ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
৩০ দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধের অবসান চায় ইরান
হজে বয়সসীমা নিয়ে নতুন ঘোষণা দিল সৌদি
সামরিক হুমকির মুখেও সচল মার্কিন-ইরান কূটনৈতিক আলোচনা
মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তে যা বলল জার্মানি ও ন্যাটো
সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৪৩ হাজার ৭৭৩ বাংলাদেশি হজযাত্রী
কর্মী ছাঁটাই করে এআই ব্যবহার অবৈধ ঘোষণা করল চীনা আদালত
মাছ ধরতে গিয়ে যেভাবে বৃষ্টির লাশ খুঁজে পেলেন জেলে
নেতানিয়াহু নয়, ইসরাইলের ভাগ্য নির্ধারণ করছেন ট্রাম্প!
বর্তমানে ইসরাইলের যুদ্ধ সংক্রান্ত যাবতীয় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হচ্ছে সরাসরি ওয়াশিংটন থেকে। যুদ্ধের প্রাথমিক পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই ধারণা নিয়ে বেশ উৎসাহিত ছিলেন যে, যুক্তরাষ্ট্রকে অংশীদার হিসেবে নিয়ে তিনি ইরানের মতো একটি আঞ্চলিক শক্তির বিরুদ্ধে বড় ধরনের যুদ্ধ পরিচালনা করছেন।
তবে সময়ের সাথে সাথে যুদ্ধের মোড় ঘুরে যাওয়ায় এখন পরিস্থিতি ভিন্ন রূপ নিয়েছে। বর্তমানে ইসরাইলি মহলে এই বিতর্ক জোরালো হচ্ছে যে যুদ্ধের কৌশলগত সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে নেতানিয়াহুর একক কোনো কর্তৃত্ব নেই। যেমন, লেবাননে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির বিষয়টি নেতানিয়াহুর ব্যক্তিগত ইচ্ছায় ঘটেনি।
এই সিদ্ধান্তটি মূলত ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে এসেছে এবং ইসরাইল তা মেনে নিতে বাধ্য হয়েছে। অভ্যন্তরীণ আলোচনাগুলোতে এখন এই শঙ্কা
প্রকাশ পাচ্ছে যে এই সংঘাত একটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং দীর্ঘমেয়াদী ক্ষয়িষ্ণু যুদ্ধে পরিণত হতে পারে। অন্যদিকে, যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি ক্রমাগত বাড়তে থাকায় ইসরাইলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নেতানিয়াহুর জনপ্রিয়তা তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। জনমত জরিপগুলোতে তার অবস্থান আশঙ্কাজনকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর সামনে ওয়াশিংটনের সংকেতের জন্য অপেক্ষা করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই, কারণ যুদ্ধের চাবিকাঠি এখন পুরোপুরি মার্কিন প্রশাসনের হাতে।
প্রকাশ পাচ্ছে যে এই সংঘাত একটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং দীর্ঘমেয়াদী ক্ষয়িষ্ণু যুদ্ধে পরিণত হতে পারে। অন্যদিকে, যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি ক্রমাগত বাড়তে থাকায় ইসরাইলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নেতানিয়াহুর জনপ্রিয়তা তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। জনমত জরিপগুলোতে তার অবস্থান আশঙ্কাজনকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর সামনে ওয়াশিংটনের সংকেতের জন্য অপেক্ষা করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই, কারণ যুদ্ধের চাবিকাঠি এখন পুরোপুরি মার্কিন প্রশাসনের হাতে।



