ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাঁধা জামায়াতে ইসলামীর, জাবিতে যুদ্ধাপরাধী সাঈদি’র কুশপুত্তলিকা দাহ
নভেম্বরের শুরুতেই স্কুল-কলেজে টানা ৩ দিনের ছুটি!
২৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুমোদন বাতিল করতে চায় কারিগরি বোর্ড
চট্টগ্রামে কমার্স কলেজের পরিত্যক্ত ভবন থেকে ৫ আগস্ট থানা লুটের পিস্তল-গুলি উদ্ধার
শিক্ষকদের বদলির ফল প্রকাশে প্রস্তুত মাউশি
নোবিপ্রবিতে শিক্ষক সংকট চরমে, একসঙ্গে বিদেশে গেছেন অনেকজন
বিনামূল্যের পাঠ্যবই ছাপতে মিলেমিশে লুটপাট
ঢাবির সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তে বরখাস্ত ৩ শিক্ষক, অব্যাহতি দুজনের
জুলাই অভ্যুত্থান ঘিরে ‘বিতর্কিত কর্মকাণ্ড’ ও শিক্ষার্থীদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) তিন শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত এবং আরও দুজনকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট।
সোমবার (২২ জুন) রাতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে একাধিক সদস্য নিশ্চিত করেছেন। একই বৈঠকে ২০১৯ সালের ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) গোলাম রাব্বানীর পদ বাতিলের বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে অবস্থানসহ নানা অভিযোগে জড়িত থাকার অভিযোগে লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিম উল্লাহ, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দীন এবং ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স
বিভাগের অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের হুমকি দেওয়া এবং নারী শিক্ষার্থীদের পোশাক নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগে উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ আজমল হোসেন ভূঁইয়াকে সাময়িকভাবে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা মুহাম্মদ লাভলু মোল্লা শিশিরকেও সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গান গেয়ে আলোচিত বাংলা বিভাগের শিক্ষক তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কাউন্সিলের সুপারিশের ভিত্তিতে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্তের বিষয়ে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বলেন, ‘যে তিনজন শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে জুলাই অভ্যুত্থান ঘিরে নানা অভিযোগ ছিল। আর অধ্যাপক আজমল হোসেন
ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের হুমকি ও নারী শিক্ষার্থীদের পোশাক নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগে একাডেমিক কমিটির সুপারিশ ছিল। সেই আলোকে তাকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।’ এছাড়াও ২০১৯ সালের ডাকসুও নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে নির্বাচিত গোলাম রাব্বানীর ছাত্রত্ব বৈধ না থাকায় তার পদ বাতিলের সিদ্ধান্ত আইন উপদেষ্টার কাছে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপ-উপাচার্য। তিনি জানান, গোলাম রাব্বানীর জিএস পদ বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং তার স্থলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া রাশেদ খানকে জিএস ঘোষণা করা যাবে কি না সেটিও যাচাই-বাছাই করার বিষয়টিও আইন উপদেষ্টার কাছে পাঠানো হয়েছে।
বিভাগের অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের হুমকি দেওয়া এবং নারী শিক্ষার্থীদের পোশাক নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগে উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ আজমল হোসেন ভূঁইয়াকে সাময়িকভাবে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা মুহাম্মদ লাভলু মোল্লা শিশিরকেও সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গান গেয়ে আলোচিত বাংলা বিভাগের শিক্ষক তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কাউন্সিলের সুপারিশের ভিত্তিতে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্তের বিষয়ে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বলেন, ‘যে তিনজন শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে জুলাই অভ্যুত্থান ঘিরে নানা অভিযোগ ছিল। আর অধ্যাপক আজমল হোসেন
ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের হুমকি ও নারী শিক্ষার্থীদের পোশাক নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগে একাডেমিক কমিটির সুপারিশ ছিল। সেই আলোকে তাকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।’ এছাড়াও ২০১৯ সালের ডাকসুও নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে নির্বাচিত গোলাম রাব্বানীর ছাত্রত্ব বৈধ না থাকায় তার পদ বাতিলের সিদ্ধান্ত আইন উপদেষ্টার কাছে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপ-উপাচার্য। তিনি জানান, গোলাম রাব্বানীর জিএস পদ বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং তার স্থলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া রাশেদ খানকে জিএস ঘোষণা করা যাবে কি না সেটিও যাচাই-বাছাই করার বিষয়টিও আইন উপদেষ্টার কাছে পাঠানো হয়েছে।





