ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হজ ক্যাম্পে ৮ লাখ টাকা মূল্যের সৌদি রিয়াল চুরি, দুইদিনেও ধরা পড়েনি কেউ
তারেক রহমানকে ঘিরে দুর্নীতির আশঙ্কায় আইএমএফ ঋণ বন্ধ: রেজা কিবরিয়া
সালাউদ্দিন আম্মারকে সতর্ক করে যা বললেন ছাত্রদল সভাপতি
শক্তিশালী হলে শিবির সন্ত্রাসের বীজ বপন করে: নাছির
ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ নষ্টের অপচেষ্টা চালাচ্ছে: জামায়াত
এবার এনসিপির নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র বাতিল
আইনি মারপ্যাঁচে আসন হারাতে পারেন জামায়াত জোটের প্রার্থী
ফেসবুকে ভাইরাল গুলি ছোড়া যুবক জামায়াতের কর্মী : পুলিশ
পাবনার ঈশ্বরদীতে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া অস্ত্র হাতে গুলি ছোড়া সেই যুবক জামায়াতের কর্মী বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রোববার (৩০ নভেম্বর) রাতে ঈশ্বরদী থানার ওসি আ স ম আব্দুর নূর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সংঘর্ষের দিন অস্ত্র হাতে গুলি ছোড়া যুবক তুষার মণ্ডল জামায়াতের কর্মী। তার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে পরিচয় শনাক্ত করা হয়। তবে এখনো তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি, পুলিশ তাকে ধরতে অভিযান চালাচ্ছে।
তুষার মণ্ডল ঈশ্বরদী পৌরসভার ভেলুপাড়া এলাকার তাহের মণ্ডলের ছেলে। স্থানীয় বেশ কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, তুষার পাবনা জেলা জামায়াতের আমির ও পাবনা-৪ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক
আবু তালেব মণ্ডলের ভাতিজা মামুন মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত। এদিকে সংঘর্ষের ঘটনায় করা পাল্টাপাল্টি দুই মামলায় উভয় দলের পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে জামায়াতের দুজন এবং বিএনপির তিন কর্মীকে আটক করা হয়। রোববার বিকেলে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ওসি আব্দুর নূর বলেন, দুপক্ষই পরস্পরের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। দুপক্ষের মামলার বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করছে। আমরা আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী আসামিদের গ্রেপ্তার করছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে ঈশ্বরদীতে সাহাপুর ইউনিয়নের চরগড়গড়ি গ্রামে নির্বাচনী প্রচার চালাতে গেলে জামায়াত ও বিএনপির এ সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হন। ফেসবুকে ছড়ানো ছবিতে
দেখা যায়, রাস্তায় বেশকিছু লোকজনের জটলার মধ্যে সাদা টি-শার্ট ও জিনসের প্যান্ট পরা এক যুবক ডান হাতে পিস্তল উঁচিয়ে গুলি ছুড়ছেন।
আবু তালেব মণ্ডলের ভাতিজা মামুন মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত। এদিকে সংঘর্ষের ঘটনায় করা পাল্টাপাল্টি দুই মামলায় উভয় দলের পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে জামায়াতের দুজন এবং বিএনপির তিন কর্মীকে আটক করা হয়। রোববার বিকেলে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ওসি আব্দুর নূর বলেন, দুপক্ষই পরস্পরের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। দুপক্ষের মামলার বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করছে। আমরা আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী আসামিদের গ্রেপ্তার করছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে ঈশ্বরদীতে সাহাপুর ইউনিয়নের চরগড়গড়ি গ্রামে নির্বাচনী প্রচার চালাতে গেলে জামায়াত ও বিএনপির এ সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হন। ফেসবুকে ছড়ানো ছবিতে
দেখা যায়, রাস্তায় বেশকিছু লোকজনের জটলার মধ্যে সাদা টি-শার্ট ও জিনসের প্যান্ট পরা এক যুবক ডান হাতে পিস্তল উঁচিয়ে গুলি ছুড়ছেন।



