যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি: যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হলেও কে আসল বিজয়ী? – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৬ জুন, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি: যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হলেও কে আসল বিজয়ী?

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৬ জুন, ২০২৬ |
মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘ কয়েক মাসের সংঘাতের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি কাঠামোগত চুক্তিতে সমঝোতা হয়েছে বলে জানা গেছে। চুক্তির আওতায় রয়েছে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি এবং বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ তেল সরবরাহ পথ হরমুজ প্রণালী পুনরায় চালু করার পরিকল্পনা। উল্লেখ্য, এই ঘোষণা এমন এক সময়ে এলো যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নিজের ৮০তম জন্মদিন উদযাপন করছিলেন। চুক্তিটি শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা রয়েছে, তবে তার আগে এখনো বহু প্রশ্নের জবাব অস্পষ্ট। বিশ্লেষকদের মতে, এটি কোনো প্রকৃত চুক্তি নয়, বরং পরবর্তী দরকষাকষির জন্য একটি অস্পষ্ট কাঠামো মাত্র। দুই পক্ষ আদৌ একই বিষয়ে সম্মত হয়েছে কিনা, তা শুক্রবারের স্বাক্ষর অনুষ্ঠানেই স্পষ্ট হবে বলে মনে করা হচ্ছে। চুক্তির মূল শর্তাবলী ও

অস্পষ্টতা প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালী পুনরায় শিপিংয়ের জন্য খুলে দেওয়া হবে এবং এর প্রভাবে তেলের দাম এরই মধ্যে কমতে শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দরগুলোর ওপর থেকে নৌ-অবরোধ তুলে নেবে, যদিও ইরানি তেল আবার আন্তর্জাতিক বাজারে ফিরতে পারবে কিনা তা এখনো স্পষ্ট নয়। দুই পক্ষের বক্তব্যে বড় ফারাক দেখা যাচ্ছে। ইরান দাবি করছে, ওমানের সঙ্গে যৌথভাবে তারাই হরমুজ প্রণালী পরিচালনা করবে, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বিবৃতিতে এই বিষয়ে কোনো উল্লেখ নেই। একইভাবে প্রায় ২৪ বিলিয়ন ডলারের জব্দ করা ইরানি সম্পদ মুক্ত করা এবং নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার বিষয়েও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ইরান বলছে তাদের পরমাণু কর্মসূচি এই কাঠামো

চুক্তির আলোচনার বিষয় হবে না, বরং সেটি দ্বিতীয় ধাপে আলোচিত হবে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র শুরু থেকেই ইরানের পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ করাকে যুদ্ধের প্রধান লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেছিল, গতকালের ঘোষণায় পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে কোনো কথা বলা হয়নি। ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল কর্মসূচি বা আঞ্চলিক মিত্র গোষ্ঠীগুলোর, যেমন লেবাননের হিজবুল্লাহ ও ইয়েমেনের হুথি, সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়েও এই চুক্তিতে কোনো শর্ত আরোপিত হয়নি। এ ছাড়া আরেকটি বড় বিতর্কের বিষয় হলো লেবানন প্রসঙ্গ। ইরান বলছে, যুদ্ধবিরতি অবশ্যই লেবাননে ইসরায়েলের হামলাও বন্ধ করতে হবে, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বিবৃতিতে এই বিষয়ের উল্লেখ নেই এবং ইসরায়েল প্রকাশ্যেই এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে, মাঠে নতুন হামলার মাধ্যমে এবং সরকারি বিবৃতির মাধ্যমেও। ফেব্রুয়ারির তুলনায় বর্তমান পরিস্থিতি:

ইরান কেন এগিয়ে বিশ্লেষকদের মতে, গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে, যুদ্ধ শুরুর দুই দিন আগে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে ওমানের মধ্যস্থতায় আলোচনা চলছিল। তখন আলোচনার টেবিলে ছিল ইরানের পরমাণু কর্মসূচিতে কঠোর সীমাবদ্ধতা আরোপ, ব্যালিস্টিক মিসাইল কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা এবং হিজবুল্লাহর মতো আঞ্চলিক মিত্রদের সঙ্গে সম্পর্কের প্রশ্ন। তখন হরমুজ প্রণালী স্বাভাবিকভাবেই খোলা ছিল। সাড়ে তিন মাসের যুদ্ধের পর সেই অবস্থান থেকে এখন কেবল হরমুজ প্রণালী পুনরায় খোলার বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে। তবে এবার ইরানের ওই জলপথের নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য অংশীদারিত্ব থাকছে। ইরানের পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ হয়নি, ব্যালিস্টিক মিসাইল কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করতে হয়নি এবং আঞ্চলিক মিত্রদের সঙ্গে সম্পর্কের প্রশ্নেও কোনো ছাড় দিতে হয়নি। এই প্রেক্ষাপটে বিশ্লেষকরা

