নাম বদল, নাকি নীতি বদল: ইন্দো-প্যাসিফিকে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অবস্থান কি সত্যিই পাল্টে গেছে? – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১১ July, ২০২৬

নাম বদল, নাকি নীতি বদল: ইন্দো-প্যাসিফিকে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অবস্থান কি সত্যিই পাল্টে গেছে?

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১১ July, ২০২৬ |
গত দুই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ থেকে আসা দুটি ঘটনা একসাথে বিশ্লেষণ করলে একটি প্রশ্ন সামনে আসে—ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত স্বার্থ ও প্রভাবের ধরন কি বদলে যাচ্ছে? একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে পুরনো ও বৃহত্তম কমব্যাটেন্ট কমান্ডের নাম বদলে গেছে, অন্যদিকে যুদ্ধ বিভাগের প্রধান নিজে এক আঞ্চলিক সম্মেলনে দাঁড়িয়ে মিত্রদের সাথে সম্পর্কের ধরন নতুন করে সংজ্ঞায়িত করার কথা বলেছেন। ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ডের নাম বদল ১৬ জুন, ২০২৬ তারিখে যুদ্ধ বিভাগ ঘোষণা দেয়, ইউএস ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ড (ইউএসইনডোপ্যাকম) তার নাম পরিবর্তন করে পুরনো নাম ইউএস প্যাসিফিক কমান্ডে (ইউএসপ্যাকম) ফিরে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিবৃতি অনুযায়ী, ১৯৪৭ সালের ১ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যানের সময়ে প্রতিষ্ঠিত এই কমান্ড

সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে ইউএসপ্যাকম নামে পরিচিত ছিল, এবং এটিই যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে পুরনো ও বৃহত্তম যৌথ কমব্যাটেন্ট কমান্ড। বিবৃতিতে এই নাম পুনরুদ্ধারকে কোরীয় যুদ্ধ, ভিয়েতনাম যুদ্ধ ও যুদ্ধ-পরবর্তী আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলায় কমান্ডের ঐতিহাসিক ভূমিকার প্রতি সম্মান জানানো হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। তবে বিবৃতিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, কমান্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকা—যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম উপকূল থেকে ভারতের পশ্চিম সীমান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত—অপরিবর্তিত থাকছে, এবং এর মূল মিশন ও মুক্ত-উন্মুক্ত অঞ্চল বজায় রাখার প্রতিশ্রুতিতেও কোনো পরিবর্তন আসছে না। অর্থাৎ, প্রাতিষ্ঠানিকভাবে এই পরিবর্তনকে যুক্তরাষ্ট্র নিছক একটি ঐতিহ্যগত নাম পুনরুদ্ধার হিসেবেই তুলে ধরেছে—কৌশলগত অগ্রাধিকারে পরিবর্তনের ঘোষণা হিসেবে নয়। সেক্রেটারি অব ওয়্যার হেগসেথের নতুন সুর তবে নাম

বদলের ঠিক আগে, ২৯ মে সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত শাংগ্রি-লা সংলাপে যুদ্ধ সচিব পিট হেগসেথের বক্তব্যে অন্তর্নিহিত সুরে একটা লক্ষণীয় পরিবর্তন ধরা পড়ে। তিনি জোট ও অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রে নতুন এক পথরেখার কথা বলেন, যা “ক্ষমতা ও স্বার্থের বাস্তবতার” ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠবে বলে জানান। ধনী মিত্র দেশগুলোর প্রতিরক্ষা ব্যয় ভাগাভাগি না করে যুক্তরাষ্ট্রের একাই ভার বহন করার যুগ শেষ হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি, এবং বলেন যুক্তরাষ্ট্রের এখন প্রয়োজন “অংশীদার, রক্ষিত রাজ্য নয়”। হেগসেথ জানান, নতুন জাতীয় প্রতিরক্ষা কৌশলের আলোকে যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্রদের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে তাদের নিজস্ব সক্ষমতা বাড়াতে উৎসাহিত করবে, যাতে তারা নিজেদের প্রতিরক্ষায় অধিকতর স্বনির্ভর হয়ে ওঠে।

একইসাথে তিনি চীনের সামরিক সম্প্রসারণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং বলেন, অঞ্চলে কোনো একক আধিপত্যকারী শক্তি প্রতিষ্ঠিত হলে তা আঞ্চলিক ভারসাম্য নষ্ট করবে। তার ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত নয়, বরং “শক্তির মাধ্যমে শান্তি” প্রতিষ্ঠার নীতিতে অটল থাকবে, এবং যেসব মিত্র নিজেদের দায়িত্ব বহন করতে অস্বীকৃতি জানাবে, তাদের সাথে সম্পর্কের ধরনে স্পষ্ট পরিবর্তন আসবে বলেও তিনি সতর্ক করেন। একই সাথে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, যুক্তরাষ্ট্র একটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় শক্তি হিসেবে অঞ্চলে তার দীর্ঘদিনের অবস্থানকে সম্মান জানাতে চীনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে এবং এই অবস্থান বজায় রাখতে সামরিক শক্তি ধরে রাখারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। পূর্বের কৌশলের ধারাবাহিকতা, নাকি নতুন কোন কৌশল? দুটি ঘটনা একত্রে দেখলে একটা জটিল চিত্র

