ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কান উৎসবে প্রাধান্য পাচ্ছেন স্বাধীন নির্মাতারা
দেশে মজুত গ্যাস দিয়ে ১২ বছর পর্যন্ত চাহিদা মেটানো সম্ভব: জ্বালানিমন্ত্রী
২ টাকা ১২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ৫ পয়সা করার প্রস্তাব
শেখ মুজিবকে প্রাপ্ত সম্মান দিতে হবে: শাহাদাত হোসেন
এবার বন্ধ হয়ে গেল দেশের একমাত্র ডিএপি সার কারখানাটিও
তথ্য অধিদপ্তরের নির্দেশে স্ক্রল আকারে সংবাদ প্রকাশের সমালোচনায় সাংবাদিক সায়ের
কূটনীতিকের বদলে রাজনীতিবিদ: ঢাকায় দিল্লির দূত হিসেবে আসছেন দীনেশ ত্রিবেদী
উৎপাদন বন্ধ হয়ে অচল দেশের সার কারখানাগুলো, আমদানি নির্ভরতায় বাংলাদেশ: জানালেন শিল্পমন্ত্রী
বিশ্বে চলমান বিভিন্ন যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দেশে সব ইউরিয়া সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। ফলে বর্তমানে কেবল ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিই উৎপাদনে রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির।
আজ ১৯শে এপ্রিল, রোববার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে তিনি এ তথ্য জানান।
অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
শিল্পমন্ত্রী বলেন, “বর্তমানে বিশ্বে চলমান বিভিন্ন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সবগুলো ইউরিয়া সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।”
তিনি জানান, উৎপাদন ঘাটতি মোকাবিলায় সরকার আমদানির ওপর জোর দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে জিটুজি (সরকার থেকে সরকার) চুক্তির আওতায় সাবিক সৌদি আরব থেকে অতিরিক্ত ২
লাখ মেট্রিক টন, ফার্টিগ্রোব, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ১ লাখ মেট্রিক টন এবং আন্তর্জাতিক কোটেশন পদ্ধতিতে আরও ৪ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া তিনি বলেন, “জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে ১লা মে হতে শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড এ গ্যাস সরবরাহ পাওয়া গেলে সার কারখানাটি চালু করা সম্ভব হবে।” শিল্প খাতে ব্যবহৃত জ্বালানি ও কাঁচামাল সংগ্রহেও জিটুজি পদ্ধতি ও টেন্ডারের মাধ্যমে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে টিএসপি ও ডিএপি সার উৎপাদনের কাঁচামাল—রক ফসফেট, ফসফরিক অ্যাসিড ও সালফারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে মরক্কো, জর্ডান, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন ও মালয়েশিয়া থেকে আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন
শিল্পমন্ত্রী।
লাখ মেট্রিক টন, ফার্টিগ্রোব, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ১ লাখ মেট্রিক টন এবং আন্তর্জাতিক কোটেশন পদ্ধতিতে আরও ৪ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া তিনি বলেন, “জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে ১লা মে হতে শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড এ গ্যাস সরবরাহ পাওয়া গেলে সার কারখানাটি চালু করা সম্ভব হবে।” শিল্প খাতে ব্যবহৃত জ্বালানি ও কাঁচামাল সংগ্রহেও জিটুজি পদ্ধতি ও টেন্ডারের মাধ্যমে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে টিএসপি ও ডিএপি সার উৎপাদনের কাঁচামাল—রক ফসফেট, ফসফরিক অ্যাসিড ও সালফারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে মরক্কো, জর্ডান, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন ও মালয়েশিয়া থেকে আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন
শিল্পমন্ত্রী।



