ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
থানা পোড়ানো, পুলিশ হত্যাকারী সেই সমন্বয়ক মাহদী এখন মবের ভয়ে থানায় আশ্রয়ের সন্ধানে
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
এবার বন্ধ হয়ে গেল দেশের একমাত্র ডিএপি সার কারখানাটিও
জ্বালানিসহ বিভিন্ন সংকটে ইতিমধ্যে দেশের প্রায় সব ক’টি সার কারখানা বন্ধ হয়ে গেলেও ধুঁকছিল দেশের একমাত্র ও রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট (ডিএপি) সার কারখানাটি। এবার সেডিটও বন্ধ হয়ে গেল।
জানা গেল, অ্যামোনিয়ার সংকটে উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে কারখানাটি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কারখানার ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) ও বিভাগীয় প্রধান (প্রশাসন) আলমগীর জলিল।
গতকাল ১৮ই এপ্রিল, শনিবার রাতে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় অবস্থিত কারখানাটির অ্যামোনিয়ার মজুদ শেষ হয়ে গেলে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।
এর আগে জ্বালানি সংকটে বন্ধ হয়ে যায় রাষ্ট্রয়াত্ব সার কারখানা চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং বহুজাতিক কোম্পানির সার কারখানা কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)।
কারখানা সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ঠা মার্চ
গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-এর ইউরিয়া ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ডিএপি কারখানাটি এই দুই প্রতিষ্ঠান থেকেই অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ওই দুটি কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকেই ডিএপিএফসিএলের কাঁচামাল সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ে। সংকট মোকাবিলায় মজুদ অ্যামোনিয়া দিয়ে কিছুদিন উৎপাদন চালু রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত তা ফুরিয়ে গেলে উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন দুটি ইউনিট রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে এটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। কারখানাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক
মঈনুল হক জানান, সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গত ৪ঠা মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। তবে মজুদ দিয়ে এতদিন উৎপাদন চালু রাখা হয়েছিল, এখন তা শেষ। নতুন করে অ্যামোনিয়া সরবরাহ শুরু না হলে উৎপাদন পুনরায় চালু করা সম্ভব নয়। এদিকে সার কারখানাগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে শঙ্কার ছায়া নেমে এসেছে কৃষি উৎপাদন খাতে। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশের অনাগত ভবিষ্যৎ নিয়ে কৃষি সংশ্লিষ্ঠদের মনে দুশ্চিন্তার কলো মেঘ। জ্বালানি সংকটে সেচ ব্যাহত, সারের অভাবে বন্ধ চাষাবাদ। এমতাবস্থায় শস্য উৎপাদন কমতে পারে অন্তত ২৫%, ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, চাহিদা পূরণ করতে আমদানিনির্ভরতায় ঝুঁকতে হবে বাংলাদেশকে। যা মঙ্গার দিকে টেনে নিয়ে যেতে পারে দেশকে,
পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ না ঘটলে।
গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-এর ইউরিয়া ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ডিএপি কারখানাটি এই দুই প্রতিষ্ঠান থেকেই অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ওই দুটি কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকেই ডিএপিএফসিএলের কাঁচামাল সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ে। সংকট মোকাবিলায় মজুদ অ্যামোনিয়া দিয়ে কিছুদিন উৎপাদন চালু রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত তা ফুরিয়ে গেলে উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন দুটি ইউনিট রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে এটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। কারখানাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক
মঈনুল হক জানান, সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গত ৪ঠা মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। তবে মজুদ দিয়ে এতদিন উৎপাদন চালু রাখা হয়েছিল, এখন তা শেষ। নতুন করে অ্যামোনিয়া সরবরাহ শুরু না হলে উৎপাদন পুনরায় চালু করা সম্ভব নয়। এদিকে সার কারখানাগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে শঙ্কার ছায়া নেমে এসেছে কৃষি উৎপাদন খাতে। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশের অনাগত ভবিষ্যৎ নিয়ে কৃষি সংশ্লিষ্ঠদের মনে দুশ্চিন্তার কলো মেঘ। জ্বালানি সংকটে সেচ ব্যাহত, সারের অভাবে বন্ধ চাষাবাদ। এমতাবস্থায় শস্য উৎপাদন কমতে পারে অন্তত ২৫%, ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, চাহিদা পূরণ করতে আমদানিনির্ভরতায় ঝুঁকতে হবে বাংলাদেশকে। যা মঙ্গার দিকে টেনে নিয়ে যেতে পারে দেশকে,
পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ না ঘটলে।



