ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাজেটে তথ্য-উপাত্তের ক্ষেত্রে ছলচাতুরীর আশ্রয় নেওয়া হয়েছে: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
দুই পুত্রের নামে ইউনিয়নের নামকরণের পর প্রতিমন্ত্রীর হাস্যকর ব্যাখ্যা ও কাকতালীয় দাবি সংসদে
থ্রি জিরো বাস্তবায়নের নামে দেশে গণতন্ত্রসহ সব সূচকই ‘জিরো’ করে দিয়ে গেছেন ইউনূস
ভারত, বাংলাদেশ এবং একটি অভিন্ন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যতের উদয়
নিজের বংশনাম ও সন্তানদের নামে ইউনিয়ন — ইতিহাসে নজিরবিহীন কাণ্ড ঘটালেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম
সাধারণ পাসপোর্ট বহন করে, ডিপ্লোমেটিক প্রটোকলের আবদার প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ এর
১ আগস্ট থেকে দেশের সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক, বিআরটিএ’র নির্দেশ
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর মালয়েশিয়ায়: অভিবাসী শ্রমিক ইস্যুতে আসিফ নজরুলের ব্যর্থতা পুষিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তারেক রহমানের প্রথম আনুষ্ঠানিক বিদেশ সফরের গন্তব্য হয়েছে মালয়েশিয়া। আগামী ২১ ও ২২ জুন দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে কুয়ালালামপুর যাবেন তিনি। এরপর ২৩ থেকে ২৫ জুন চীন সফর করবেন। সরকারের পক্ষ থেকে এ সিদ্ধান্তকে ‘স্বাধীন ও ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতির’ প্রতিফলন বলে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভারতকে প্রথম গন্তব্য না বেছে মালয়েশিয়াকে অগ্রাধিকার দেওয়া কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার কৌশলগত বার্তা। মালয়েশিয়ায় প্রায় আট লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক কর্মরত রয়েছেন, যা দেশটির মোট বিদেশি কর্মশক্তির প্রায় ৩৭ শতাংশ। উৎপাদন, নির্মাণ, বাগান ও কৃষি খাতে তাদের অবদান উল্লেখযোগ্য।
মালয়েশিয়া সফরের মূল এজেন্ডা:
শ্রমিক কল্যাণ ও অভিবাসনমালয়েশিয়া সফরে প্রধান আলোচ্য বিষয়
হবে অভিবাসী শ্রমিকদের কল্যাণ, শ্রম অভিবাসন প্রক্রিয়া, নিয়োগ ব্যয় হ্রাস এবং স্বচ্ছ ও বৈধ কর্মসংস্থান চ্যানেল তৈরি। এটি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের গত বছরের (২০২৫ সালের মে মাসে) মালয়েশিয়া সফরের অসম্পূর্ণতা দূর করার উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আসিফ নজরুলের সফরে সিন্ডিকেটমুক্ত নিয়োগ, অভিবাসন ব্যয় কমানো, স্ট্র্যান্ডেড (আটকে পড়া) কর্মীদের পুনর্বাসন এবং বাংলাদেশকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আশ্বাস মিলেছিল। কিন্তু বাস্তবায়নে অগ্রগতি সীমিত ছিল। সিন্ডিকেট সমস্যা পুরোপুরি সমাধান হয়নি, নিয়োগের সংখ্যা প্রত্যাশার তুলনায় কম (বছরে ৩০-৪০ হাজারের আশেপাশে) এবং চুক্তি সংশোধনের বিষয়টি এখনও চলমান। প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের এ সফরে উচ্চ পর্যায়ের আলোচনার মাধ্যমে এসব অসম্পূর্ণতা দূর করে আরও বেশি সংখ্যক
কর্মী পাঠানো, খরচ কমানো এবং কর্মীদের অধিকার সুরক্ষার বিষয়ে জোর দেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সফরে একাধিক চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের প্রস্তুতি চলছে। সরকারি সূত্র জানিয়েছে, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে এ সফর হচ্ছে। এটি শুধু শ্রমিক ইস্যু নয়, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও শিক্ষা সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হবে।প্রধানমন্ত্রীর এ সিদ্ধান্তকে অনেকে ‘প্রবাসী কল্যাণকে অগ্রাধিকার’ হিসেবে দেখছেন। তবে কূটনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে, এ সফর কতটা বাস্তব ফল দিতে পারবে—বিশেষ করে মালয়েশিয়ার বিদেশি শ্রমিক হ্রাস নীতির প্রেক্ষাপটে। সফরের আগে দুই দেশের কর্মকর্তা পর্যায়ে প্রস্তুতি বৈঠক চলছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে আরও বিস্তারিত কর্মসূচি শিগগিরই ঘোষণা করা হবে বলে জানা গেছে।
হবে অভিবাসী শ্রমিকদের কল্যাণ, শ্রম অভিবাসন প্রক্রিয়া, নিয়োগ ব্যয় হ্রাস এবং স্বচ্ছ ও বৈধ কর্মসংস্থান চ্যানেল তৈরি। এটি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের গত বছরের (২০২৫ সালের মে মাসে) মালয়েশিয়া সফরের অসম্পূর্ণতা দূর করার উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আসিফ নজরুলের সফরে সিন্ডিকেটমুক্ত নিয়োগ, অভিবাসন ব্যয় কমানো, স্ট্র্যান্ডেড (আটকে পড়া) কর্মীদের পুনর্বাসন এবং বাংলাদেশকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আশ্বাস মিলেছিল। কিন্তু বাস্তবায়নে অগ্রগতি সীমিত ছিল। সিন্ডিকেট সমস্যা পুরোপুরি সমাধান হয়নি, নিয়োগের সংখ্যা প্রত্যাশার তুলনায় কম (বছরে ৩০-৪০ হাজারের আশেপাশে) এবং চুক্তি সংশোধনের বিষয়টি এখনও চলমান। প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের এ সফরে উচ্চ পর্যায়ের আলোচনার মাধ্যমে এসব অসম্পূর্ণতা দূর করে আরও বেশি সংখ্যক
কর্মী পাঠানো, খরচ কমানো এবং কর্মীদের অধিকার সুরক্ষার বিষয়ে জোর দেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সফরে একাধিক চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের প্রস্তুতি চলছে। সরকারি সূত্র জানিয়েছে, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে এ সফর হচ্ছে। এটি শুধু শ্রমিক ইস্যু নয়, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও শিক্ষা সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হবে।প্রধানমন্ত্রীর এ সিদ্ধান্তকে অনেকে ‘প্রবাসী কল্যাণকে অগ্রাধিকার’ হিসেবে দেখছেন। তবে কূটনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে, এ সফর কতটা বাস্তব ফল দিতে পারবে—বিশেষ করে মালয়েশিয়ার বিদেশি শ্রমিক হ্রাস নীতির প্রেক্ষাপটে। সফরের আগে দুই দেশের কর্মকর্তা পর্যায়ে প্রস্তুতি বৈঠক চলছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে আরও বিস্তারিত কর্মসূচি শিগগিরই ঘোষণা করা হবে বলে জানা গেছে।



