ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইয়ামাল নাকি এমবাপ্পে: ৩০০ কোটি ডলারের ম্যাচে শেষ হাসি হাসবে কে?
সেমিতে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড লড়াইয়ে রেফারির দায়িত্ব পেলেন যিনি
বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়ে রাজকীয় জুয়ার আসরে নেইমার!
সেমিফাইনালের আগে আর্জেন্টাইন শিবিরে ইনজুরি শঙ্কা
বিশ্বকাপে ফিফার তালিকা থেকে বাদ পড়া রেফারির রহস্যজনক মৃত্যু
বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকেই চ্যাম্পিয়ন দেখতে চায় ট্রাম্প প্রশাসন
আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল ঘিরে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি!
আজ রাতেই শুরু সেমির মহারণ, লড়বে স্পেন-ফ্রান্স
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের চার দল চূড়ান্ত। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে প্রথম সেমিফাইনালে মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাতে মুখোমুখি হবে স্পেন ও ফ্রান্স। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে পরদিন রাত ১টায় মাঠে নামবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড।
ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিশ্বকাপ, ৪৮ দলের অংশগ্রহণ, কিংবদন্তিদের শেষ অধ্যায়, নতুন তারকাদের উত্থান, প্রযুক্তিনির্ভর সিদ্ধান্ত ও নানা নাটকীয়তায় এবারের আসর ইতোমধ্যেই স্মরণীয় হয়ে উঠেছে। নরওয়ে ও মরক্কোর রূপকথার যাত্রা কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত থাকলেও শেষ চারে এসে বিশ্বকাপ এখন পরিণত হয়েছে পরাশক্তিদের লড়াইয়ের মঞ্চে।
এবারের আসরের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ চার দল। বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এমন ঘটনা ঘটেছে। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার সঙ্গে রয়েছে সাবেক তিন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন, ফ্রান্স ও
ইংল্যান্ড। ২০১০ সালে শিরোপা জিতেছিল স্পেন, ১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ড এবং ১৯৯৮ ও ২০১৮ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ফ্রান্স। অন্যদিকে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা এবার জার্মানি ও ইতালির সমান পাঁচটি শিরোপা জয়ের স্বপ্নে এগিয়ে চলছে। ডালাসে অনুষ্ঠিত হবে প্রথম সেমিফাইনাল। শক্তি, সামর্থ্য ও সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স বিবেচনায় স্পেন ও ফ্রান্সের লড়াইকে এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচগুলোর একটি হিসেবে দেখা হচ্ছে। ছয় ম্যাচে মাত্র একটি গোল হজম করেছে স্পেন। গোলবারের নিচে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন উনাই সিমন। কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামকে হারানোর পর স্প্যানিশ তারকা লামিন ইয়ামাল আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেছেন, "ফ্রান্স যদি কাউকে ভয় পেয়ে থাকে, তবে সেটা স্পেন।" দুই দলের সর্বশেষ তিন দেখায় দুটিতেই জয় পেয়েছে স্পেন। অন্যদিকে ফ্রান্সের
সবচেয়ে বড় শক্তি তাদের বিধ্বংসী আক্রমণভাগ। কিলিয়ান এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে, ব্র্যাডলি বারকোলা ও মাইকেল ওলিসে যে কোনো মুহূর্তে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারেন। ছয় ম্যাচে ফ্রান্স করেছে ১৬ গোল, যার মধ্যে এমবাপ্পের একারই ৮টি। বিশ্বকাপে দুই দলের একমাত্র দেখা হয়েছিল ২০০৬ সালে। সেবার শেষ ষোলোতে স্পেনকে ৩-১ গোলে হারিয়েছিল ফ্রান্স। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আটলান্টায় মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। এবারের টুর্নামেন্টে তুলনামূলক সহজ পথ পেরিয়ে শেষ চারে উঠলেও আর্জেন্টিনাকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়েছে কয়েকটি ম্যাচে। কেপ ভার্দে ও মিশর তাদের কঠিন পরীক্ষা নিয়েছে। সুইজারল্যান্ডকে হারাতে গড়াতে হয়েছে অতিরিক্ত সময়ে। রক্ষণভাগে কিছু দুর্বলতা থাকলেও আক্রমণে দুর্দান্ত আর্জেন্টিনা। অধিনায়ক লিওনেল মেসির পাশাপাশি হুলিয়ান আলভারেজ
