ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ডিসেম্বরের মধ্যে বিজেএমসির লিজ মিলগুলোতে প্রায় ২০ হাজার কর্মসংস্থান
সন্ধ্যার মধ্যে ঢাকাসহ ১৫ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস
বিএনপি সরকারের এক মাসেই আন্তর্জাতিক সংস্থার চাপ: মানবাধিকার ইস্যুতে তারেক রহমানকে কড়া বার্তা ৯ আন্তর্জাতিক সংস্থার
*ঢাকা বিমানবন্দরে চীনা ও ভারতীয় ব্যবসায়ী–পর্যটকদের ন্যক্কারজনক হয়রানি*
ভাঙ্গুড়ায় দেশী প্রজাতির মাছ সংকটে শুঁটকি চাতালে স্থবিরতা
রাজাকার পাঠ্যমঞ্চ নাটকে বাধা জামায়াত নেতার
দেশের প্রশংসনীয় অগ্রগতি রাষ্ট্র পরিচালনায় শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বের ফল’: মাহফুজ আনাম
বিবাহবিচ্ছেদের পর যেভাবে শাহিদকে বড় করে তোলেন নীলিমা আজিম
বর্তমানে বলিউডের অন্যতম সফল অভিনেতা শাহিদ কাপুর। তার অভিনীত ‘জব উই মেট’, ‘কবীর সিংহ’ ও ‘পদ্মাবত’ সিনেমার মতো ছবি বক্সঅফিসে সফল। কিন্তু এ সাফল্যের নেপথ্যে নিজের মায়ের অবদানকেই সবচেয়ে বেশি কৃতিত্ব দেন বলে জানান শাহিদ কাপুর।
আজ শাহিদ কাপুর কোটি কোটি টাকার মালিক এবং সফল অভিনেতা। তবে বলিউড তারকার শৈশব মোটেই সহজ ছিল না বলে জানিয়েছেন তার মা নীলিমা আজিম। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে শাহিদের মা নীলিমা আজিম নিজের জীবনের কঠিন সময়ের কথা তুলে ধরেন।
নীলিমা আজিম বলেন, পঙ্কজ কাপুরের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তাকে নতুন করে জীবন শুরু করতে হয়েছিল। সেই সময়ে তার হাতে ছিল মাত্র চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা। তিনি বলেন,
এই সামান্য টাকা দিয়ে তিনি মুম্বাইয়ে আসেন ভাগ্যবদলের আশায়। তখন ছোট্ট শাহিদকে কিছু দিনের জন্য দিল্লিতে তার দাদু-দিদার কাছে রেখে আসতে বাধ্য হন তিনি। শাহিদের মা বলেন, কারণ মুম্বাইয়ে এসে কাজ খোঁজা, থাকার জায়গা জোগাড় করা এবং নতুন জীবন শুরু করা— সব কিছু একসঙ্গে সামলানো তার পক্ষে সহজ ছিল না। তিনি বলেন, সেই সময়টা তার জীবনের সবচেয়ে কঠিন অধ্যায়গুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল। আর্থিক অনিশ্চয়তা, ব্যক্তিগত কষ্ট এবং একা হাতে সন্তানকে বড় করার দায়িত্ব— সব মিলিয়ে কঠিন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গেছেন তিনি। পরে পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হলে শাহিদও মুম্বাইয়ে গিয়ে তার মায়ের সঙ্গে থাকতে শুরু করেন। ছোটবেলা থেকেই তিনি মায়ের সংগ্রাম খুব
কাছ থেকে দেখেছেন। সেই অভিজ্ঞতাই তাকে পরিশ্রমী ও আত্মনির্ভরশীল হতে শিখিয়েছে বলে মনে করেন তার মা নীলিমা আজিম।
এই সামান্য টাকা দিয়ে তিনি মুম্বাইয়ে আসেন ভাগ্যবদলের আশায়। তখন ছোট্ট শাহিদকে কিছু দিনের জন্য দিল্লিতে তার দাদু-দিদার কাছে রেখে আসতে বাধ্য হন তিনি। শাহিদের মা বলেন, কারণ মুম্বাইয়ে এসে কাজ খোঁজা, থাকার জায়গা জোগাড় করা এবং নতুন জীবন শুরু করা— সব কিছু একসঙ্গে সামলানো তার পক্ষে সহজ ছিল না। তিনি বলেন, সেই সময়টা তার জীবনের সবচেয়ে কঠিন অধ্যায়গুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল। আর্থিক অনিশ্চয়তা, ব্যক্তিগত কষ্ট এবং একা হাতে সন্তানকে বড় করার দায়িত্ব— সব মিলিয়ে কঠিন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গেছেন তিনি। পরে পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হলে শাহিদও মুম্বাইয়ে গিয়ে তার মায়ের সঙ্গে থাকতে শুরু করেন। ছোটবেলা থেকেই তিনি মায়ের সংগ্রাম খুব
কাছ থেকে দেখেছেন। সেই অভিজ্ঞতাই তাকে পরিশ্রমী ও আত্মনির্ভরশীল হতে শিখিয়েছে বলে মনে করেন তার মা নীলিমা আজিম।



