ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বরিশালে থানায় হামলার ঘটনায় ১৮ জন গ্রেপ্তার
ঝিনাইদহে নাপিত ডেকে ছাত্রদের চুল কাটলেন সাবেক সভাপতি, অভিভাবক-কর্তৃপক্ষ হাতাহাতি
খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে হবিগঞ্জের ১০ গ্রাম প্লাবিত
বালু উত্তোলন ঘিরে কলাবাগান রণক্ষেত্র, নারীসহ আহত অর্ধশতাধিক
মব-মামলা-নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা না করে চট্টগ্রামের পানিবন্দী মানুষের মাঝে ছাত্রলীগের খাবার বিতরণ
৭ বছর আগে কেনা জমিতে বাড়ি নির্মাণে বাধা, তদন্তে সরকারি জমি দখলের প্রমাণ মেলেনি
চাঁদার দাবিতে জমির মালিককে হত্যার হুমকি দিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করলেন জামায়াত নেতা
হবিগঞ্জে নদীর বাঁধ ভেঙে ১০ গ্রাম প্লাবিত, নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটছে মানুষ
টানা ভারী বর্ষণ ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে হবিগঞ্জে খোয়াই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙে অন্তত ১০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের কালিগঞ্জ এলাকায় বাঁধ ভেঙে আকস্মিক এই বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পানির প্রবল স্রোতে বসতবাড়ি ও রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয়রা।
হঠাৎ করে লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বাসিন্দারা। জীবন বাঁচাতে তারা গবাদিপশু ও প্রয়োজনীয় মালামাল নিয়ে নিরাপদ স্থানে ছুটছেন। বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ায় অনেকেই আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে, আবার কেউ কেউ বাধ্য হয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে অবস্থান নিয়েছেন।
এদিকে, বন্যার পানিতে হবিগঞ্জ-মিরপুর সড়কের বিভিন্ন স্থান তলিয়ে গেছে। এতে ওই
সড়কে যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। পানি আরও বাড়লে যেকোনো সময় সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। বাঁধ ভাঙার খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মঈনুল হক এবং সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আবু জাহের। এ সময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করে প্লাবিত এলাকার মানুষকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়। ইতোমধ্যে পানিবন্দি মানুষদের উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে কাজ শুরু করেছে ফায়ার সার্ভিস। সার্বিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মঈনুল হক জানান, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জেলার ৯টি উপজেলায় মোট
৮৩টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নেওয়া মানুষদের জন্য পর্যাপ্ত শুকনো খাবারের ব্যবস্থাও সম্পন্ন করা হয়েছে।
সড়কে যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। পানি আরও বাড়লে যেকোনো সময় সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। বাঁধ ভাঙার খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মঈনুল হক এবং সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আবু জাহের। এ সময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করে প্লাবিত এলাকার মানুষকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়। ইতোমধ্যে পানিবন্দি মানুষদের উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে কাজ শুরু করেছে ফায়ার সার্ভিস। সার্বিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মঈনুল হক জানান, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জেলার ৯টি উপজেলায় মোট
৮৩টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নেওয়া মানুষদের জন্য পর্যাপ্ত শুকনো খাবারের ব্যবস্থাও সম্পন্ন করা হয়েছে।



