ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাজেটে তথ্য-উপাত্তের ক্ষেত্রে ছলচাতুরীর আশ্রয় নেওয়া হয়েছে: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
দুই পুত্রের নামে ইউনিয়নের নামকরণের পর প্রতিমন্ত্রীর হাস্যকর ব্যাখ্যা ও কাকতালীয় দাবি সংসদে
থ্রি জিরো বাস্তবায়নের নামে দেশে গণতন্ত্রসহ সব সূচকই ‘জিরো’ করে দিয়ে গেছেন ইউনূস
ভারত, বাংলাদেশ এবং একটি অভিন্ন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যতের উদয়
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর মালয়েশিয়ায়: অভিবাসী শ্রমিক ইস্যুতে আসিফ নজরুলের ব্যর্থতা পুষিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ
সাধারণ পাসপোর্ট বহন করে, ডিপ্লোমেটিক প্রটোকলের আবদার প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ এর
১ আগস্ট থেকে দেশের সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক, বিআরটিএ’র নির্দেশ
নিজের বংশনাম ও সন্তানদের নামে ইউনিয়ন — ইতিহাসে নজিরবিহীন কাণ্ড ঘটালেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম
বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন ঘটনা আগে ঘটেনি। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের নিজ নির্বাচনী এলাকায় নতুন ইউনিয়নের নাম রাখা হয়েছে তাঁর বংশীয় পরিচয় ও দুই সন্তানের নামে। গতকাল রবিবার (১৪ জুন) বগুড়া জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান স্বাক্ষরিত গেজেটে এই তথ্য প্রকাশ পেয়েছে।
গেজেটে যা আছে
গেজেট অনুযায়ী বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় তিনটি ইউনিয়নের অংশ একত্রিত করে ‘মীরবাড়ি’ নামে নতুন একটি ইউনিয়ন পরিষদ গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে শিবগঞ্জ পৌরসভার সীমানা সম্প্রসারণ এবং আরও পাঁচটি ইউনিয়ন পুনর্গঠন করা হয়েছে।
একই দিনে বগুড়ার নবগঠিত মোকামতলা উপজেলায় স্বর্ণগ্রাম, সীমান্ত ও দীগন্ত নামে তিনটি নতুন ইউনিয়ন গঠন করে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।
নামের পেছনের গল্প সূত্র জানাচ্ছে, ‘মীরবাড়ি’ নামটি এসেছে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের বংশীয় পরিচয় ‘মীর’ পরিবার থেকে। আর মোকামতলার ‘সীমান্ত’ ও ‘দীগন্ত’ — এই দুটি ইউনিয়নের নাম দেওয়া হয়েছে প্রতিমন্ত্রীর দুই সন্তানের নামে। উল্লেখযোগ্য যে, মীর শাহে আলম বগুড়া জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এবং শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি। তিনি বগুড়া-২ আসনে ১ লাখ ৪৫ হাজার ২৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন এবং ১৯৯৭ সালে মাত্র ২৩ বছর বয়সে উপজেলার আটমুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে রাজনৈতিক পথচলা শুরু করেন। ক্ষমতার অপব্যবহার, নাকি স্বাভাবিক প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত? স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ইউনিয়ন গঠন ও নামকরণের সিদ্ধান্তে মীর শাহে আলমের সরাসরি প্রভাব থাকার সুযোগ রয়েছে। নিজ মন্ত্রণালয়ের ক্ষমতা
ব্যবহার করে নিজের নির্বাচনী এলাকায়, নিজের বংশনাম ও সন্তানদের নামে ইউনিয়ন গঠন — এই ঘটনা বাংলাদেশের প্রশাসনিক ইতিহাসে নজিরবিহীন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সুশাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশে সাধারণত ইউনিয়নের নাম রাখা হয় ঐতিহাসিক স্থান, নদী, বা স্থানীয় ঐতিহ্যের ভিত্তিতে। কোনো জীবিত রাজনীতিবিদের পরিবারের নামে ইউনিয়নের নামকরণ এদেশে এর আগে দেখা যায়নি। এটি ক্ষমতার অপব্যবহারের সুস্পষ্ট নজির। এই বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। তবে প্রশ্ন উঠছে — যে সরকার সুশাসন ও জবাবদিহিতার কথা বলে ক্ষমতায় এসেছে, সেই সরকারের মন্ত্রী নিজেই যদি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাকে পারিবারিক স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণে ব্যবহার করেন, তাহলে সেই জবাবদিহিতা কতটুকু অর্থবহ?
নামের পেছনের গল্প সূত্র জানাচ্ছে, ‘মীরবাড়ি’ নামটি এসেছে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের বংশীয় পরিচয় ‘মীর’ পরিবার থেকে। আর মোকামতলার ‘সীমান্ত’ ও ‘দীগন্ত’ — এই দুটি ইউনিয়নের নাম দেওয়া হয়েছে প্রতিমন্ত্রীর দুই সন্তানের নামে। উল্লেখযোগ্য যে, মীর শাহে আলম বগুড়া জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এবং শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি। তিনি বগুড়া-২ আসনে ১ লাখ ৪৫ হাজার ২৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন এবং ১৯৯৭ সালে মাত্র ২৩ বছর বয়সে উপজেলার আটমুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে রাজনৈতিক পথচলা শুরু করেন। ক্ষমতার অপব্যবহার, নাকি স্বাভাবিক প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত? স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ইউনিয়ন গঠন ও নামকরণের সিদ্ধান্তে মীর শাহে আলমের সরাসরি প্রভাব থাকার সুযোগ রয়েছে। নিজ মন্ত্রণালয়ের ক্ষমতা
ব্যবহার করে নিজের নির্বাচনী এলাকায়, নিজের বংশনাম ও সন্তানদের নামে ইউনিয়ন গঠন — এই ঘটনা বাংলাদেশের প্রশাসনিক ইতিহাসে নজিরবিহীন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সুশাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশে সাধারণত ইউনিয়নের নাম রাখা হয় ঐতিহাসিক স্থান, নদী, বা স্থানীয় ঐতিহ্যের ভিত্তিতে। কোনো জীবিত রাজনীতিবিদের পরিবারের নামে ইউনিয়নের নামকরণ এদেশে এর আগে দেখা যায়নি। এটি ক্ষমতার অপব্যবহারের সুস্পষ্ট নজির। এই বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। তবে প্রশ্ন উঠছে — যে সরকার সুশাসন ও জবাবদিহিতার কথা বলে ক্ষমতায় এসেছে, সেই সরকারের মন্ত্রী নিজেই যদি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাকে পারিবারিক স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণে ব্যবহার করেন, তাহলে সেই জবাবদিহিতা কতটুকু অর্থবহ?



