ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
বাংলাদেশি সিনেমার যেসব গানে কণ্ঠ দিয়েছিলেন আশা ভোসলে
ভারতীয় উপমহাদেশের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী আশা ভোসলে। আট দশকের সংগীত ক্যারিয়ারে যিনি হিন্দি, মারাঠি, বাংলা, তামিল, রুশ এমনকি মালয় ভাষাসহ মোট ২০টি ভাষায় গেয়েছেন। তার রেকর্ডেড গানের সংখ্যা প্রায় ১১ থেকে ১২ হাজারের মতো।
এতশত গানের মধ্যে ঢাকাই সিনেমার গানেও কণ্ঠ দিয়েছিলেন এই সুর সম্রাজ্ঞী। প্রজন্মের পর প্রজন্মকে করেছেন মুগ্ধ। আশির দশকে মুক্তিপ্রাপ্ত কয়েকটি বাংলাদেশ-ভারত যৌথ প্রযোজনার চলচ্চিত্রে তার গাওয়া গান আজও সংগীতপ্রেমীদের কাছে বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে আছে।
বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত ‘অবিচার’ সিনেমায় আশা ভোসলে কণ্ঠ দেন ‘নাগর আমার কাঁচা পিরিত’ গানে। এই গানে তার সহশিল্পী ছিলেন ভারতের শৈলেন্দ্র সিং।
১৯৮৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন সৈয়দ হাসান
ইমাম ও শক্তি সামন্ত। গানের কথা লিখেছেন গৌরী প্রসন্ন মজুমদার এবং সুর করেছেন প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক আর ডি বর্মণ। ছবিটিতে অভিনয় করেছিলেন বাংলাদেশের রোজিনা ও নূতন এবং ভারতের মিঠুন চক্রবর্তী, উৎপল দত্ত প্রমুখ। এরপর ১৯৮৬ সালে মুক্তি পাওয়া ‘বিরোধ’ সিনেমাতেও গান গেয়েছিলেন আশা ভোসলে। প্রমোদ চক্রবর্তীর পরিচালনায় নির্মিত এই সিনেমায় তিনি গেয়েছেন ‘মায়াবী এই নেশায়’ গানটি। একই ছবিতে ‘তোরে আঁচলে’ শিরোনামের আরেকটি গানে কণ্ঠ দিয়েছিলেন তার বড় বোন লতা মঙ্গেশকর। গানগুলোর কথা লিখেছেন গৌরী প্রসন্ন মজুমদার এবং সুর করেছেন আর ডি বর্মণ। গত শতকের পঞ্চাশের দশকের শেষভাগ থেকে সত্তর ও আশির দশক পর্যন্ত ভারতীয় সংগীতজগতে প্রায় অপ্রতিদ্বন্দ্বী অবস্থানে ছিলেন আশা ভোসলে।
সংগীতে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ভারত সরকারের পক্ষ থেকে ‘পদ্মশ্রী’ (১৯৯৭), ‘পদ্মবিভূষণ’ (২০০৮) এবং চলচ্চিত্র জগতের সর্বোচ্চ সম্মান ‘দাদাসাহেব ফালকে’ পুরস্কারে ভূষিত হন।
ইমাম ও শক্তি সামন্ত। গানের কথা লিখেছেন গৌরী প্রসন্ন মজুমদার এবং সুর করেছেন প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক আর ডি বর্মণ। ছবিটিতে অভিনয় করেছিলেন বাংলাদেশের রোজিনা ও নূতন এবং ভারতের মিঠুন চক্রবর্তী, উৎপল দত্ত প্রমুখ। এরপর ১৯৮৬ সালে মুক্তি পাওয়া ‘বিরোধ’ সিনেমাতেও গান গেয়েছিলেন আশা ভোসলে। প্রমোদ চক্রবর্তীর পরিচালনায় নির্মিত এই সিনেমায় তিনি গেয়েছেন ‘মায়াবী এই নেশায়’ গানটি। একই ছবিতে ‘তোরে আঁচলে’ শিরোনামের আরেকটি গানে কণ্ঠ দিয়েছিলেন তার বড় বোন লতা মঙ্গেশকর। গানগুলোর কথা লিখেছেন গৌরী প্রসন্ন মজুমদার এবং সুর করেছেন আর ডি বর্মণ। গত শতকের পঞ্চাশের দশকের শেষভাগ থেকে সত্তর ও আশির দশক পর্যন্ত ভারতীয় সংগীতজগতে প্রায় অপ্রতিদ্বন্দ্বী অবস্থানে ছিলেন আশা ভোসলে।
সংগীতে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ভারত সরকারের পক্ষ থেকে ‘পদ্মশ্রী’ (১৯৯৭), ‘পদ্মবিভূষণ’ (২০০৮) এবং চলচ্চিত্র জগতের সর্বোচ্চ সম্মান ‘দাদাসাহেব ফালকে’ পুরস্কারে ভূষিত হন।



