ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গাজা যুদ্ধে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরাইল
‘দখলদারিত্বের অবসান না হওয়া পর্যন্ত ইসরাইলের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নয়’
আদর্শকে হত্যা করা যায় না, ট্রাম্পের ‘এক আঘাতেই সবাই শেষ’ মন্তব্যের জবাবে ইরান
গাজা যুদ্ধে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরাইল
‘দখলদারিত্বের অবসান না হওয়া পর্যন্ত ইসরাইলের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নয়’
আটটি যুদ্ধ মিটমাট করেছি, তাও নোবেল পেলাম না: ট্রাম্প
মহাকাশে নতুন স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করল চীন
লেবাননে ইসরাইলের রাসায়নিক ‘গ্লাইফোসেট’ ব্যবহারের অভিযোগ
দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইল কর্তৃক যুদ্ধাস্ত্র হিসেবে রাসায়নিক আগাছানাশক ব্যবহার এবং পৃথক হামলায় তিন লেবানিজ সেনাকে হত্যার তীব্র নিন্দা ও আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানিয়েছে লেবানন। দেশটির সরকারের দাবি, এই হামলাগুলো ওয়াশিংটনে মার্কিন মধ্যস্থতায় চলমান যুদ্ধবিরতি আলোচনাকে নস্যাৎ করার একটি পরিকল্পিত চেষ্টা।
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে দায়ের করা এক আনুষ্ঠানিক অভিযোগে লেবানন জানিয়েছে, গত ১ ফেব্রুয়ারি ইসরাইলি বাহিনী দক্ষিণ সীমান্তের বেশ কয়েকটি গ্রামে ‘গ্লাইফোসেট’ নামক রাসায়নিক আগাছানাশক স্প্রে করে।
লেবাননের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি বৈজ্ঞানিক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, আইতা আল-শাব, রাস আল-নাকুরা এবং আল-ধাইরা গ্রাম থেকে সংগৃহীত মাটির নমুনা পরীক্ষা করে সেখানে গ্লাইফোসেটের ঘনত্ব প্রতি গ্রামে ২২,৭৫০ মাইক্রোগ্রাম পর্যন্ত পাওয়া গেছে। এই মাত্রা সাধারণ কৃষিকাজে
ব্যবহৃত পরিমাণের চেয়ে হাজার গুণ বেশি। উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক ‘রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন’ অনুযায়ী যুদ্ধে পদ্ধতি হিসেবে যেকোনো ধরনের আগাছানাশক বা রাসায়নিক ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নিরাপত্তা পরিষদে জমা দেওয়া দ্বিতীয় আরেকটি অভিযোগে লেবানন উল্লেখ করেছে, গত ৬ জুন কফর তেবনিট-আল-খারদালি সড়কে লেবাননের একটি সামরিক যান লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইসরাইলি সেনাবাহিনী। এই হামলায় লেবানন সেনাবাহিনীর একজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল, একজন ক্যাপ্টেন এবং একজন সাধারণ সেনা সদস্য নিহত হন। লেবাননের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জোর দিয়ে বলেছে, এই আক্রমণগুলো সরাসরি ওয়াশিংটনের মধ্যস্থতায় লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে চলমান আলোচনাকে বাধাগ্রস্ত করছে। এই আলোচনার মূল লক্ষ্য ছিল দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা তৈরি করা এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সীমান্ত
থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার নিশ্চিত করা। ইসরাইলের এমন আগ্রাসী আচরণ শান্তি প্রক্রিয়াকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলেছে বলে লেবানন দাবি করেছে। সূত্র: আল-জাজিরা।
ব্যবহৃত পরিমাণের চেয়ে হাজার গুণ বেশি। উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক ‘রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন’ অনুযায়ী যুদ্ধে পদ্ধতি হিসেবে যেকোনো ধরনের আগাছানাশক বা রাসায়নিক ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নিরাপত্তা পরিষদে জমা দেওয়া দ্বিতীয় আরেকটি অভিযোগে লেবানন উল্লেখ করেছে, গত ৬ জুন কফর তেবনিট-আল-খারদালি সড়কে লেবাননের একটি সামরিক যান লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইসরাইলি সেনাবাহিনী। এই হামলায় লেবানন সেনাবাহিনীর একজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল, একজন ক্যাপ্টেন এবং একজন সাধারণ সেনা সদস্য নিহত হন। লেবাননের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জোর দিয়ে বলেছে, এই আক্রমণগুলো সরাসরি ওয়াশিংটনের মধ্যস্থতায় লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে চলমান আলোচনাকে বাধাগ্রস্ত করছে। এই আলোচনার মূল লক্ষ্য ছিল দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা তৈরি করা এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সীমান্ত
থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার নিশ্চিত করা। ইসরাইলের এমন আগ্রাসী আচরণ শান্তি প্রক্রিয়াকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলেছে বলে লেবানন দাবি করেছে। সূত্র: আল-জাজিরা।



