ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুবদল নেতার ওপর হামলা, ছাত্রদলের ৩ নেতাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা
চাকরির সুপারিশ করা কিশোরীর সাথে অন্তরঙ্গ অবস্থায় ধৃত জামায়াত এমপি গাজী নজরুল, ৫০১-কান্ডের মতো “দ্বিতীয় স্ত্রী” দাবি জেলা জামায়াতের
‘তারেক রহমানের ডাকেই সাড়া দিয়েছিলেন আবু সাঈদ’: ছাত্রদল সভাপতি রাকিবের দাবি
‘ছাত্রদলের নামে ভুয়া ফটোকার্ড বানাচ্ছে, শিবির: বেরোবির সমাবেশে রাকিব
তাবিজ দেওয়ার নাম করে গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টা, জামায়াত আমিরকে জুতাপেটার পর পুলিশে সোপর্দ
ল্যাব টেস্টে এক প্লেট ফুচকায় মিলেছে ৭ কোটিরও বেশি ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া: ভোক্তা অধিকার
আওয়ামী লীগ সরকার পতন আন্দোলনে সেনাবাহিনী কীভাবে সম্পৃক্ত ছিল, জানালেন রাশেদ খান
ত্রাণের টাকা লোপাট করলেন জামায়াত এমপির এপিএস-স্বজন ও দলের নেতাকর্মীরা মিলে
খুলনার কয়রা উপজেলায় ঈদুল আজহা উপলক্ষে গরিব ও দুস্থদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের অর্থ বিতরণকে ঘিরে অনিয়ম ও বৈষম্যের অভিযোগ উঠেছে।
সম্প্রতি প্রকাশ পাওয়া একটি তালিকায় দেখা গেছে, বরাদ্দপ্রাপ্তদের মধ্যে সচ্ছল ব্যক্তি, রাজনৈতিক কর্মী এবং এমপির আত্মীয়-স্বজনও রয়েছেন।
খুলনা-৬ (কয়রা–পাইকগাছা) আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ-এর ব্যক্তিগত সহকারী (এপিএস) আবু ওবাইদা, জামায়াতে ইসলামীর ও শিবিরের কয়েকজন নেতা এবং তার আত্মীয়স্বজনসহ মোট ২০১ জনের একটি তালিকা থেকে এ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এমপির অনুকূলে ঈদুল আজহা উপলক্ষে ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মধ্যে কয়রা উপজেলায় ২০১ জনের মধ্যে ৪ লাখ ১৫ হাজার
টাকা বিতরণ দেখানো হয়েছে। বাকি অর্থ পাইকগাছা উপজেলায় বিতরণের কথা রয়েছে। কয়রা উপজেলার তালিকায় এমপির ভাগনে আহসান হাবিব, উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আসমাতুল্লাহ, কয়রা সদর ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি মাজহারুল ইসলামসহ স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মীদের নামও রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তালিকায় থাকা অধিকাংশই রাজনৈতিকভাবে সংশ্লিষ্ট এবং তুলনামূলক সচ্ছল ব্যক্তি। আরও অভিযোগ উঠেছে, এমপির এপিএস, আত্মীয়স্বজন ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা বরাদ্দের মধ্যে ৪ হাজার টাকা করে পেয়েছেন, আর অন্যদের দেওয়া হয়েছে ২ হাজার টাকা করে। উপকারভোগী নাসিমা খাতুন, রেহেনা পারভীন, ফাতেমা খাতুন ও তাসলিমা বেগমসহ কয়েকজন জানান, তাদের উপজেলা পরিষদে ডেকে ২ হাজার টাকা করে দেওয়া হয় এবং বলা হয় এটি এমপির পক্ষ থেকে ঈদ সহায়তা। পরে তারা জানতে