মনে করছেন, প্রবল অর্থনৈতিক ক্ষতি এবং নেতৃত্বের ওপর হামলার শিকার হলেও (সর্বোচ্চ নেতাসহ একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হওয়ার ঘটনা) রাজনৈতিকভাবে ইরান যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় বরং শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। কারণ বিশ্বের জ্বালানি বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ পথের ওপর তাদের প্রভাব বজায় থাকছে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও তার উপসাগরীয় মিত্রদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে তারা সক্ষম হয়েছে। এই কারণেই বিশ্লেষণে ইরানকে এই চুক্তির অপেক্ষাকৃত লাভবান পক্ষ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যদিও যেকোনো যুদ্ধেই প্রকৃত অর্থে কেউ জয়ী হয় না বলে মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির হিসাবে দেখা যায়, মার্চের শুরু থেকে লেবাননে প্রায় ৩,৮০০ জন এবং ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে ইরানে ৩,০০০-এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

এ ছাড়া বহু ইসরায়েলি সেনা ও সাধারণ মানুষ এবং ১৩ জন মার্কিন সেনা সদস্যও প্রাণ হারিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেক্ষাপটে দেখা যায়, প্রশাসন প্রাথমিকভাবে ইরানের ওপর সামরিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করে তাদের পরমাণু কর্মসূচি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা, ইরানকে আলোচনায় বাধ্য না করে সরাসরি প্রভাব খাটানো এবং আঞ্চলিক আব্রাহাম চুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে ইসরায়েল-আরব সম্পর্ক জোরদারের লক্ষ্য নিয়েছিল। কিন্তু সাড়ে তিন মাস পর যুক্তরাষ্ট্রের অর্জন হিসেবে দেখা যাচ্ছে দেশে পেট্রোলের দাম বৃদ্ধি, যা আসন্ন কংগ্রেস নির্বাচনের আগে রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর; উপসাগরীয় মিত্রদের সঙ্গে সম্পর্কে গুরুতর টানাপোড়েন; এবং বিশ্বমঞ্চে আধিপত্য প্রদর্শনে ব্যর্থতা। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সৌদি আরব ও কাতার এখন ইসরায়েলের সঙ্গে স্বাভাবিকীকরণ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে

