে মারা গেছেন। ২০২৫ সালের ১৯ জানুয়ারি একটি যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় গাজার প্রতিরোধ যোদ্ধারা পর্যায়ক্রমে জীবিত ও মৃত ইসরাইলি বন্দিদের মুক্তি দিয়েছে এবং তার বিনিময়ে শত শত ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর

থেকে ইসরাইল অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় গণহত্যা চালিয়ে যাচ্ছে। এ সময়ে ইসরাইলি হামলায় ১,৬৭,০০০-র বেশি ফিলিস্তিনি নারী ও শিশু নিহত ও আহত হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো ১৪,০০০-র বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল! ২১ বছর পর ওয়ানডে-তে অস্ট্রেলিয়া বধ কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন? বাংলাদেশে ছাত্র নিপীড়নঃ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন-কে হত্যা নোয়াখালীতে মিছিলকারী আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি- বিএনপি-জামাইয়াতের আওয়ামীলীগ নিধনের নীলনকশা ১৯৭০ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতিচারণ করলেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার সামনে টাইগাররা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের লোভে ৭ ব্যাংকে জিম্মি শিক্ষকদের সারাজীবনের সঞ্চয় “বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট টেলিটক ও নগদ ‘কিনতে’ চায় বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওন! অভিযুক্তের বাড়িতে উত্তেজিত জনতার আগুন, নিহত ৩ হাসপাতালে অসুস্থ শিশুর মাকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, অতঃপর… বাজেট: যেসব পণ্যের দাম কমতে পারে বাজেট: যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