ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বরিশালে থানায় হামলার ঘটনায় ১৮ জন গ্রেপ্তার
ঝিনাইদহে নাপিত ডেকে ছাত্রদের চুল কাটলেন সাবেক সভাপতি, অভিভাবক-কর্তৃপক্ষ হাতাহাতি
হবিগঞ্জে নদীর বাঁধ ভেঙে ১০ গ্রাম প্লাবিত, নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটছে মানুষ
খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে হবিগঞ্জের ১০ গ্রাম প্লাবিত
বালু উত্তোলন ঘিরে কলাবাগান রণক্ষেত্র, নারীসহ আহত অর্ধশতাধিক
মব-মামলা-নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা না করে চট্টগ্রামের পানিবন্দী মানুষের মাঝে ছাত্রলীগের খাবার বিতরণ
৭ বছর আগে কেনা জমিতে বাড়ি নির্মাণে বাধা, তদন্তে সরকারি জমি দখলের প্রমাণ মেলেনি
কক্সবাজারে ২০০ গ্রাম প্লাবিত, পানিবন্দি ৬ লাখ মানুষ
টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজার জেলার বন্যা পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। বৃষ্টিপাত কিছুটা কমায় পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকলেও জেলার অন্তত ৪০টি ইউনিয়নের দুই শতাধিক গ্রাম প্লাবিত রয়েছে। এতে প্রায় ছয় লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
এদিকে শুক্রবারও জেলার প্রধান দুই নদী বাঁকখালী ও মাতামুহুরীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ধসের ঘটনায় গত চারদিনে জেলায় অন্তত ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। অধিকাংশ উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় জেলা ও উপজেলার সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে, একইসঙ্গে বন্ধ রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ সব নৌপথ।
পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে। পাহাড়ের পাদদেশ, ঢালু এলাকা ও বন্যাকবলিত নিচু
স্থানে বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে আনা হচ্ছে। জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজার সদর, চকরিয়া, পেকুয়া, উখিয়া, টেকনাফ, রামু, মহেশখালী, কুতুবদিয়া, ঈদগাঁও ও মাতামুহুরী এলাকার বিস্তীর্ণ জনপদ এখন পানির নিচে। বহু বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গ্রামীণ সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার রাজাখালী, মগনামা ও উজানটিয়া ইউনিয়ন এবং চকরিয়া পৌরসভাসহ বিভিন্ন এলাকা। স্থানীয়দের অভিযোগ, কয়েকটি মাছের ঘেরে পানি আটকে থাকায় জলাবদ্ধতা আরও তীব্র হয়েছে। দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না নেওয়ায় দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রফিকুল ইসলাম জানান, অতিরিক্ত বৃষ্টিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় উপজেলা প্রশাসন
সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান জানান, সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলার ৬৪৮টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উদ্ধার, ত্রাণ ও জরুরি সহায়তার জন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি সার্বক্ষণিক ‘কন্ট্রোল রুম’ চালু করা হয়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সবাইকে সতর্ক থাকার এবং সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি। তিনি আরও জানান, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য পর্যাপ্ত শুকনো খাবার মজুত রয়েছে এবং অতিরিক্ত শুকনো খাবারের চাহিদাপত্র সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য ঢেউটিনও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এদিকে সাগর উত্তাল থাকার কারণে টানা ৮ দিন
ধরে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন, কক্সবাজার-মহেশখালী এবং পেকুয়া-কুতুবদিয়া নৌপথে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে দ্বীপাঞ্চলের হাজারো মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
স্থানে বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে আনা হচ্ছে। জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজার সদর, চকরিয়া, পেকুয়া, উখিয়া, টেকনাফ, রামু, মহেশখালী, কুতুবদিয়া, ঈদগাঁও ও মাতামুহুরী এলাকার বিস্তীর্ণ জনপদ এখন পানির নিচে। বহু বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গ্রামীণ সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার রাজাখালী, মগনামা ও উজানটিয়া ইউনিয়ন এবং চকরিয়া পৌরসভাসহ বিভিন্ন এলাকা। স্থানীয়দের অভিযোগ, কয়েকটি মাছের ঘেরে পানি আটকে থাকায় জলাবদ্ধতা আরও তীব্র হয়েছে। দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না নেওয়ায় দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রফিকুল ইসলাম জানান, অতিরিক্ত বৃষ্টিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় উপজেলা প্রশাসন
সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান জানান, সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলার ৬৪৮টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উদ্ধার, ত্রাণ ও জরুরি সহায়তার জন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি সার্বক্ষণিক ‘কন্ট্রোল রুম’ চালু করা হয়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সবাইকে সতর্ক থাকার এবং সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি। তিনি আরও জানান, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য পর্যাপ্ত শুকনো খাবার মজুত রয়েছে এবং অতিরিক্ত শুকনো খাবারের চাহিদাপত্র সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য ঢেউটিনও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এদিকে সাগর উত্তাল থাকার কারণে টানা ৮ দিন
ধরে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন, কক্সবাজার-মহেশখালী এবং পেকুয়া-কুতুবদিয়া নৌপথে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে দ্বীপাঞ্চলের হাজারো মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।