রাজি নয়, কেবল সংযুক্ত আরব আমিরাত এখনো এই পথে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ করতে ইচ্ছুক। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক মধ্যপ্রাচ্য কৌশল কার্যত ভেস্তে গেছে বলেও মনে করা হচ্ছে। এ ছাড়া একটি অর্থনৈতিক মাত্রাও রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের পরিবারের ব্যবসায়িক স্বার্থ উপসাগরীয় অঞ্চলে, বিশেষ করে কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবে বিলিয়ন ডলারের প্রকল্পে জড়িত। সৌদি আরব ও কাতারের সঙ্গে সম্পর্কে টানাপোড়েনের প্রভাব এই অর্থনৈতিক স্বার্থেও পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইসরায়েলের প্রতিক্রিয়া ও অভ্যন্তরীণ চাপ ইসরায়েলের প্রতিক্রিয়া এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। সরকারপ্রধানের পক্ষ থেকে এখনো সরাসরি কোনো বিবৃতি আসেনি, তবে সরকারের ভেতর থেকেই এই চুক্তিকে ব্যর্থতা এবং ইসরায়েল ও সমগ্র মুক্ত বিশ্বের জন্য বাজে চুক্তি বলে সমালোচনা করা হয়েছে। অন্যদিকে সরকারের জাতীয় সুরক্ষা সংক্রান্ত একজন মন্ত্রী জোর দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই সমঝোতা ইসরায়েলকে বাধ্য করে না এবং ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের অধীনস্থ কোনো পক্ষ নয়। প্রতিরক্ষামন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, লেবানন, সিরিয়া ও গাজায় প্রতিষ্ঠিত নিরাপত্তা অঞ্চল থেকে ইসরায়েল সরবে না। লেবানন সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় যে অবকাঠামোকে তারা সন্ত্রাসী চৌকি বলে অভিহিত করছে তা ধ্বংস করা হবে এবং সেখানকার বেসামরিক বাসিন্দাদের ফিরতে দেওয়া হবে না বলেও জানানো হয়েছে। হিজবুল্লাহ হামলা বন্ধ না করলে ইসরায়েল ফের হামলা চালানোর অধিকার সংরক্ষণ করার কথাও বলা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী চুক্তি ঘোষণার পরও দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। লক্ষণীয় বিষয় হলো, ইসরায়েল সরকারের ঘনিষ্ঠ সূত্র থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দুই দূতকে এই বাজে চুক্তির জন্য দায়ী করা হচ্ছে। অভিযোগ, তারা কাতারের সঙ্গে অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠ হয়ে পড়েছিলেন এবং কাতারের প্রভাবে এই চুক্তি মেনে নিয়েছেন, যেখানে কাতারই এই আলোচনার মধ্যস্থতাকারী। উল্লেখযোগ্য, এই দুই দূতের পরিবারের কাতারের সঙ্গে আর্থিক স্বার্থ থাকার বিষয়টিও ইসরায়েলে আলোচিত হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে এটি প্রেসিডেন্টের প্রতি সরাসরি সমালোচনা না করেই একটি রাজনৈতিক সতর্কসংকেত, অর্থাৎ হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে আরও হামলা চালানোর ক্ষেত্রে যদি তাদের হাত-পা বেঁধে দেওয়া হয় তবে রাজনৈতিকভাবে এর প্রতিক্রিয়া দেখা যাবে। প্রসঙ্গত, ইসরায়েলে আগামী অক্টোবরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা এবং বর্তমান সরকারপ্রধান পুনরায় নির্বাচিত হতে চান। অভ্যন্তরীণ সমালোচকদের অভিযোগ, ইরানে শাসন পরিবর্তন, পরমাণু ও ব্যালিস্টিক মিসাইল কর্মসূচি ধ্বংস করা বা আঞ্চলিক মিত্রদের প্রভাব খর্ব করার মতো ঘোষিত লক্ষ্যগুলোর কোনোটিই বাস্তবে অর্জিত হয়নি। তবে যুদ্ধের শুরুর দিকে ইরানের ওপর হামলায় ইসরায়েলিদের বড় অংশের সমর্থন থাকলেও দীর্ঘ সংঘাতের কারণে জনমনে ক্লান্তি দেখা দিয়েছে। গাজা প্রসঙ্গ ও দখলদারির সম্প্রসারণ বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন, এই যুদ্ধবিরতি আলোচনার বাইরেও ইসরায়েল গাজা ও লেবাননে তাদের দখলকৃত এলাকা সম্প্রসারণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। গাজার প্রায় ৬০ শতাংশ এলাকা এখন তাদের নিয়ন্ত্রণে এবং তারা সেটি ৭০ শতাংশে উন্নীত করতে চায়। লেবাননেও সীমান্ত থেকে অন্তত ১০ কিলোমিটার গভীর পর্যন্ত একটি দখলদারি অঞ্চল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য ছিল তাদের। বর্তমানে তাদের মূল চিন্তা হলো যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন তাদের এই প্রচেষ্টা থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে নিতে পারে এবং বেইরুতে নতুন