ক্ষমতার লোভে ইতিহাস স্বীকারের ভান: জামায়াতের ‘ক্ষমা’ নয়, এটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক প্রতারণা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

ক্ষমতার লোভে ইতিহাস স্বীকারের ভান: জামায়াতের ‘ক্ষমা’ নয়, এটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক প্রতারণা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ |
অবশেষে সত্য আর চাপা থাকল না। দীর্ঘ ৫৪ বছর ধরে মিথ্যা, অস্বীকার ও ইতিহাস বিকৃতির আশ্রয় নেওয়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রকাশ্যে স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে—তারা মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী ছিল। শুধু বিরোধিতাই নয়, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সহযোগী হিসেবে হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট ও রাহাজানির মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গেও তাদের প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতা ছিল—এই বাস্তবতা আজ আর অস্বীকার করার সুযোগ নেই। এই স্বীকারোক্তি কোনো নৈতিক অনুশোচনা বা আত্মশুদ্ধির ফল নয়। এটি নিছকই ক্ষমতা হারানোর আতঙ্কে জন্ম নেওয়া একটি রাজনৈতিক কৌশল। সামনে জাতীয় নির্বাচন—আর সেই নির্বাচনকে পুঁজি করেই জামায়াত নতুন নাটক মঞ্চস্থ করেছে। দেশের মানুষের সামনে ‘ক্ষমা চাওয়ার’ অভিনয় করে নিজেদের রাজনৈতিক পুনর্বাসনের পথ

খুঁজছে দলটি। প্রশ্ন হলো—যে দল স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে, শহীদের রক্তকে অস্বীকার করেছে, তারা কোন নৈতিক অধিকার নিয়ে ক্ষমার কথা বলে? ১৯৭১ সালে আল-বদর ও আল-শামসের মতো ঘাতক বাহিনীর নেপথ্যের আদর্শিক ও সাংগঠনিক শক্তি ছিল জামায়াত। বুদ্ধিজীবী হত্যার নীলনকশা, গণহত্যার সহযোগিতা, মা-বোনদের ওপর পাশবিক নির্যাতন—এই সব অপরাধ ইতিহাসের পাতায়, আন্তর্জাতিক গবেষণায় এবং বিচারিক নথিতে স্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ। এগুলো কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়ে মুছে ফেলা যায় না। আজ তারা ক্ষমা চায়—কিন্তু কিসের জন্য? রাষ্ট্রের কাছে অপরাধ স্বীকার করে আত্মসমর্পণের জন্য নয়, বরং ভোটের অঙ্ক কষে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর জন্য। এটি ক্ষমা নয়; এটি জাতির সঙ্গে প্রতারণা। শহীদের রক্তকে নির্বাচনী কৌশলের হাতিয়ার বানানোর ঘৃণ্য অপচেষ্টা। মুক্তিযুদ্ধ কোনো

দরকষাকষির বিষয় নয়। গণতন্ত্রের নামে যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া মানে জাতির ইতিহাসের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা। যারা রাষ্ট্রের জন্মের বিরোধিতা করেছে, তাদের জন্য গণতন্ত্রের দরজা খোলা থাকতে পারে না—এটাই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিগুলোর স্পষ্ট অবস্থান। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকৃত ক্ষমা চাইতে হলে শুধু বক্তব্য নয়—ইতিহাসের পূর্ণ স্বীকৃতি, অপরাধের দায় গ্রহণ এবং রাষ্ট্র ও জাতির কাছে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ অপরিহার্য। অথচ জামায়াত আজও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মেনে নেয়নি; বরং ক্ষমতায় ফেরার আশায় জনগণের আবেগকে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। বাংলাদেশের মানুষ ইতিহাস জানে, অপরাধীদের চিনে। সময়ের বিচারে ইতিহাস কাউকে ছাড় দেয় না। সেই বিচারের কাঠগড়াতেই জামায়াতকে বারবার দাঁড়াতে হবে—যেখানে তাদের প্রকৃত পরিচয় নগ্ন সত্য হয়ে প্রকাশ পায়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
কে এই জার্মান মডেল? যার ছবিতে ‘লাইক’ দিয়ে আলোচনায় কোহলি বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় লাফ, ধস নেমেছে শেয়ার বাজারে ডার্ক ওয়েবে মিলছে টেলিটকের তথ্য রাষ্ট্রপতির হার্টে ব্লক শনাক্ত, বসানো হয়েছে রিং যুদ্ধ শেষ হলেই কমবে মুদ্রাস্ফীতি, তেলের বাজার হবে নিম্নমুখী: ট্রাম্প ভরসার মানুষই ভয়ংকর! বেসরকারি খাতে কয়লা বিক্রির সিদ্ধান্ত জাতীয় পেনশন স্কিমে ৩২ মাসে যুক্ত হয়েছে ৩.৭৭ লাখ মানুষ, জমা ২৫৫ কোটি ১৬ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠানের ওপর আরব আমিরাতের নিষেধাজ্ঞা ভিসা আবেদনকারীদের জন্য নতুন নির্দেশনা সারা দেশে টানা ৫ দিন ভারি বৃষ্টির আভাস ঈদযাত্রার অগ্রিম টিকিট নিয়ে রেলওয়ের জরুরি বার্তা ‘একটু বিস্কুট দে ভাই, ক্ষুধা লাগছে’ মায়ানমার সীমান্তে নতুন অস্বস্তি: বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত, আরাকান নেতার বিতর্কিত মানচিত্র ঘিরে উদ্বেগ আলুটিলা পাহাড় ইসলামীকরণ: পর্যটন স্থানে জমি দখলের করে ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণ; জেলা প্রশাসকের সায় যশোরে পিস্তল, গুলি ও গাঁজাসহ যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আটক নিষেধাজ্ঞায় কর্মহীন সাতক্ষীরার লাখো জেলে, পরিবার নিয়ে দুর্ভোগে বরগুনায় ছাত্রলীগ নেতার পিতাকে পিটিয়ে হত্যা ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটঃ আসন্ন বাজেটে মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় অগ্রিম আয়করের প্রস্তাব রাজবন্দির মুক্তির দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রাজপথ কাঁপিয়ে ছাত্রলীগের মহড়া