ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শাপলা চত্বরে ৩২ জনকে হত্যার প্রমাণ মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর
আইন ভাঙলে অটো নোটিশ, হাজিরা না দিলে গ্রেফতারি পরোয়ানা
ঢাকার একাংশে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ
বিএসটিআইয়ের নতুন মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হক
হাওড়ে কৃষকের স্বপ্নভঙ্গ
প্রশিক্ষণ নিতে পাকিস্তান যাচ্ছেন ১১ সরকারি কর্মকর্তা
থানায় ডেকে নারীর কাছে ঘুস নেওয়ায় ওসি ক্লোজড
কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্ত সাবেক স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী
জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। এর আগে সকালে জুলাই আন্দোলনের সময় সংঘটিত একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে জামিন দেন আদালত। রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তিনি কারাগার থেকে বের হন।
কারাগার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সাবেক স্পিকারের জামিনের কাগজপত্র কারাগারে পৌঁছানোর পর তা যাচাই-বাছাই করা হয়। প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর বিকেলে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই লালবাগ থানা এলাকার আজিমপুর সরকারি কলোনির ভেতরে একটি মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন ভুক্তভোগী মো. আশরাফুল ওরফে ফাহিম। সে সময় আসামিদের ছোঁড়া গুলিতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং তার
বাম চোখ নষ্ট হয়ে যায়। এ ঘটনায় তাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। এই মামলায় শিরীন শারমিন চৌধুরীর নাম আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে আদালতে তার রিমান্ড আবেদন খারিজ হওয়ায় তিনি কারাগারে ছিলেন। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই শিরীন শারমিন চৌধুরী জনসমক্ষে আর দেখা দেননি। এর আগে গুঞ্জন উঠেছিল, ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতা সংসদ ভবনে প্রবেশের সময় তিনি ভবনটির একটি গোপন কক্ষ বা বাংকারে আশ্রয় নিয়েছিলেন। পরবর্তীতে রাত আড়াইটার দিকে সেনাবাহিনী তাকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয় বলে জানা যায়। শিরীন শারমিনের শুনানিতে আইনজীবীদের হট্টগোল, সাংবাদিকদের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন বিচারক এরপর
থেকে তিনি কোথায় ছিলেন তা নিয়ে নানা গুঞ্জন ছিল। তিনি দেশে আছেন, নাকি বিদেশে চলে গেছেন এ নিয়েও বিভিন্ন আলোচনা ছিল। দীর্ঘ সময় আত্মগোপনে থাকার পর অবশেষে গত ৭ এপ্রিল ভোররাতে ধানমন্ডি থেকে তাকে আটক করা হয়।
বাম চোখ নষ্ট হয়ে যায়। এ ঘটনায় তাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। এই মামলায় শিরীন শারমিন চৌধুরীর নাম আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে আদালতে তার রিমান্ড আবেদন খারিজ হওয়ায় তিনি কারাগারে ছিলেন। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই শিরীন শারমিন চৌধুরী জনসমক্ষে আর দেখা দেননি। এর আগে গুঞ্জন উঠেছিল, ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতা সংসদ ভবনে প্রবেশের সময় তিনি ভবনটির একটি গোপন কক্ষ বা বাংকারে আশ্রয় নিয়েছিলেন। পরবর্তীতে রাত আড়াইটার দিকে সেনাবাহিনী তাকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয় বলে জানা যায়। শিরীন শারমিনের শুনানিতে আইনজীবীদের হট্টগোল, সাংবাদিকদের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন বিচারক এরপর
থেকে তিনি কোথায় ছিলেন তা নিয়ে নানা গুঞ্জন ছিল। তিনি দেশে আছেন, নাকি বিদেশে চলে গেছেন এ নিয়েও বিভিন্ন আলোচনা ছিল। দীর্ঘ সময় আত্মগোপনে থাকার পর অবশেষে গত ৭ এপ্রিল ভোররাতে ধানমন্ডি থেকে তাকে আটক করা হয়।