ফুটে ওঠে। নামের পুনরুদ্ধারকে যুদ্ধ বিভাগ স্পষ্টভাবে প্রতীকী ও ঐতিহ্যগত বলে বর্ণনা করেছে—কমান্ডের দায়িত্ব, এলাকা বা মিশনে কোনো পরিবর্তনের কথা তারা স্বীকার করেনি। সুতরাং প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর দিক থেকে এটিকে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত স্বার্থ পরিবর্তনের প্রমাণ হিসেবে দেখার সুযোগ সীমিত। তবে হেগসেথের বক্তব্যে যে সুর প্রকাশ পেয়েছে, তা নীতিগত ধারাবাহিকতার চেয়ে বরং একটি লক্ষণীয় পুনর্বিন্যাসের ইঙ্গিত দেয়। “মিত্র, রক্ষিত রাষ্ট্র নয়” এবং “ধনী দেশগুলোর প্রতিরক্ষা ভর্তুকির যুগ শেষ” জাতীয় বক্তব্য বোঝায়, যুক্তরাষ্ট্র অঞ্চল থেকে সরে যাচ্ছে না, বরং তার সম্পৃক্ততার শর্ত পুনর্নির্ধারণ করছে—মিত্রদের ওপর নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যয়ের বোঝা বাড়িয়ে দিয়ে। এই অবস্থানকে দুইভাবে ব্যাখ্যা করা সম্ভব: একদল বিশ্লেষকের মতে, এটি প্রকৃতপক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত

প্রতিশ্রুতি হ্রাসের একটি সূক্ষ্ম রূপ—কেননা মিত্রদের ওপর শর্ত আরোপ ও নির্ভরতা কমানোর আহ্বান দীর্ঘমেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি সামরিক সম্পৃক্ততা কমিয়ে দিতে পারে, বিশেষত যেসব দেশ দ্রুত প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়াতে সক্ষম নয়। অন্যদিকে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে এবং হেগসেথের বক্তব্য অনুসরণকারী অনেক পর্যবেক্ষকের মতে, এটি নীতিগত ধারাবাহিকতারই একটি নতুন সংস্করণ—যুক্তরাষ্ট্র অঞ্চল ছাড়ছে না, বরং চীনকে মোকাবিলায় “শক্তির মাধ্যমে শান্তি” নীতি অক্ষুণ্ন রেখে মিত্রদের সক্ষমতা বাড়িয়ে সম্মিলিত প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে আরও টেকসই করার চেষ্টা করছে। এই ব্যাখ্যা অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়া, ফিলিপাইন, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, বাংলাদেশ ও ভারতের মতো দেশগুলোর প্রতিরক্ষা অঙ্গীকার বৃদ্ধি এই কৌশলেরই ইতিবাচক ফল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়,

ইন্দো-প্যাসিফিকে যুক্তরাষ্ট্রের মৌলিক কৌশলগত স্বার্থ—চীনের আধিপত্য ঠেকানো, আঞ্চলিক ভারসাম্য বজায় রাখা এবং একটি “মুক্ত ও উন্মুক্ত” অঞ্চল নিশ্চিত করা—অপরিবর্তিতই রয়ে গেছে বলে যুদ্ধ বিভাগের বিবৃতি ও হেগসেথের বক্তব্য উভয়েই ইঙ্গিত দেয়। তবে এই স্বার্থ রক্ষার পদ্ধতি ও মিত্রদের সাথে সম্পর্কের কাঠামোতে স্পষ্ট একটি রূপান্তর ঘটছে—নির্ভরতাভিত্তিক সুরক্ষা থেকে শর্তসাপেক্ষ অংশীদারিত্বের দিকে। নামের পরিবর্তনকে যতটা না কৌশলগত রূপান্তরের প্রতীক হিসেবে দেখা যায়, তার চেয়ে বেশি তাৎপর্যপূর্ণ হলো হেগসেথের ভাষায় প্রকাশিত এই শর্তসাপেক্ষ অংশীদারিত্বের মডেল, যা ভবিষ্যতে অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৃত সম্পৃক্ততার মাত্রা কেমন হবে, তা অনেকাংশে নির্ধারণ করে দিতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মক্তব শিক্ষক গ্রেপ্তার সব অন্যায় ও গুম-খুনের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের