ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বরগুনায় ছাত্রলীগ নেতার পিতাকে পিটিয়ে হত্যা
রাজবন্দির মুক্তির দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রাজপথ কাঁপিয়ে ছাত্রলীগের মহড়া
নাহিদের ফাইফার, পাকিস্তানকে গুঁড়িয়ে দিল বাংলাদেশ
চবি শাটল ট্রেনে রাজবন্দিদের মুক্তি চেয়ে ছাত্রলীগের পোস্টার দেখে উত্তপ্ত ক্যাম্পাস
মোনামির পদত্যাগ নিয়ে যা বললেন নীলা ইসরাফিল
‘গুপ্ত, গুপ্ত, ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগান দিয়ে আমির হামজাকে কলেজে অবরুদ্ধ
মন্ত্রীদের সামনে কৃষি কর্মকর্তাকে তুলোধুনোঃ কৃষি বিভাগ কর্তৃক হাওরের ক্ষয়ক্ষতির অসত্য তথ্য প্রদানের দাবি বিএনপি নেতাকর্মীদের
শান্তি আলোচনা ভেস্তে গেলে ‘প্রত্যেক দেশই ক্ষতিগ্রস্ত’ হবে: শামা ওবায়েদ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শান্তি আলোচনায় কোনো সমাধান না এলেও দুপক্ষের এক টেবিলে আসাকে ‘ইতিবাচক’ হিসাবে দেখছে বাংলাদেশ সরকার। কূটনীতি ও সংলাপের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের উপর জোর দিয়ে ঢাকা বলছে, এই আলোচনা ভেস্তে গেলে ‘প্রত্যেক দেশই ক্ষতিগ্রস্ত’ হবে।
রোববার সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে সরকারের এমন অবস্থানের কথা জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
তিনি বলেন, আমরা চাই যে, আলোচনাটা আরো বেগবান হোক এবং একটা রেজলুশন এখান থেকে আসুক। যদি না আসে, তাহলেতো আমি মনে করি যে, অবস্থা আরও অবনতির দিকে যেতে পারে, সারা পৃথিবীতেই। প্রত্যেকটা দেশই এখানে এফেক্টেড হবে, অর্থনৈতিকভাবে, সামাজিকভাবে, সব রকমভাবে। সেটা তো আমরা কোনোভাবেই চাই না।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ নিয়ে বাংলাদেশের
অবস্থান পুনরায় তুলে ধরে শামা বলেন, সবসময় আমরা বলে এসছি, যে কোনো মূল্যে যুদ্ধটা বন্ধ করতে হবে এবং নেগোসিয়েশন ও ডায়ালগের মধ্য দিয়ে ডিপ্লোমেটিক একটা সলিউশন আসতে হবে। এই যুদ্ধাবস্থায় দুই পক্ষ যুদ্ধ করলেও সবচেয়ে বড় ক্ষতিটা হচ্ছে সারা পৃথিবীর মানুষের, প্রত্যেকটা দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং নিরপরাধ মানুষগুলো মারা যাচ্ছে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনাকে ইতিবাচক হিসাবে দেখার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সেই জায়গাটা থেকে একটা আমি পজিটিভ দিক দেখি যে, ইরান এবং ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্র তারা অন্তত একটা নেগোসিয়েশনে বসতে রাজি হয়েছে। সেটা থেকে বোঝা যায় যে, তারাও চাচ্ছে যে যুদ্ধবিরতি হোক, বা যুদ্ধ বন্ধ হোক। আমরা ইতোমধ্যে বাংলাদেশ
সরকার থেকে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একটা স্টেটমেন্ট করেছি যে, আমরা সাধুবাদ জানাই এই ধরনের ইনিশিয়েটিভকে; পাকিস্তানসহ অন্য দেশগুলো, যারা ইনিশিয়েটিভ নিয়েছে, তাদের এই পদক্ষেপকে আমরা সাধুবাদ জানাই। তবে প্রথম আলোচনা থেকে সমাধান না আসা নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি শামা ওবায়েদ। তিনি বলেন, আমরা চাই যে, সংশ্লিষ্ট দেশগুলো, যারা এখানে স্টেকহোল্ডার, তারা আলোচনার টেবিলে বসুক, একটা সমাধান আসুক। এই আলোচনা চলছে কিন্তু। এই মুহূর্তে কোনো স্টেটমেন্ট বা কোনো মন্তব্য করা আমাদের ঠিক হবে না। আলোচনা চলছে।
অবস্থান পুনরায় তুলে ধরে শামা বলেন, সবসময় আমরা বলে এসছি, যে কোনো মূল্যে যুদ্ধটা বন্ধ করতে হবে এবং নেগোসিয়েশন ও ডায়ালগের মধ্য দিয়ে ডিপ্লোমেটিক একটা সলিউশন আসতে হবে। এই যুদ্ধাবস্থায় দুই পক্ষ যুদ্ধ করলেও সবচেয়ে বড় ক্ষতিটা হচ্ছে সারা পৃথিবীর মানুষের, প্রত্যেকটা দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং নিরপরাধ মানুষগুলো মারা যাচ্ছে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনাকে ইতিবাচক হিসাবে দেখার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সেই জায়গাটা থেকে একটা আমি পজিটিভ দিক দেখি যে, ইরান এবং ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্র তারা অন্তত একটা নেগোসিয়েশনে বসতে রাজি হয়েছে। সেটা থেকে বোঝা যায় যে, তারাও চাচ্ছে যে যুদ্ধবিরতি হোক, বা যুদ্ধ বন্ধ হোক। আমরা ইতোমধ্যে বাংলাদেশ
সরকার থেকে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একটা স্টেটমেন্ট করেছি যে, আমরা সাধুবাদ জানাই এই ধরনের ইনিশিয়েটিভকে; পাকিস্তানসহ অন্য দেশগুলো, যারা ইনিশিয়েটিভ নিয়েছে, তাদের এই পদক্ষেপকে আমরা সাধুবাদ জানাই। তবে প্রথম আলোচনা থেকে সমাধান না আসা নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি শামা ওবায়েদ। তিনি বলেন, আমরা চাই যে, সংশ্লিষ্ট দেশগুলো, যারা এখানে স্টেকহোল্ডার, তারা আলোচনার টেবিলে বসুক, একটা সমাধান আসুক। এই আলোচনা চলছে কিন্তু। এই মুহূর্তে কোনো স্টেটমেন্ট বা কোনো মন্তব্য করা আমাদের ঠিক হবে না। আলোচনা চলছে।



