ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তদন্তের আগেই দুই কৃষি কর্মকর্তাকে বদলি, ডিএই’র ডিজি লাঞ্ছিত
পাঁচ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক, ঝুঁকিতে হাজারো আমানতকারীর অর্থ
জুলাই গেজেট স্ক্যাম: ছাদ থেকে পড়ে যাওয়া আখতারুজ্জামান নাঈমকে বানানো হয় জুলাই শহীদ
থানা পোড়ানো, পুলিশ হত্যাকারী সেই সমন্বয়ক মাহদী এখন মবের ভয়ে থানায় আশ্রয়ের সন্ধানে
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক আরিফ রহমানের বিরুদ্ধে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ, মিয়াপাড়ায় তোলপাড়
হলি আর্টিজান হামলার মাস্টারমাইন্ড সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত পলাতক জঙ্গি মেজর জিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন হিযবুত তাহরিরের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে আলোচনায় এসেছেন প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক আরিফ রহমান। সম্প্রতি ‘আজকের কণ্ঠ’ নামক একটি সংবাদমাধ্যমে এই সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর ঢাকার সাংবাদিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, এই অভিযোগ ওঠার পর দেশের শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম তাদের বার্তাকক্ষে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে। প্রথম আলো যদি আরিফ রহমানকে বরখাস্ত করে, তবে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে যাতে তিনি সুযোগ না পান, সে বিষয়েও অলিখিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রথম আলোর একজন জ্যেষ্ঠ সংবাদকর্মী আজকের
কণ্ঠকে জানান, “আমরা জানতাম আরিফ রহমান ছাত্রজীবনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কিন্তু তার সঙ্গে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার এমন ভয়াবহ তথ্য আমাদের জানা ছিল না। আমাদের প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষ যেখানে হলি আর্টিজান হামলার ভিকটিম, সেখানে মেজর জিয়ার মতো একজন ভয়ংকর জঙ্গির সহযোগী আমাদের সঙ্গে কাজ করবে—এটা ভাবতেই আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।” প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, বিতর্কিত অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট পিনাকী ভট্টাচার্য ও ইলিয়াস হোসেনের সঙ্গেও আরিফ রহমানের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তাদের যোগসাজশে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বিতর্কিত প্রতিবেদন তৈরির অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি সম্প্রতি প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার ভবনে হামলার ঘটনা সম্পর্কে আরিফ
রহমান আগে থেকেই অবগত ছিলেন বলে তার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র দাবি করেছে। আরিফ রহমানের আর্থিক অবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তার এক বন্ধু। তিনি জানান, “আরিফ যে বেতন পান, তা তার জীবনযাত্রার সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ। তিনি তার এক বান্ধবীকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় একটি ফ্ল্যাট কিনে দিয়েছেন বলে শুনেছি। এত টাকা তার কাছে কোত্থেকে আসছে, তা বড় প্রশ্ন।” এই বিষয়ে কথা বলতে আরিফ রহমানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। আজকের কণ্ঠের পরিচয় দিয়ে ফোন করা হলে তিনি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন বলে জানা গেছে। প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) সাবেক এক মহাপরিচালক এই প্রসঙ্গে বলেন, “বাংলাদেশে প্রেস কাউন্সিল শক্তিশালী না হওয়ায় অনেক সময়
অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন হয়। তবে এত বড় অভিযোগ ওঠার পর প্রথম আলোর উচিত বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া। অন্যথায় এর দায়ভার প্রতিষ্ঠানের ওপরও আসতে পারে।” এদিকে, আজকের কণ্ঠের দাবি অনুযায়ী, তারা মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে পলাতক জঙ্গি মেজর জিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি আরিফ রহমানের সঙ্গে পূর্বপরিচয় ও সম্পর্কের কথা স্বীকার করেছেন। জিয়া দাবি করেন, আরিফের মাধ্যমে তিনি প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই’র একজন যুগ্ম পরিচালক (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) জানিয়েছেন, প্রকাশিত প্রতিবেদনটি তাদের নজরে এসেছে এবং তারা এ বিষয়ে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছেন। মেজর জিয়ার সঙ্গে আরিফ রহমানের যোগাযোগের প্রাথমিক কিছু সত্যতা পাওয়ার
দাবি করেছেন তিনি। বিষয়টি আরও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।
কণ্ঠকে জানান, “আমরা জানতাম আরিফ রহমান ছাত্রজীবনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কিন্তু তার সঙ্গে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার এমন ভয়াবহ তথ্য আমাদের জানা ছিল না। আমাদের প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষ যেখানে হলি আর্টিজান হামলার ভিকটিম, সেখানে মেজর জিয়ার মতো একজন ভয়ংকর জঙ্গির সহযোগী আমাদের সঙ্গে কাজ করবে—এটা ভাবতেই আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।” প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, বিতর্কিত অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট পিনাকী ভট্টাচার্য ও ইলিয়াস হোসেনের সঙ্গেও আরিফ রহমানের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তাদের যোগসাজশে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বিতর্কিত প্রতিবেদন তৈরির অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি সম্প্রতি প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার ভবনে হামলার ঘটনা সম্পর্কে আরিফ
রহমান আগে থেকেই অবগত ছিলেন বলে তার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র দাবি করেছে। আরিফ রহমানের আর্থিক অবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তার এক বন্ধু। তিনি জানান, “আরিফ যে বেতন পান, তা তার জীবনযাত্রার সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ। তিনি তার এক বান্ধবীকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় একটি ফ্ল্যাট কিনে দিয়েছেন বলে শুনেছি। এত টাকা তার কাছে কোত্থেকে আসছে, তা বড় প্রশ্ন।” এই বিষয়ে কথা বলতে আরিফ রহমানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। আজকের কণ্ঠের পরিচয় দিয়ে ফোন করা হলে তিনি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন বলে জানা গেছে। প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) সাবেক এক মহাপরিচালক এই প্রসঙ্গে বলেন, “বাংলাদেশে প্রেস কাউন্সিল শক্তিশালী না হওয়ায় অনেক সময়
অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন হয়। তবে এত বড় অভিযোগ ওঠার পর প্রথম আলোর উচিত বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া। অন্যথায় এর দায়ভার প্রতিষ্ঠানের ওপরও আসতে পারে।” এদিকে, আজকের কণ্ঠের দাবি অনুযায়ী, তারা মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে পলাতক জঙ্গি মেজর জিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি আরিফ রহমানের সঙ্গে পূর্বপরিচয় ও সম্পর্কের কথা স্বীকার করেছেন। জিয়া দাবি করেন, আরিফের মাধ্যমে তিনি প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই’র একজন যুগ্ম পরিচালক (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) জানিয়েছেন, প্রকাশিত প্রতিবেদনটি তাদের নজরে এসেছে এবং তারা এ বিষয়ে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছেন। মেজর জিয়ার সঙ্গে আরিফ রহমানের যোগাযোগের প্রাথমিক কিছু সত্যতা পাওয়ার
দাবি করেছেন তিনি। বিষয়টি আরও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।



