ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মার্কিন চুক্তি ও স্বার্থরক্ষায় সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস: আন্তর্জাতিক বাজার দরের চেয়ে উচ্চমূল্যে গম আমদানির অনুমোদন
সম্পত্তির বিরোধ থেকে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব, উচিৎ শিক্ষা দিতে সবার নামে জুলাই মামলা: আছেন ভূমিমন্ত্রী জাবেদসহ আওয়ামী নেতারাও
“আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা আমি সমর্থন করি না”, সাক্ষাৎকারে এম সাখাওয়াত হোসেন
শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বিএনপির হজম করা কঠিন হবে, অকল্পনীয় অনেক ব্যাপার ঘটতে পারে: সাবির মুস্তাফা
মবসন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিতে হাসনাতই সেরা: অনুসন্ধানে উঠে এলো মুখোশের আড়ালের চিত্র
এই সংসদ একটি পরাশক্তির মধ্যস্থতায় গড়ে ওঠা আন্ডারস্ট্যান্ডিংয়ের সংসদ: জমিয়ত নেতা ইউসুফী
বান্দরবানে কেএনএফ ক্যাম্পে সেনা-জেএসএস যৌথ হামলা, রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ৪ সেনা নিহতের দাবি
চট্টগ্রামে ‘দেখামাত্র গুলি’র নির্দেশ, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার উদ্বেগ
একসময়ের শান্তিপূর্ণ বন্দরনগরী চট্টগ্রাম এখন তীব্র উত্তেজনা ও আতঙ্কে নিমজ্জিত। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনারের এক মৌখিক নির্দেশের পর নগরীর সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয় ছড়িয়ে পড়েছে। সশস্ত্র সন্ত্রাসী দেখামাত্র সাবমেশিন গান দিয়ে সরাসরি গুলি করার নির্দেশ দেওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এটিকে নিছক প্রশাসনিক নির্দেশ হিসেবে না দেখে, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অনুমোদন হিসেবেই দেখছেন অনেকে।
গত ১১ নভেম্বর, দুপুর ১২টার দিকে সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজ ওয়্যারলেসের মাধ্যমে টহল দল এবং থানা পুলিশকে এক মৌখিক নির্দেশনা দেন। এতে তিনি শটগান ও চাইনিজ রাইফেলের পরিবর্তে সব টহল দলকে সাবমেশিন গান বহন করার কথা বলেন। সশস্ত্র অপরাধীদের দেখামাত্র গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়ে তিনি এর সম্পূর্ণ
দায়ভার নিজে নেবেন বলেও ঘোষণা দেন। এই ঘোষণার পর থেকে সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। যারা সন্তানদের স্কুলে পাঠান, বাজারে যান কিংবা অফিসের করেন, তাদের কাছে পুলিশ ছিল নিরাপত্তার প্রতীক। কিন্তু সেই পুলিশই এখন রাস্তায় সম্ভাব্য সহিংসতার নির্দেশে সজ্জিত, যা নগরীর প্রতিটি অলিগলিতে ভয় ছড়িয়ে দিয়েছে। এই আদেশের প্রেক্ষাপট হিসেবে গত ৫ নভেম্বর বায়েজিদ বোস্তামী থানার খন্দকারাবাদ এলাকায় একটি রাজনৈতিক জনসংযোগ অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে একজনকে হত্যার ঘটনাকে উল্লেখ করা হচ্ছে। যদিও কর্তৃপক্ষ কমিশনারের এই নির্দেশকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি প্রচেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করছে, মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা যদি নির্বিচারে গুলি চালানো শুরু করে, তবে
কেবল সন্দেহভাজন অপরাধীই নয়, নিরীহ বেসামরিক মানুষও মারাত্মক বিপদের মুখে পড়বে। বিশেষজ্ঞরা জোর দিয়ে বলছেন, এই আদেশ মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘন করে, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়াকে পাশ কাটিয়ে যায় এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের পরিস্থিতি তৈরি করে। একবার এই ধরনের নীতি বাস্তবায়িত হলে, নিরীহ মানুষ যে এর শিকার হবে না, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। যে শহরে মানুষ এখন রাস্তায় নিরাপদে হাঁটতে ভয় পাচ্ছে, সেখানে সন্ত্রাসীদের আস্তানা দমনের নামে গৃহীত পদক্ষেপ আইন ও বিচার ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থাকে আরও ক্ষয় করছে। কমিশনার এই নির্দেশকে নিরাপত্তা বাড়ানোর উপায় বললেও, এর প্রভাব সাধারণ মানুষের জীবনের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানবাধিকার নীতিমালার পরিপন্থী হতে পারে। চট্টগ্রামের প্রতিটি
