‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচিতে ভীত ইউনুস সরকার: রাজধানীতে ধরপাকড়, গ্রেফতার আতঙ্কে সাধারণ মানুষ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৩ নভেম্বর, ২০২৫

‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচিতে ভীত ইউনুস সরকার: রাজধানীতে ধরপাকড়, গ্রেফতার আতঙ্কে সাধারণ মানুষ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৩ নভেম্বর, ২০২৫ |
আওয়ামী লীগের ঘোষিত ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচি ঘিরে রাজধানীতে উত্তেজনা তীব্র হচ্ছে। রাজনৈতিক এবং সাধারণ জনগণের আলোচনায়—যারা ভেবেছিল আওয়ামী লীগ আর মাঠে ফিরবে না, তারাই এখন আতঙ্কিত। অনেকেই বলছেন, আওয়ামী লীগ যেন ফিনিক্স পাখির মতো আবার উঠে এসেছে—এবার সরাসরি রাজপথে। সুত্র বলছে, ১৩ নভেম্বরের এই কর্মসূচি সামনে রেখে রাজধানীর রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমেছে স্পষ্ট টানাপোড়েন। আওয়ামী লীগ তাদের নেতাকর্মীদের নিয়ে রাজপথে নামার ঘোষণা দিয়েছে, অপরদিকে ইউনুস সরকার তাদের নিয়ন্ত্রণ হারানোর শঙ্কায় এখন প্রশাসনিক কঠোরতায় ঝুঁকেছে বলে অভিযোগ উঠছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে রাজধানীর মিরপুর, মোহাম্মদপুর, ফার্মগেট, যাত্রাবাড়ী, গাজীপুরসহ আশপাশের এলাকাগুলোর আবাসিক হোটেল, মেস ও ছাত্রাবাসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান চলছে। যাকে পাওয়া

যাচ্ছে তাকেই সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হচ্ছে। পুলিশি হয়রানি, চেকিং ও গ্রেফতার আতঙ্কে রয়েছে ১৩ তারিখ মধ্যরাতের পরে ঘরে ফেরা রাতমজুর, বিভিন্ন পরিবহনে ঢাকায় আসা সাধারন নাগরিকেরা। সবচেয়ে বেশী আতঙ্কে ছিল মোটর সাইকেল চালক, পাঠাও বা উবার রাইডাররা। খুব কড়া তল্লাশী করা হয় মোটর সাইকেল চালকদের, দিতে হয় অনেক অনেক প্রশ্নের জবাব। কোথাও কোথাও এমন দৃশ্যও দেখা গেছে যে, লকডাউন প্রতিহত করতে আসা রাজনৈতিক কর্মি বা ইন্টেরিম সরকার আয়োজিত তথ্যচিত্র দেখা ঘরে ফেরা মানুষেরাও পুলিশের তল্লাসীতে গ্রেফতার হয়েছেন। ফার্মগেটে “লকডাউন” প্রতিহত করতে যাওয়া স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যদের লাঠিপেটা করে ঘরে পাঠিয়েছে যৌথবাহিনী। সুত্র আরও জানায়,রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে বিএনপি, যুবদল, এমনকি আওয়ামী লীগ সমর্থক

বলেও পরিচিত ব্যক্তিদের আটক করা হচ্ছে—‘লীগ সন্দেহে’। একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, রাতের বেলায় রাস্তায় চলাচলকারী যেকোনো ব্যক্তিকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি করা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে সাদা পোশাকের পুলিশ বা অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের মাধ্যমে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রাজধানীতে নাশকতার পরিকল্পনা রয়েছে এমন তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযান চলছে। কাউকে অযথা হয়রানি করা হচ্ছে না। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, সরকার বিরোধী কর্মসূচি ঠেকাতে নির্বিচারে গ্রেপ্তার চলছে। মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) এক কর্মকর্তা বলেন, যে হারে গত ৪৮ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার হচ্ছে, তা আইনের শাসনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সরকার রাজনৈতিক বিরোধিতা সামলাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
শিক্ষক লাঞ্ছনার কালো অধ্যায় ও একটি রাষ্ট্রীয় অপরাধের দলিল তেলের লাইনে মৃত্যু—এটা কি শুধু একটি দুর্ঘটনা, নাকি রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার নির্মম প্রতিচ্ছবি? বিদ্যুৎ নেই, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ – বিএনপি সরকার ঘুমে ছয় শিক্ষকের মৃত্যু, একটি ঘটনারও বিচার হয়নি মহান মুক্তিযুদ্ধের চিত্র ধারণ করা আলোকচিত্রী রঘু রাইয়ের মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শোক ফারুকীর নাশতায় প্রতিদিন খরচ ১ লাখ ১৮ হাজার টাকা” গণঅভ্যুত্থান নয়, ৫ আগস্ট ছিল সুপরিকল্পিত ‘রেজিম চেঞ্জ’: পুরো সাক্ষাৎকারে চাঞ্চল্যকর তথ্য আওয়ামী লীগ সরকার পতন: ইউএসএইডের ২৯ মিলিয়ন ডলারের একাংশ পেয়েছিল সমকাল, বিটনিক ও দ্য হাঙ্গার প্রজেক্ট ইসহাক সরকারের এনসিপিতে যোগদান: বিএনপি ও আওয়ামী লীগের জন্য ‘অশনিসংকেত’ যতদিন বেঁচে থাকবেন, একা হাঁটতে পারবেন না’— ড. ইউনূসকে সাংবাদিক আনিস আলমগীরের কড়া হুঁশিয়ারি একদিনে ১৫ দপ্তরে নতুন চেয়ারম্যান-ডিজি নিয়োগ মোদি-মমতার বিরোধ আসলে লোকদেখানো, দাবি রাহুলের ঢাবি ছাত্রীর লাশ উদ্ধার, চিরকুটে লেখা শিক্ষকের নাম ‘ফুয়েল পাশ’ অ্যাপের পরিধি বাড়াল সরকার আততায়ীর হাতে প্রাণ হারিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের যে ৪ প্রেসিডেন্ট ৫ কোটি টাকা ডাকাতির নেতৃত্ব দেন সিআইডির তৎকালীন এসআই আকসাদুদজামান হাম ও উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু মেট অপেরাকে ২০ কোটি ডলার দেবে না সৌদি ভারত থেকে ২৮ টাকা কেজি দরে মরিচ আমদানি, বিক্রি ৩০০ টাকায় বিশ্বকাপে না খেলা নিয়ে মুখ খুললেন লিটন