ও লাউতারো মার্টিনেজও ছড়াচ্ছেন নৈপুণ্য। এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১৭ গোল করেছে আর্জেন্টিনা। এর মধ্যে মেসির গোল ৮টি। জার্মান কোচ টমাস টুখেলের অধীনে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে ইংল্যান্ড। আক্রমণে হ্যারি কেইন, মাঝমাঠে জুড বেলিংহাম ও ডেকলান রাইস দলটিকে দিয়েছে ভারসাম্য। এখন পর্যন্ত ১৩ গোল করেছে থ্রি লায়ন্সরা। কেইন ও বেলিংহাম করেছেন ৬টি করে গোল। দুই দলের সর্বশেষ দেখা হয়েছিল ২০০৫ সালে একটি প্রীতি ম্যাচে। মোট ছয়বারের মুখোমুখি লড়াইয়ের পাঁচটিই হয়েছে বিশ্বকাপে। ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে দিয়েগো ম্যারাডোনার বিখ্যাত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল আজও ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত ঘটনা। রাজনৈতিক সম্পর্কের কারণে বিশ্বকাপের বাইরে দুই দলের ম্যাচ খুবই বিরল। দীর্ঘ ২১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে বিশ্বের প্রায় সব
বড় দলের বিপক্ষে খেললেও লিওনেল মেসি কখনো ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামেননি। ফলে হ্যারি কেইন, জুড বেলিংহামদের বিপক্ষে এটিই হতে যাচ্ছে তার প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। অন্যদিকে বিশ্বকাপের ৯৬ বছরের ইতিহাসে সেমিফাইনালে কখনো হারেনি আর্জেন্টিনা। সেই গৌরব ধরে রেখে ফাইনালে ওঠাই এখন আলবিসেলেস্তাদের লক্ষ্য।
ইংল্যান্ড। ২০১০ সালে শিরোপা জিতেছিল স্পেন, ১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ড এবং ১৯৯৮ ও ২০১৮ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ফ্রান্স। অন্যদিকে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা এবার জার্মানি ও ইতালির সমান পাঁচটি শিরোপা জয়ের স্বপ্নে এগিয়ে চলছে। ডালাসে অনুষ্ঠিত হবে প্রথম সেমিফাইনাল। শক্তি, সামর্থ্য ও সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স বিবেচনায় স্পেন ও ফ্রান্সের লড়াইকে এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচগুলোর একটি হিসেবে দেখা হচ্ছে। ছয় ম্যাচে মাত্র একটি গোল হজম করেছে স্পেন। গোলবারের নিচে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন উনাই সিমন। কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামকে হারানোর পর স্প্যানিশ তারকা লামিন ইয়ামাল আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেছেন, "ফ্রান্স যদি কাউকে ভয় পেয়ে থাকে, তবে সেটা স্পেন।" দুই দলের সর্বশেষ তিন দেখায় দুটিতেই জয় পেয়েছে স্পেন। অন্যদিকে ফ্রান্সের
সবচেয়ে বড় শক্তি তাদের বিধ্বংসী আক্রমণভাগ। কিলিয়ান এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে, ব্র্যাডলি বারকোলা ও মাইকেল ওলিসে যে কোনো মুহূর্তে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারেন। ছয় ম্যাচে ফ্রান্স করেছে ১৬ গোল, যার মধ্যে এমবাপ্পের একারই ৮টি। বিশ্বকাপে দুই দলের একমাত্র দেখা হয়েছিল ২০০৬ সালে। সেবার শেষ ষোলোতে স্পেনকে ৩-১ গোলে হারিয়েছিল ফ্রান্স। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আটলান্টায় মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। এবারের টুর্নামেন্টে তুলনামূলক সহজ পথ পেরিয়ে শেষ চারে উঠলেও আর্জেন্টিনাকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়েছে কয়েকটি ম্যাচে। কেপ ভার্দে ও মিশর তাদের কঠিন পরীক্ষা নিয়েছে। সুইজারল্যান্ডকে হারাতে গড়াতে হয়েছে অতিরিক্ত সময়ে। রক্ষণভাগে কিছু দুর্বলতা থাকলেও আক্রমণে দুর্দান্ত আর্জেন্টিনা। অধিনায়ক লিওনেল মেসির পাশাপাশি হুলিয়ান আলভারেজ
ও লাউতারো মার্টিনেজও ছড়াচ্ছেন নৈপুণ্য। এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১৭ গোল করেছে আর্জেন্টিনা। এর মধ্যে মেসির গোল ৮টি। জার্মান কোচ টমাস টুখেলের অধীনে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে ইংল্যান্ড। আক্রমণে হ্যারি কেইন, মাঝমাঠে জুড বেলিংহাম ও ডেকলান রাইস দলটিকে দিয়েছে ভারসাম্য। এখন পর্যন্ত ১৩ গোল করেছে থ্রি লায়ন্সরা। কেইন ও বেলিংহাম করেছেন ৬টি করে গোল। দুই দলের সর্বশেষ দেখা হয়েছিল ২০০৫ সালে একটি প্রীতি ম্যাচে। মোট ছয়বারের মুখোমুখি লড়াইয়ের পাঁচটিই হয়েছে বিশ্বকাপে। ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে দিয়েগো ম্যারাডোনার বিখ্যাত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল আজও ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত ঘটনা। রাজনৈতিক সম্পর্কের কারণে বিশ্বকাপের বাইরে দুই দলের ম্যাচ খুবই বিরল। দীর্ঘ ২১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে বিশ্বের প্রায় সব
বড় দলের বিপক্ষে খেললেও লিওনেল মেসি কখনো ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামেননি। ফলে হ্যারি কেইন, জুড বেলিংহামদের বিপক্ষে এটিই হতে যাচ্ছে তার প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। অন্যদিকে বিশ্বকাপের ৯৬ বছরের ইতিহাসে সেমিফাইনালে কখনো হারেনি আর্জেন্টিনা। সেই গৌরব ধরে রেখে ফাইনালে ওঠাই এখন আলবিসেলেস্তাদের লক্ষ্য।