রাস্তায় এখন ভয় ও অস্বস্তির ছাপ। আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের যদি নাগরিকদের জীবন কেড়ে নেওয়ার অবাধ ক্ষমতা দেওয়া হয়, তবে জনগণ আতঙ্কে বাস করবে এবং বিচার ব্যবস্থার প্রতি আস্থা আরও কমবে। নিরাপত্তা রক্ষা এবং মানবাধিকার সুরক্ষার মধ্যে ভারসাম্যহীনতা শহরটিকে অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। স্থানীয় মানবাধিকার কর্মীরা ইতোমধ্যে সিএমপি কমিশনারকে তার এই নির্দেশের জন্য জবাবদিহিতার আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। এদিকে, কানাডাভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ‘গ্লোবাল অ্যালায়েন্স এগেইনস্ট অ্যাট্রোসিটি অ্যান্ড ভায়োলেন্স অন হিউম্যানিটি’ (GA3VH) এই নির্দেশে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি অবিলম্বে এই ‘দেখামাত্র গুলি’র নীতি পর্যালোচনা করার জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। GA3VH জোর দিয়ে বলেছে, অপরাধ দমনের যেকোনো পদক্ষেপ অবশ্যই আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন মেনে
চলতে হবে এবং নিরীহ নাগরিকদের জীবন বিপন্ন করা যাবে না।
দায়ভার নিজে নেবেন বলেও ঘোষণা দেন। এই ঘোষণার পর থেকে সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। যারা সন্তানদের স্কুলে পাঠান, বাজারে যান কিংবা অফিসের করেন, তাদের কাছে পুলিশ ছিল নিরাপত্তার প্রতীক। কিন্তু সেই পুলিশই এখন রাস্তায় সম্ভাব্য সহিংসতার নির্দেশে সজ্জিত, যা নগরীর প্রতিটি অলিগলিতে ভয় ছড়িয়ে দিয়েছে। এই আদেশের প্রেক্ষাপট হিসেবে গত ৫ নভেম্বর বায়েজিদ বোস্তামী থানার খন্দকারাবাদ এলাকায় একটি রাজনৈতিক জনসংযোগ অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে একজনকে হত্যার ঘটনাকে উল্লেখ করা হচ্ছে। যদিও কর্তৃপক্ষ কমিশনারের এই নির্দেশকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি প্রচেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করছে, মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা যদি নির্বিচারে গুলি চালানো শুরু করে, তবে
কেবল সন্দেহভাজন অপরাধীই নয়, নিরীহ বেসামরিক মানুষও মারাত্মক বিপদের মুখে পড়বে। বিশেষজ্ঞরা জোর দিয়ে বলছেন, এই আদেশ মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘন করে, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়াকে পাশ কাটিয়ে যায় এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের পরিস্থিতি তৈরি করে। একবার এই ধরনের নীতি বাস্তবায়িত হলে, নিরীহ মানুষ যে এর শিকার হবে না, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। যে শহরে মানুষ এখন রাস্তায় নিরাপদে হাঁটতে ভয় পাচ্ছে, সেখানে সন্ত্রাসীদের আস্তানা দমনের নামে গৃহীত পদক্ষেপ আইন ও বিচার ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থাকে আরও ক্ষয় করছে। কমিশনার এই নির্দেশকে নিরাপত্তা বাড়ানোর উপায় বললেও, এর প্রভাব সাধারণ মানুষের জীবনের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানবাধিকার নীতিমালার পরিপন্থী হতে পারে। চট্টগ্রামের প্রতিটি
রাস্তায় এখন ভয় ও অস্বস্তির ছাপ। আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের যদি নাগরিকদের জীবন কেড়ে নেওয়ার অবাধ ক্ষমতা দেওয়া হয়, তবে জনগণ আতঙ্কে বাস করবে এবং বিচার ব্যবস্থার প্রতি আস্থা আরও কমবে। নিরাপত্তা রক্ষা এবং মানবাধিকার সুরক্ষার মধ্যে ভারসাম্যহীনতা শহরটিকে অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। স্থানীয় মানবাধিকার কর্মীরা ইতোমধ্যে সিএমপি কমিশনারকে তার এই নির্দেশের জন্য জবাবদিহিতার আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। এদিকে, কানাডাভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ‘গ্লোবাল অ্যালায়েন্স এগেইনস্ট অ্যাট্রোসিটি অ্যান্ড ভায়োলেন্স অন হিউম্যানিটি’ (GA3VH) এই নির্দেশে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি অবিলম্বে এই ‘দেখামাত্র গুলি’র নীতি পর্যালোচনা করার জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। GA3VH জোর দিয়ে বলেছে, অপরাধ দমনের যেকোনো পদক্ষেপ অবশ্যই আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন মেনে
চলতে হবে এবং নিরীহ নাগরিকদের জীবন বিপন্ন করা যাবে না।



