ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাংলাদেশে ছাত্র নিপীড়নঃ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন-কে হত্যা
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের লোভে ৭ ব্যাংকে জিম্মি শিক্ষকদের সারাজীবনের সঞ্চয়
পাঠ্যপুস্তক বোর্ড ও পাঁচ শিক্ষা বোর্ডে নতুন চেয়ারম্যান
এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার বিষয় ও কর্মদিবস কমানোর পরিকল্পনা
বিদ্যালয় খুলছে পরশু, তীব্র গরম নিয়ে উদ্বেগ
স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসা খুলবে কবে?
পরীক্ষার্থী ১৭ লাখ, খাতা পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন ৪ লাখের বেশি
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়ে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জরুরি নির্দেশনা
শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে পাঠদান জোরদার করতে সারা দেশে অবসরপ্রাপ্ত ও শারীরিকভাবে সক্ষম শিক্ষকদের তালিকা তৈরির নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
প্রয়োজন অনুযায়ী এই তালিকা থেকে শিক্ষক নিয়োগ দিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটিকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বেসরকারি মাধ্যমিক-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব শিরীন আক্তার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকট এবং এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে নিয়োগে বিলম্বের কারণে পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় অভিজ্ঞ ও শারীরিকভাবে সক্ষম অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়ে একটি পুল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, প্রতিটি উপজেলায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়ে একটি তালিকা তৈরির জন্য জেলা প্রশাসকদের
প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) পরামর্শে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির অনুমোদন সাপেক্ষে এই পুল গঠন করা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী এই পুল থেকে সাময়িক ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে পাঠদান কার্যক্রম সচল রাখতে হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব তহবিল থেকে সম্মানী পরিশোধের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার মান বজায় রাখা এবং শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত পাঠদান নিশ্চিত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) পরামর্শে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির অনুমোদন সাপেক্ষে এই পুল গঠন করা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী এই পুল থেকে সাময়িক ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে পাঠদান কার্যক্রম সচল রাখতে হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব তহবিল থেকে সম্মানী পরিশোধের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার মান বজায় রাখা এবং শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত পাঠদান নিশ্চিত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।