পারেন, অন্যরা ৪ হাজার টাকা পেয়েছেন—এতে তারা বিস্মিত হন। এ বিষয়ে আবু ওবাইদা বলেন, “এ তালিকা তো আপনাদের পাওয়ার কথা নয়। তালিকা গোপন থাকার কথা ছিল।” কয়রা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মিজানুর রহমান বলেন, তালিকায় বেশিরভাগই গরিব ও অসহায় মানুষ। কিছু দলীয় লোক থাকতে পারে, তবে তারাও দরিদ্র। বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন বাবুল বলেন, গরিব মানুষের হক নষ্ট করে দলীয় নেতাকর্মী ও আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ করা হয়েছে, এবং তালিকায় অনেক সচ্ছল ব্যক্তির নাম রয়েছে। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) খুলনা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক কুদরত ই খুদা বলেন, যাদের জন্য ত্রাণ বরাদ্দ, তাদের বঞ্চিত করে যদি সচ্ছল ব্যক্তি ও
দলীয় লোকজনকে দেওয়া হয়, তবে তা অনিয়ম ও অন্যায়। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল বাকী বলেন, নিয়ম অনুযায়ী ত্রাণ তহবিলের অর্থ দরিদ্র ও দুস্থদের মধ্যে বিতরণ করার কথা। তবে উৎসবকেন্দ্রিক বিশেষ বরাদ্দের ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যের পক্ষ থেকেই তালিকা প্রস্তুত করা হয়ে থাকে।
টাকা বিতরণ দেখানো হয়েছে। বাকি অর্থ পাইকগাছা উপজেলায় বিতরণের কথা রয়েছে। কয়রা উপজেলার তালিকায় এমপির ভাগনে আহসান হাবিব, উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আসমাতুল্লাহ, কয়রা সদর ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি মাজহারুল ইসলামসহ স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মীদের নামও রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তালিকায় থাকা অধিকাংশই রাজনৈতিকভাবে সংশ্লিষ্ট এবং তুলনামূলক সচ্ছল ব্যক্তি। আরও অভিযোগ উঠেছে, এমপির এপিএস, আত্মীয়স্বজন ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা বরাদ্দের মধ্যে ৪ হাজার টাকা করে পেয়েছেন, আর অন্যদের দেওয়া হয়েছে ২ হাজার টাকা করে। উপকারভোগী নাসিমা খাতুন, রেহেনা পারভীন, ফাতেমা খাতুন ও তাসলিমা বেগমসহ কয়েকজন জানান, তাদের উপজেলা পরিষদে ডেকে ২ হাজার টাকা করে দেওয়া হয় এবং বলা হয় এটি এমপির পক্ষ থেকে ঈদ সহায়তা। পরে তারা জানতে
পারেন, অন্যরা ৪ হাজার টাকা পেয়েছেন—এতে তারা বিস্মিত হন। এ বিষয়ে আবু ওবাইদা বলেন, “এ তালিকা তো আপনাদের পাওয়ার কথা নয়। তালিকা গোপন থাকার কথা ছিল।” কয়রা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মিজানুর রহমান বলেন, তালিকায় বেশিরভাগই গরিব ও অসহায় মানুষ। কিছু দলীয় লোক থাকতে পারে, তবে তারাও দরিদ্র। বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন বাবুল বলেন, গরিব মানুষের হক নষ্ট করে দলীয় নেতাকর্মী ও আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ করা হয়েছে, এবং তালিকায় অনেক সচ্ছল ব্যক্তির নাম রয়েছে। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) খুলনা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক কুদরত ই খুদা বলেন, যাদের জন্য ত্রাণ বরাদ্দ, তাদের বঞ্চিত করে যদি সচ্ছল ব্যক্তি ও
দলীয় লোকজনকে দেওয়া হয়, তবে তা অনিয়ম ও অন্যায়। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল বাকী বলেন, নিয়ম অনুযায়ী ত্রাণ তহবিলের অর্থ দরিদ্র ও দুস্থদের মধ্যে বিতরণ করার কথা। তবে উৎসবকেন্দ্রিক বিশেষ বরাদ্দের ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যের পক্ষ থেকেই তালিকা প্রস্তুত করা হয়ে থাকে।



