ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
চীনা মুদ্রার কাছে কোণঠাসা মার্কিন ডলার
যুক্তরাজ্যে মার্কিন নাগরিকদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে আবারও যুদ্ধ শুরু হতে পারে: ইরান
জার্মানিতে কেন মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে?
হরমুজে নিয়ন্ত্রণ দৃঢ় করতে সামরিক পদক্ষেপ নিচ্ছে ইরান
জার্মানিতে কেন মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে?
ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ১৬ মার্কিন সামরিক স্থাপনা
পরমাণু আলোচনার আগেই হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে চায় ইরান
ইরানের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা দেশটির পক্ষ থেকে দেওয়া একটি নতুন কূটনৈতিক প্রস্তাবের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তেহরান পরমাণু কর্মসূচি সংক্রান্ত জটিল আলোচনাগুলো আপাতত স্থগিত রেখে এর আগেই হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে এবং ইরানের ওপর মার্কিন অবরোধের অবসান ঘটাতে চায়। খবর রয়টার্সের।
যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন পর্যন্ত এই প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেছেন, তবে ইরান মনে করছে এই পদক্ষেপের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে চলমান সংকট নিরসনের পথ অনেকটাই সহজ হতে পারে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইরানের ওই শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, গোপন এই কূটনৈতিক প্রস্তাবের আওতায় সবচেয়ে জটিল পরমাণু আলোচনাগুলোকে একদম শেষ ধাপে নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য
হলো শুরুতেই উত্তেজনা কমিয়ে একটি অনুকূল ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করা। মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে এই আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব এবং নতুন সময়সীমার বিষয়টি এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবটির মূল রূপরেখা অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইল ভবিষ্যতে আর কখনো ইরানে হামলা চালাবে না—এই ধরনের সুনির্দিষ্ট গ্যারান্টির বিনিময়ে যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটবে। এর বিপরীতে ইরান আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দেবে এবং এর পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের ওপর থেকে তাদের সমস্ত অর্থনৈতিক ও সামরিক অবরোধ তুলে নিতে হবে। ইরান মনে করছে, পরমাণু বিষয়টিকে আলোচনার শেষ ধাপে রেখে প্রথমে বাণিজ্য ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি করা গেলে তা দুই পক্ষের জন্যই ইতিবাচক হবে।
তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রাথমিক প্রত্যাখ্যানের কারণে এই প্রস্তাবের ভবিষ্যৎ এবং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনার এই প্রচেষ্টা কতটুকু সফল হবে, তা নিয়ে এখনও বড় ধরনের অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
হলো শুরুতেই উত্তেজনা কমিয়ে একটি অনুকূল ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করা। মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে এই আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব এবং নতুন সময়সীমার বিষয়টি এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবটির মূল রূপরেখা অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইল ভবিষ্যতে আর কখনো ইরানে হামলা চালাবে না—এই ধরনের সুনির্দিষ্ট গ্যারান্টির বিনিময়ে যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটবে। এর বিপরীতে ইরান আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দেবে এবং এর পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের ওপর থেকে তাদের সমস্ত অর্থনৈতিক ও সামরিক অবরোধ তুলে নিতে হবে। ইরান মনে করছে, পরমাণু বিষয়টিকে আলোচনার শেষ ধাপে রেখে প্রথমে বাণিজ্য ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি করা গেলে তা দুই পক্ষের জন্যই ইতিবাচক হবে।
তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রাথমিক প্রত্যাখ্যানের কারণে এই প্রস্তাবের ভবিষ্যৎ এবং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনার এই প্রচেষ্টা কতটুকু সফল হবে, তা নিয়ে এখনও বড় ধরনের অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।



