ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ট্রাম্প-এরদোগান ফোনালাপ, কথা হলো যেসব বিষয়ে
ইউরেনিয়াম বিদেশে যাবে না, মোজতবা খামেনির নির্দেশ
ধারণার চেয়েও দ্রুত সামরিক সক্ষমতা ও ড্রোন উৎপাদন বাড়াচ্ছে ইরান
নানা কৌশলেও হরমুজ সচল করতে পারেনি আমেরিকা, দাবি ইরানের
হরমুজে জাহাজ চলাচলে নতুন শর্ত আরোপ করল ইরান
বাংলাদেশ বিমানবাহিনীতে টিটিপি-আইএসআইএস-কে’র গোপন নেটওয়ার্ক! পেশোয়ার থেকে সতর্কতা!
ভদকা, বুলেট ট্রেন ও রান্না: যেভাবে গড়ে ওঠে শি-পুতিনের বন্ধুত্ব
কবে হরমুজ প্রণালি খোলা হবে জানাল ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাকিস্তানে অনুষ্ঠেয় বৈঠকের আগে একটি যুদ্ধবিরতি কাঠামো চূড়ান্ত হলে আগামীকাল বৃহস্পতি বা পরদিন শুক্রবার হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে পারে তেহরান।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন ইরানের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।
যুদ্ধের সময় ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিলে বিশ্বজুড়ে তেল ও গ্যাসের বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি সমঝোতার অংশ হিসেবে তেহরান এই প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচলের অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে।
রয়টার্সকে ওই কর্মকর্তা আরও জানান, ইরানের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করেই এই নৌপথ পুনরায় খুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে আছে। সমুদ্রপথ পর্যবেক্ষণের তথ্য বলছে, যুদ্ধের আগে
যত জাহাজ চলাচল করত, এখন তার মাত্র পাঁচ শতাংশ পার হতে পারছে। তবে কিছু ট্যাংকার চলাচল করতে পেরেছে। পাকিস্তান ও ভারত তাদের পতাকাবাহী কিছু জাহাজের নিরাপদ যাতায়াতের জন্য ইরানের সঙ্গে আলাদা চুক্তি করেছে। তবে আজ থেকে হরমুজ প্রণালিতে শর্তসাপেক্ষে জাহাজ চলাচল করতে পারবে। সেক্ষেত্রে ট্রানজিট ফি গুণতে হবে সবাইকে। ইরান এই ফি নেবে, সঙ্গে থাকবে ওমানও। জানা গেছে, ইরান প্রতিটি জাহাজের কাছ থেকে ২০ লাখ ডলার পর্যন্ত ফি নিচ্ছে। তবে কোনো জাহাজ মালিক এই ফি দিয়েছেন কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়।
যত জাহাজ চলাচল করত, এখন তার মাত্র পাঁচ শতাংশ পার হতে পারছে। তবে কিছু ট্যাংকার চলাচল করতে পেরেছে। পাকিস্তান ও ভারত তাদের পতাকাবাহী কিছু জাহাজের নিরাপদ যাতায়াতের জন্য ইরানের সঙ্গে আলাদা চুক্তি করেছে। তবে আজ থেকে হরমুজ প্রণালিতে শর্তসাপেক্ষে জাহাজ চলাচল করতে পারবে। সেক্ষেত্রে ট্রানজিট ফি গুণতে হবে সবাইকে। ইরান এই ফি নেবে, সঙ্গে থাকবে ওমানও। জানা গেছে, ইরান প্রতিটি জাহাজের কাছ থেকে ২০ লাখ ডলার পর্যন্ত ফি নিচ্ছে। তবে কোনো জাহাজ মালিক এই ফি দিয়েছেন কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়।



