ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মার্কিন চুক্তি ও স্বার্থরক্ষায় সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস: আন্তর্জাতিক বাজার দরের চেয়ে উচ্চমূল্যে গম আমদানির অনুমোদন
সম্পত্তির বিরোধ থেকে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব, উচিৎ শিক্ষা দিতে সবার নামে জুলাই মামলা: আছেন ভূমিমন্ত্রী জাবেদসহ আওয়ামী নেতারাও
“আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা আমি সমর্থন করি না”, সাক্ষাৎকারে এম সাখাওয়াত হোসেন
শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বিএনপির হজম করা কঠিন হবে, অকল্পনীয় অনেক ব্যাপার ঘটতে পারে: সাবির মুস্তাফা
মবসন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিতে হাসনাতই সেরা: অনুসন্ধানে উঠে এলো মুখোশের আড়ালের চিত্র
এই সংসদ একটি পরাশক্তির মধ্যস্থতায় গড়ে ওঠা আন্ডারস্ট্যান্ডিংয়ের সংসদ: জমিয়ত নেতা ইউসুফী
বান্দরবানে কেএনএফ ক্যাম্পে সেনা-জেএসএস যৌথ হামলা, রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ৪ সেনা নিহতের দাবি
চট্টগ্রাম ৮ আসনে রক্তাক্ত সংঘর্ষের ছায়া: নিহত সরোয়ার বাবলার রেখে যাওয়া অস্ত্রভাণ্ডার নিয়ে নতুন উত্তেজনা
চট্টগ্রাম-৮ আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালে নিজ দলের সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত বিএনপি নেতা সরোয়ার বাবলার রেখে যাওয়া অস্ত্রভাণ্ডারকে ঘিরে এলাকাজুড়ে শুরু হয়েছে নতুন উত্তেজনা ও আতঙ্ক।
বাবলার ছোট ভাই অভিযোগ করেছেন, কারাগারে থাকা অবস্থায় বাবলার সঙ্গে বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে। মুক্তির পর ৫ আগস্টের পর বাবলা আসলাম চৌধুরীর অনুসারী গ্রুপে যোগ দেয় এবং তার দিকনির্দেশনায় রাজনীতি শুরু করে।
অভিযোগ রয়েছে, আসলাম চৌধুরীর আরেক শীর্ষ সহযোগী রোকন ওরফে মেম্বার রোকনকে সঙ্গে নিয়ে বাবলা জঙ্গল সলিমপুরের আলী নগরে সশস্ত্র হামলা চালায়। আলী নগরবাসীর দাবি, ঐ হামলায় ব্যবহৃত সব অস্ত্র সরবরাহ করেছিলেন বাবলা নিজেই।
হামলার দুই দিন
আগে এই অস্ত্রগুলো জঙ্গল সলিমপুর ছিন্নমূল এলাকার সাবেক মেম্বার গফুরের মাধ্যমে ওই এলাকায় আনা হয়। ঘটনার দিন সেখান থেকে একে-৪৭ ধরনের ভারী অস্ত্র নিয়ে আলী নগরে হামলা চালানো হয়, যাতে দুইজন নিহত ও শতাধিক মানুষ আহত হন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে নিহত বাবলার ওই অস্ত্রভাণ্ডার মেম্বার রোকনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এলাকাবাসীর আশঙ্কা, দ্রুত এসব অস্ত্র উদ্ধার করা না গেলে জঙ্গল সলিমপুর ও আশপাশের এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যেতে পারে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে, তবে এখন পর্যন্ত কোনো অস্ত্র উদ্ধার বা গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি।
আগে এই অস্ত্রগুলো জঙ্গল সলিমপুর ছিন্নমূল এলাকার সাবেক মেম্বার গফুরের মাধ্যমে ওই এলাকায় আনা হয়। ঘটনার দিন সেখান থেকে একে-৪৭ ধরনের ভারী অস্ত্র নিয়ে আলী নগরে হামলা চালানো হয়, যাতে দুইজন নিহত ও শতাধিক মানুষ আহত হন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে নিহত বাবলার ওই অস্ত্রভাণ্ডার মেম্বার রোকনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এলাকাবাসীর আশঙ্কা, দ্রুত এসব অস্ত্র উদ্ধার করা না গেলে জঙ্গল সলিমপুর ও আশপাশের এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যেতে পারে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে, তবে এখন পর্যন্ত কোনো অস্ত্র উদ্ধার বা গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি।



