ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামীর দুই শীর্ষ নেতা ঢাকায়
জাতিসংঘের মিশন হারিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে চাকরির জন্য পাকিস্তানের দ্বারস্থ বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী
‘হরমুজ’ উন্মুক্ত রাখতে ঐকমত্য জিনপিং-ট্রাম্প
চীন সফরে আসছেন পুতিন, শি জিনপিং যাচ্ছেন হোয়াইট হাউসে?
ব্রিটিশ সরকারের আরেক মন্ত্রীর পদত্যাগ, আরও সংকটে স্টারমার
হান্টা ভাইরাসে আক্রান্ত ৮ জনের শরীরে অ্যান্ডিজ ভাইরাস শনাক্ত: ডব্লিউএইচও
নির্বাচনের পর বিধানসভাতেও থালাপতি ম্যাজিক, বিরোধী শিবিরে ভাঙন
যুক্তরাষ্ট্র নৌ অবরোধ তুলে নিলে আলোচনা শুরু হতে পারে: ইরান
যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালি ঘিরে আরোপিত নৌ অবরোধ তুলে নিলে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা আবার শুরু হতে পারে। নৌ অবরোধ বাতিল করা হলেই ইসলামাবাদে আলোচনা আবার শুরু হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘে ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি আমির সায়্যিদ ইরভানি।
বুধবার (২২ এপ্রিল) ইরানের স্টুডেন্ট নিউজ নেটওয়ার্ক ( এসএনএন) টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন আমির সায়্যিদ ইরভানি।
আমির সায়্যিদ ইরভানি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের শামিল। আমরা তাদের জানিয়েছি, এই অবরোধ তুলে নিতে হবে। তারা অবরোধ প্রত্যাহার করলেই ইসলামাবাদে পরবর্তী দফার আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে পারে।
প্রসঙ্গত, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে। এতে দেশজুড়ে সামরিক ও
বেসামরিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালানো হয়, যার ফলে ব্যাপক প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি ঘটে। এর জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী বিভিন্ন দফায় মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও রাডার লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্রি এবং ড্রোন হামলার মাধ্যমে পাল্টা আঘাত হানে। পরে ৭ এপ্রিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবের ভিত্তিতে ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়, যা দুই সপ্তাহের জন্য সংঘাত স্থগিত করে। ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের ইসলামাবাদে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা হলেও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানে কোনো সমঝোতা হয়নি। মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পক্ষে ছিলেন পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ। ইরানের লিগাল মেডিসিন অর্গানাইজেশন সংস্থাটির প্রধান আব্বাস মাসজেদি জানিয়েছেন, গত ২৮
ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি যৌথবাহিনীর হামলায় মোট ৩ হাজার ৩৭৫ জন নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ২ হাজার ৮৭৫ জন পুরুষ এবং ৪৯৬ জন নারী। তিনি বলেন, এখনো চারটি মরদেহ শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
বেসামরিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালানো হয়, যার ফলে ব্যাপক প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি ঘটে। এর জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী বিভিন্ন দফায় মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও রাডার লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্রি এবং ড্রোন হামলার মাধ্যমে পাল্টা আঘাত হানে। পরে ৭ এপ্রিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবের ভিত্তিতে ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়, যা দুই সপ্তাহের জন্য সংঘাত স্থগিত করে। ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের ইসলামাবাদে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা হলেও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানে কোনো সমঝোতা হয়নি। মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পক্ষে ছিলেন পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ। ইরানের লিগাল মেডিসিন অর্গানাইজেশন সংস্থাটির প্রধান আব্বাস মাসজেদি জানিয়েছেন, গত ২৮
ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি যৌথবাহিনীর হামলায় মোট ৩ হাজার ৩৭৫ জন নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ২ হাজার ৮৭৫ জন পুরুষ এবং ৪৯৬ জন নারী। তিনি বলেন, এখনো চারটি মরদেহ শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।