হামলা চালানো থেকে তাদের বিরত রাখার চেষ্টা করতে পারে। আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও ইউরোপের ভূমিকা আন্তর্জাতিক মহল থেকে এই উদ্যোগকে স্বাগত জানানো হয়েছে এবং এটি যেন স্থায়ী হয় সে আশা প্রকাশ করা হয়েছে, কারণ এই সংঘাতের প্রভাব বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও পড়ছে এবং তা বিশ্বের প্রতিটি দেশকেই প্রভাবিত করছে। বিশ্লেষকদের মতে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার বিষয় হলো ইউরোপের প্রতিক্রিয়া। যুদ্ধ শুরুর আগে হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত ছিল, কিন্তু যুদ্ধের পর এটি কার্যত ইরানের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। ইউরোপীয় শক্তিগুলো এই সমস্যা থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে উদ্ধার করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল, যা প্রশাসনকে ক্ষুব্ধ করেছিল। এখন প্রশ্ন হলো ইরান যদি ওমানের সঙ্গে যৌথভাবে হরমুজ প্রণালী পরিচালনা চালিয়ে যায় তাহলে ইউরোপীয় দেশগুলো কি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে নৌবাহিনী মোতায়েন করবে, নাকি তারা এ থেকে দূরে থাকবে, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আরও বিচ্ছিন্নতার বার্তা বহন করবে। সার্বিকভাবে এখনো প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে পক্ষগুলো সত্যিই একই চুক্তির ব্যাপারে সম্মত কিনা, হরমুজ প্রণালী, ইরানি সম্পদ, নিষেধাজ্ঞা এবং পরমাণু কর্মসূচি সংক্রান্ত অস্পষ্ট বিষয়গুলোতে স্পষ্টতা আসবে কিনা এবং ইসরায়েল লেবানন প্রশ্নে এই কাঠামো মেনে চলবে কিনা। বিশ্লেষকদের মতে বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করলে রাজনৈতিকভাবে ইরানের অবস্থান তুলনামূলকভাবে লাভজনক বলে মনে হলেও এই কাঠামো প্রকৃত অর্থে কার্যকর চুক্তিতে রূপ নেবে কিনা এবং ইসরায়েল মাঠে বাস্তবে কী করবে তার ওপরই নির্ভর করছে চুক্তির ভবিষ্যৎ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
রাউজানে যুবদল নেতা কিলিং মিশনে অংশগ্রহণকারীরা সবাই বিএনপির কর্মী বাজেটে তথ্য-উপাত্তের ক্ষেত্রে ছলচাতুরীর আশ্রয় নেওয়া হয়েছে: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য ত্রাণের টাকা লোপাট করলেন জামায়াত এমপির এপিএস-স্বজন ও দলের নেতাকর্মীরা মিলে দুই পুত্রের নামে ইউনিয়নের নামকরণের পর প্রতিমন্ত্রীর হাস্যকর ব্যাখ্যা ও কাকতালীয় দাবি সংসদে থ্রি জিরো বাস্তবায়নের নামে দেশে গণতন্ত্রসহ সব সূচকই ‘জিরো’ করে দিয়ে গেছেন ইউনূস ভারত, বাংলাদেশ এবং একটি অভিন্ন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যতের উদয় নিজের বংশনাম ও সন্তানদের নামে ইউনিয়ন — ইতিহাসে নজিরবিহীন কাণ্ড ঘটালেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম গভীর রাতে পরস্ত্রীর বিছানা থেকে হাতেনাতে আটক মসজিদের ইমাম, অতঃপর… যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি: যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হলেও কে আসল বিজয়ী? প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর মালয়েশিয়ায়: অভিবাসী শ্রমিক ইস্যুতে আসিফ নজরুলের ব্যর্থতা পুষিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ সাধারণ পাসপোর্ট বহন করে, ডিপ্লোমেটিক প্রটোকলের আবদার প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ এর ১ আগস্ট থেকে দেশের সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক, বিআরটিএ’র নির্দেশ হলরুম ভাড়া নিয়ে ব্যক্তিগত আয়োজনকে ‘অক্সফোর্ডের আমন্ত্রণ’ দাবিতে শিবির-এনসিপির মিথ্যাচার ডাচদের রুখে দিল জাপান, গ্যালারিতে মানবিক সৌন্দর্য দেখালেন সমর্থকরা কুরাসাওকে ৭ গোলে বিধ্বস্ত করে ব্রাজিলের রেকর্ড ভাঙল জার্মানি পাটক্ষেতে মিলল নিখোঁজ জামায়াত কর্মীর হাত-পা বাঁধা অগ্নিদগ্ধ মরদেহ নিউইয়র্কে তোফায়েল আহমেদ, মোশাররফ হোসেন ও রহমতুল্লাহর স্মরণে শোকসভা মহাখালী থেকে বাস ডিপো সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত গাফ্ফারের চোখে স্পেন আর্জেন্টিনা ফ্রান্স ইংল্যান্ডের শিরোপার লড়াই ও পর্তুগালের সম্ভাবনা বিশ্বকাপের মঞ্চে চার দিনের মধ্যে ৩ বার ভাঙল যে রেকর্ড