ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
চীনা নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে নতুন নামে ট্রাম্পের সঙ্গে বেইজিং সফরে রুবিও
কুয়েতে ইরানের বিপ্লবী গার্ডের ৪ সদস্য আটক
স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর বাড়ি ফিরলেন সোনিয়া গান্ধী
সশস্ত্র হামলায় মণিপুরে ৩ চার্চ নেতা নিহত
যুদ্ধ শেষ হলেই কমবে মুদ্রাস্ফীতি, তেলের বাজার হবে নিম্নমুখী: ট্রাম্প
পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়
নাইজেরিয়ায় বিমান হামলায় নিহত ১০০
দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে উচ্চপর্যায়ের নৈশভোজ
আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (আইএমও) সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সমর্থন পাওয়ার প্রত্যাশায় ভারতের নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন গতকাল (১১ সেপ্টেম্বর) এক উচ্চপর্যায়ের নৈশভোজের আয়োজন করে।
২০২৩ সালে লন্ডনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ১২৮ ভোট পেয়ে বাংলাদেশ ইতিহাস রচনা করে প্রথমবারের মতো আইএমও কাউন্সিলের প্রতিযোগিতাপূর্ণ ‘সি’ ক্যাটাগরিতে সদস্য পদ লাভ করে।
শুক্রবার নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়।
আইএমও কাউন্সিল ৪০টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত, যা তিনটি ক্যাটাগরিতে (এ, বি ও সি) বিভক্ত। এই কাউন্সিল বৈশ্বিক সামুদ্রিক নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ‘সি’ ক্যাটাগরি নিশ্চিত করে বিশেষ সামুদ্রিক স্বার্থসম্পন্ন দেশগুলোর প্রতিনিধিত্ব এবং ভৌগোলিক ভারসাম্য।
আইএমও হলো জাতিসংঘের একমাত্র বিশেষায়িত সংস্থা, যা আন্তর্জাতিক নৌপরিবহণ নিয়ন্ত্রণ করে। এটি সামুদ্রিক নিরাপত্তা, সুরক্ষা,
নাবিক কল্যাণ এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণের মানদণ্ড নির্ধারণ করে—যা সরাসরি বৈশ্বিক বাণিজ্য ও অর্থনীতিকে প্রভাবিত করে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন- বাংলাদেশের নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ ইউসুফ। তিনি বাংলাদেশের সম্প্রসারিত নৌপরিবহণ খাত এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য বাংলাদেশের বন্দরগুলোর ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব তুলে ধরেন। শিপিং অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমোডর মো. শফিউল বারী একটি বিস্তারিত প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন। ডেপুটি হাইকমিশনার প্রীতি রহমানও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। এই নৈশভোজে বহু দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত ও জ্যেষ্ঠ কূটনীতিকরা অংশ নেন, যা আসন্ন আইএমও কাউন্সিল নির্বাচনের আগে বাংলাদেশের সক্রিয় কূটনৈতিক তৎপরতাকে তুলে ধরে।
নাবিক কল্যাণ এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণের মানদণ্ড নির্ধারণ করে—যা সরাসরি বৈশ্বিক বাণিজ্য ও অর্থনীতিকে প্রভাবিত করে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন- বাংলাদেশের নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ ইউসুফ। তিনি বাংলাদেশের সম্প্রসারিত নৌপরিবহণ খাত এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য বাংলাদেশের বন্দরগুলোর ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব তুলে ধরেন। শিপিং অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমোডর মো. শফিউল বারী একটি বিস্তারিত প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন। ডেপুটি হাইকমিশনার প্রীতি রহমানও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। এই নৈশভোজে বহু দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত ও জ্যেষ্ঠ কূটনীতিকরা অংশ নেন, যা আসন্ন আইএমও কাউন্সিল নির্বাচনের আগে বাংলাদেশের সক্রিয় কূটনৈতিক তৎপরতাকে তুলে ধরে।



