ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় ২ বিলিয়ন ডলার বৈশ্বিক সহায়তা চাইলেন তারেক
শাপলা চত্বর গণহত্যা মামলায় আসামি হচ্ছেন সাবেক আইজিপি মামুন
জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধনের নামে দু’বার অর্থ লোপাট: ফারুকীর নেতৃত্বে তুঘলকি দুর্নীতির নতুন মাত্রা
তারেক রহমানের আবার ইতিহাস বিকৃতি: ভাসানী মৃত্যুর তিন বছর পর ‘ধানের শীষ’ মার্কা তুলে দিলেন জিয়ার হাতে!
রাজস্ব আদায়ে হিমশিম: ৬ লক্ষ কোটি টাকার উচ্চাভিলাষী রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য সরকারের; ব্যাবসায়ীদের অপারগতা
মাদ্রাসাগুলো হয়ে উঠছে জামায়াত-শিবির সহ উগ্র মৌলবাদী গোষ্ঠির আজ্ঞাবহ যোদ্ধা তৈরির প্রশিক্ষণ কেন্দ্র
পুলিশে শীর্ষ পর্যায়ে বড় রদবদল
মামলায় জামিন নেই, দীপু দাস-কে বর্বরভাবে পুড়িয়ে মারা আসামিরা সহজে জামিন পেলেন
ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাক শ্রমিক দীপু চন্দ্র দাসকে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে পিটিয়ে হত্যা করা হয় এবং পরে তার মরদেহে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এই বর্বর ঘটনার মামলায় গ্রেফতারকৃত অন্যতম আসামি মো. মাসুম উচ্চ আদালত থেকে এক বছরের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন। অথচ জুলাই আন্দোলনের পর দায়েরকৃত অসংখ্য মামলায় বয়স্ক, অসুস্থ ও আহত রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে জামিন না পেয়ে কারাগারে রয়েছেন।
২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর ভালুকার ডুবুলিয়া এলাকার পাইওনিয়ার নিট ফ্যাক্টরিতে কর্মরত দীপু চন্দ্র দাস (২৭/২৮)-কে কারখানা থেকে জোর করে বের করে নিয়ে যাওয়া হয়। অভিযোগকারীরা দাবি করেন, তিনি ইসলাম ও নবী সম্পর্কে কটূক্তি করেছেন। রাতে একদল লোক তাকে পিটিয়ে হত্যা করে,
পরে বিবস্ত্র মরদেহ ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের একটি গাছে ঝুলিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তদন্তে ধর্ম অবমাননার প্রত্যক্ষ প্রমাণ না পাওয়া গেলেও, হত্যা ও মরদেহ নির্যাতনে সক্রিয় ভূমিকা রাখার অভিযোগে মোট ২২ থেকে ২৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়। অনেকে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। গত ৬ এপ্রিল হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ মো. মাসুমকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারায় এক বছরের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করেন। জামিনের শর্ত হিসেবে দুই হাজার টাকার মুচলেকা দেওয়া হয়েছে। জুলাই-আগস্ট ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পর দায়েরকৃত হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শত শত রাজনৈতিক নেতা-কর্মী গ্রেফতার হয়েছেন। এদের মধ্যে অনেকে বয়স্ক, অসুস্থ, আহত বা
দীর্ঘদিন কারাবাসে রয়েছেন। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব মামলায় বেল (জামিন) নিয়মিত অস্বীকার করা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে প্রমাণের অভাব সত্ত্বেও দীর্ঘমেয়াদি আটক রাখা হয়েছে। অথচ দীপু চন্দ্র দাসের মতো নির্মম ও বর্বর হত্যাকাণ্ডের আসামিরা তুলনামূলকভাবে সহজেই উচ্চ আদালত থেকে জামিন লাভ করছেন। এই বৈপরীত্য নিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে তীব্র সমালোচনা উঠেছে। সমালোচকরা বলছেন, জুলাইয়ের মিথ্যা ও রাজনৈতিক মামলায় নিরপরাধ বা সাধারণ নেতা-কর্মীরা জামিন না পেলেও, সংখ্যালঘু যুবককে পিটিয়ে-পুড়িয়ে হত্যার মতো জঘন্য অপরাধে জড়িতদের প্রতি আদালতের নমনীয়তা প্রশ্নবিদ্ধ। দীপুর পরিবারের দাবি, ধর্ম অবমাননার অভিযোগটি মিথ্যা এবং পূর্বশত্রুতার কারণে হত্যা করা হয়েছে। তারা ন্যায়বিচার ও দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছেন। সরকারের পক্ষ থেকে
