গণতন্ত্র নয়, লুটতন্ত্র, বিএনপির তারেক রহমানকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভয়ংকর অভিযোগ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫

গণতন্ত্র নয়, লুটতন্ত্র, বিএনপির তারেক রহমানকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভয়ংকর অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫ |
একটি ফাঁস হওয়া মার্কিন কূটনৈতিক কেবল বাংলাদেশের রাজনীতিকে আর কোনো রাখঢাক ছাড়াই অভিযুক্ত করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন রাষ্ট্রদূত জেমস এফ. মরিয়ার্টির স্বাক্ষরিত এই নথিতে তারেক রহমানকে কেবল একজন দুর্নীতিবাজ রাজনীতিক নয়, বরং রাষ্ট্রীয় লুটপাটের কেন্দ্রীয় চরিত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ভাষা অস্পষ্ট নয়—তারেক রহমানকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বার্থের জন্য হুমকি বলা হয়েছে। কেবলটিতে যে চিত্র উঠে এসেছে, তা একটি সম্পূর্ণ মাফিয়া-স্টাইল শাসনব্যবস্থার প্রতিচ্ছবি। সরকারি নিয়োগ, ঠিকাদারি, ব্যবসায়িক অনুমোদন—সবকিছুই চলত ‘তারেকের রেট’ অনুযায়ী। ক্ষমতার ছায়ায় দাঁড়িয়ে চাঁদাবাজি, ঘুষ আর ভয় দেখানো ছিল নিয়মিত কার্যক্রম। এই কারণেই কেবলটিতে তাকে বাংলাদেশের ক্লেপ্টোক্র্যাটিক রাজনীতির প্রতীক বলা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্ত অনুযায়ী, তারেক রহমান শত শত মিলিয়ন ডলারের

অবৈধ সম্পদের মালিক। সিমেন্স থেকে শুরু করে চীনা হারবিন কোম্পানি—বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো পর্যন্ত তার দুর্নীতির শিকার হয়েছে। শুধু অর্থ লুট নয়, তিনি বিচার ব্যবস্থাকেও কিনে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। একটি খুন মামলা ধামাচাপা দিতে ২১ কোটি টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার কফিনে শেষ পেরেকের মতো। সবচেয়ে ভয়াবহ অধ্যায়টি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট। এতিম শিশুদের নামে গঠিত একটি তহবিল থেকে কোটি টাকা আত্মসাৎ—এটি কেবল আর্থিক অপরাধ নয়, এটি মানবিকতার বিরুদ্ধে অপরাধ। রাজনৈতিক ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে এতিমের অর্থ ব্যবহার—এর চেয়ে নৈতিক দেউলিয়াপনার বড় উদাহরণ আর হতে পারে না। মার্কিন দূতাবাসের ভাষায়, তারেক রহমানের দুর্নীতি বাংলাদেশে গণতন্ত্র ধ্বংস করেছে, আইনের শাসনকে পিষে ফেলেছে এবং সাধারণ মানুষের আস্থাকে

ছিন্নভিন্ন করেছে। দুর্নীতির এই সংস্কৃতি বিনিয়োগ হত্যা করেছে, দারিদ্র্য গভীর করেছে এবং উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসের জন্য উর্বর জমি তৈরি করেছে—যার দায় কোনোভাবেই এড়ানো যায় না। এই বাস্তবতায় যুক্তরাষ্ট্র তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন আইন ২১২(f) ধারা প্রয়োগের সুপারিশ করে—অর্থাৎ তাকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনার প্রস্তাব দেয়। এটি কোনো কূটনৈতিক আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি একটি আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক অভিযোগপত্র। আজ বাংলাদেশের সামনে প্রশ্ন একটাই—যাকে একটি বৈশ্বিক শক্তি রাষ্ট্রীয় দুর্নীতির মুখ হিসেবে নথিভুক্ত করেছে, তাকে কি গণতন্ত্রের রক্ষক হিসেবে হাজির করা যায়? অপরাধকে যদি আবারও রাজনীতির বৈধতা দেওয়া হয়, তবে এই দেশের ভবিষ্যৎ আর গণতন্ত্রের হাতে থাকবে না—থাকবে চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজ আর ক্ষমতার দালালদের দখলে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
শিশু থেকে শখের বাইক ট্র্যাক করুন স্বল্প খরচে খুনের মতো গুরুতর অপরাধ বেড়েছে নওগাঁয় চারজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় মামলা শক্তিশালী হলে শিবির সন্ত্রাসের বীজ বপন করে: নাছির ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ নষ্টের অপচেষ্টা চালাচ্ছে: জামায়াত কাশি কমছে না? কারণ জেনে নিন হাম: জানতে হবে যে সব বিষয় লন্ডন উৎসবে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’ বাংলাদেশকে হারিয়ে সিরিজ সমতায় ফিরল শ্রীলংকা এবার দুইটি কার্গো জাহাজ জব্দ করল ইরান হাম উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ এবার এনসিপির নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র বাতিল আইনি মারপ্যাঁচে আসন হারাতে পারেন জামায়াত জোটের প্রার্থী বিএনপির মনোনয়ন পেলেন না সেই ফারজানা সিঁথি ইসলামাবাদে ইরানের প্রতিনিধি পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়নি: বাঘেই ৩৬ বছর আগে প্রতিবেশীকে পুড়িয়া হত্যা: মৃত্যুদণ্ড কার্যকর ইসরায়েলের সঙ্গে চুক্তি বাতিলে ইইউকে আহ্বান ৩ দেশের আরব আমিরাতের সঙ্গে মুদ্রা বিনিময়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত ট্রাম্পের ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির সময় বাড়াতে চান না প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প