ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সড়ক ছেড়ে তেলের পাম্পের লাইন সামলাচ্ছে ট্রাফিক পুলিশ, জ্বালানি সংকটে নতুন চাপে দায়িত্বশীলরা
হামের টিকা অব্যবস্থাপনা: অন্তর্বর্তী সরকারের পাশাপাশি আওয়ামী সরকারের ঘাড়েও দায় চাপালেন তারেক রহমান
লোডশেডিংয়ে আঁধারে ডুবেছে চট্টগ্রাম: ১০ কেন্দ্রে উৎপাদন বন্ধ, নাকাল জনজীবন
ড. ইউনূসের ‘সর্বনাশা’ বাণিজ্য চুক্তি: দেশের সার্বভৌমত্ব কি হুমকির মুখে?
রেকর্ড লোডশেডিং: গরমে বিপর্যস্ত দেশবাসী
শান্তি ফোরামে যোগ দিতে সেনেগালে গেলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
ঢাকা আসছেন মার্কিন বিশেষ দূত চার্লস জে. হার্ডার
একে একে মার্কিন বিজ্ঞানীর রহস্যজনক মৃত্যু, নিযুক্ত ছিলেন বিভিন্ন স্পর্শকাতর প্রকল্পে
যুক্তরাষ্ট্রে মহাকাশ ও পারমাণবিক গবেষণার সঙ্গে যুক্ত বিজ্ঞানীদের একের পর এক রহস্যজনক মৃত্যু ও নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এ বিষয়টি নিয়ে সরাসরি মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, খুব শিগগিরই এ রহস্যের স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যেতে পারে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সাল থেকে অন্তত ৯ থেকে ১০ জন বিজ্ঞানী অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন। এদের বেশিরভাগই মহাকাশ প্রযুক্তি, পারমাণবিক অস্ত্র গবেষণা এবং উন্নত বৈজ্ঞানিক প্রকল্পে যুক্ত ছিলেন। কয়েকটি ঘটনা ঘিরে সন্দেহ তৈরি হয়েছে, কারণ সেগুলো পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করা যাচ্ছে না।
এই ঘটনাগুলো পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প আশাবাদ প্রকাশ
করে বলেন- হতে পারে এটি কাকতালীয়। তবে আগামী এক থেকে দেড় সপ্তাহের মধ্যেই বিষয়টি পরিষ্কার হতে পারে। তিনি জানান, এ নিয়ে ইতোমধ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকও হয়েছে। হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, নিহত বা নিখোঁজদের মধ্যে কয়েকজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ছিলেন। ফলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং দ্রুতই একটি নির্ভরযোগ্য সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর চেষ্টা চলছে। বার্তাসংস্থা আনাদলু এজেন্সি এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে নিখোঁজ বা মৃত ব্যক্তিরা যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এর মধ্যে রয়েছে নাসা, এমআইটি ন্যাশনাল ল্যাবরেটরিতে তারা কর্মরত ছিলেন। এসব প্রতিষ্ঠান পারমাণবিক অস্ত্র উন্নয়ন, মহাকাশ প্রযুক্তি এবং ভবিষ্যৎ জ্বালানি নিয়ে কাজ করে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনেক কর্মকর্তা এবং বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, ঘটনাগুলোর মধ্যে সংগঠিত কোনো যোগসূত্রের প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। হাভার্ড ইউনিভার্সিটির পদার্থবিজ্ঞানী আভি লোয়েব বলেন, প্রতিটি ঘটনা আলাদাভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন এবং এগুলোকে বড় কোনো ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখার আগে সতর্ক থাকা উচিত। এদিকে ইন্ডিয়া টুডে জানায়, অনেক নিখোঁজ বিজ্ঞানী বাসা থেকে বের হওয়ার সময় মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র রেখে গিয়েছিলেন। এছাড়া কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে সহিংস বা রহস্যজনক পরিস্থিতিতে। সাবেক এফবিআই কর্মকর্তা ক্রিস বলেন, গুপ্তচরবৃত্তি বা লক্ষ্য করে অপহরণের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। ফলে সংবেদনশীল তথ্যের সঙ্গে যুক্ত বিজ্ঞানীদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
করে বলেন- হতে পারে এটি কাকতালীয়। তবে আগামী এক থেকে দেড় সপ্তাহের মধ্যেই বিষয়টি পরিষ্কার হতে পারে। তিনি জানান, এ নিয়ে ইতোমধ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকও হয়েছে। হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, নিহত বা নিখোঁজদের মধ্যে কয়েকজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ছিলেন। ফলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং দ্রুতই একটি নির্ভরযোগ্য সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর চেষ্টা চলছে। বার্তাসংস্থা আনাদলু এজেন্সি এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে নিখোঁজ বা মৃত ব্যক্তিরা যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এর মধ্যে রয়েছে নাসা, এমআইটি ন্যাশনাল ল্যাবরেটরিতে তারা কর্মরত ছিলেন। এসব প্রতিষ্ঠান পারমাণবিক অস্ত্র উন্নয়ন, মহাকাশ প্রযুক্তি এবং ভবিষ্যৎ জ্বালানি নিয়ে কাজ করে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনেক কর্মকর্তা এবং বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, ঘটনাগুলোর মধ্যে সংগঠিত কোনো যোগসূত্রের প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। হাভার্ড ইউনিভার্সিটির পদার্থবিজ্ঞানী আভি লোয়েব বলেন, প্রতিটি ঘটনা আলাদাভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন এবং এগুলোকে বড় কোনো ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখার আগে সতর্ক থাকা উচিত। এদিকে ইন্ডিয়া টুডে জানায়, অনেক নিখোঁজ বিজ্ঞানী বাসা থেকে বের হওয়ার সময় মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র রেখে গিয়েছিলেন। এছাড়া কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে সহিংস বা রহস্যজনক পরিস্থিতিতে। সাবেক এফবিআই কর্মকর্তা ক্রিস বলেন, গুপ্তচরবৃত্তি বা লক্ষ্য করে অপহরণের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। ফলে সংবেদনশীল তথ্যের সঙ্গে যুক্ত বিজ্ঞানীদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।