ঘটনার নিন্দা জানানো হয় এবং পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। মানবাধিকার সংগঠনগুলো উভয় ক্ষেত্রেই সুষ্ঠু তদন্ত, নিরপেক্ষ বিচার এবং জামিনের ক্ষেত্রে সামঞ্জস্যপূর্ণ নীতির দাবি জানিয়েছে। তারা বলছে, আইনের শাসন যেন কোনো অপরাধের ধরন বা রাজনৈতিক পরিচয় অনুসারে ভিন্নমুখী না হয়। দীপু হত্যা মামলার তদন্ত এখনও চলছে। পুলিশ বলছে, বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অন্যদিকে, জুলাই-সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোতে জামিন ও বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত আছে।
পরে বিবস্ত্র মরদেহ ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের একটি গাছে ঝুলিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তদন্তে ধর্ম অবমাননার প্রত্যক্ষ প্রমাণ না পাওয়া গেলেও, হত্যা ও মরদেহ নির্যাতনে সক্রিয় ভূমিকা রাখার অভিযোগে মোট ২২ থেকে ২৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়। অনেকে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। গত ৬ এপ্রিল হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ মো. মাসুমকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারায় এক বছরের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করেন। জামিনের শর্ত হিসেবে দুই হাজার টাকার মুচলেকা দেওয়া হয়েছে। জুলাই-আগস্ট ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পর দায়েরকৃত হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শত শত রাজনৈতিক নেতা-কর্মী গ্রেফতার হয়েছেন। এদের মধ্যে অনেকে বয়স্ক, অসুস্থ, আহত বা
দীর্ঘদিন কারাবাসে রয়েছেন। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব মামলায় বেল (জামিন) নিয়মিত অস্বীকার করা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে প্রমাণের অভাব সত্ত্বেও দীর্ঘমেয়াদি আটক রাখা হয়েছে। অথচ দীপু চন্দ্র দাসের মতো নির্মম ও বর্বর হত্যাকাণ্ডের আসামিরা তুলনামূলকভাবে সহজেই উচ্চ আদালত থেকে জামিন লাভ করছেন। এই বৈপরীত্য নিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে তীব্র সমালোচনা উঠেছে। সমালোচকরা বলছেন, জুলাইয়ের মিথ্যা ও রাজনৈতিক মামলায় নিরপরাধ বা সাধারণ নেতা-কর্মীরা জামিন না পেলেও, সংখ্যালঘু যুবককে পিটিয়ে-পুড়িয়ে হত্যার মতো জঘন্য অপরাধে জড়িতদের প্রতি আদালতের নমনীয়তা প্রশ্নবিদ্ধ। দীপুর পরিবারের দাবি, ধর্ম অবমাননার অভিযোগটি মিথ্যা এবং পূর্বশত্রুতার কারণে হত্যা করা হয়েছে। তারা ন্যায়বিচার ও দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছেন। সরকারের পক্ষ থেকে
ঘটনার নিন্দা জানানো হয় এবং পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। মানবাধিকার সংগঠনগুলো উভয় ক্ষেত্রেই সুষ্ঠু তদন্ত, নিরপেক্ষ বিচার এবং জামিনের ক্ষেত্রে সামঞ্জস্যপূর্ণ নীতির দাবি জানিয়েছে। তারা বলছে, আইনের শাসন যেন কোনো অপরাধের ধরন বা রাজনৈতিক পরিচয় অনুসারে ভিন্নমুখী না হয়। দীপু হত্যা মামলার তদন্ত এখনও চলছে। পুলিশ বলছে, বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অন্যদিকে, জুলাই-সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোতে জামিন ও বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত আছে।



