ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ থেকে এখন বিশ্বের তীব্র খাদ্য সংকটের শীর্ষ ১০ দেশের একটি বাংলাদেশ
টিটিপির নিশানায় বাংলাদেশ: সারাদেশে ‘রেড অ্যালার্ট
সংসদসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিষিদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠীর সম্ভাব্য সমন্বিত হামলার সতর্কতা জারি করেছে পুলিশ
বহুমুখী সংকটে শিল্পখাত, টিকে থাকার লড়াইয়ে ধুঁকছে সিমেন্টসহ উৎপাদন খাত
ইউএন টর্চার এক্সপার্ট এখনো জুলাই’২০২৪-এ আটকেঃ অ্যালিস এডওয়ার্ডস অ্যাকটিভিস্টদের মতামত প্রকাশে বাধা দিলেন
চকরিয়ায় রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় বন ও নদীখেকোদের মহোৎসব: অসহায় বনবিভাগ
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে উত্তেজনা: টিটিপির সঙ্গে যোগসূত্রের অভিযোগে একাধিক কর্মী আটক, অনেকে পালিয়েছে বিদেশে
ইউনূস সরকারের নিষ্ক্রিয়তা: পানির নিচে আড়াই হাজার হেক্টর জমি, দুশ্চিন্তায় কৃষক
কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে সরকারের নিষ্ক্রিয়তা আড়াই হাজার হেক্টর জমি দীর্ঘদিন ধরে পানির নিচে থাকায় বোরো মৌসুমের বীজতলা তৈরি করতে পারছেন না স্থানীয় কৃষকেরা। পানি নিষ্কাশনের উদ্যোগ না নেওয়ায় কলমা, আদমপুর ও পূর্ব অষ্টগ্রাম ইউনিয়নের হাজারো কৃষক এখন চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে আছেন।
বছরের এই সময়ে যেখানে কৃষকদের বীজতলা তৈরিতে ব্যস্ত থাকার কথা, সেখানে এবার হাওরের বিভিন্ন এলাকায় দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, অষ্টগ্রামের বাদাঘাট থেকে চার কিলোমিটার এলাকাজুড়ে পলি জমে বৈঠাখালি নদীর পথ ভরাট হয়ে গেছে। এর ফলে সাতটি মৌজার প্রায় ২ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে পানি আটকে থেকে চাষাবাদ ব্যাহত হচ্ছে।
কলমা গ্রামের কৃষক বরীন্দ্র দাস বলেন, “নদীটা যদি খনন না করা হয়,
তাহলে না খেয়ে থাকতে হবে। আমাদের সবই কৃষিনির্ভর।” একই এলাকার কৃষক দীপংকর দাস বলেন, “অন্যান্য বছর এই সময়ে জমি শুকনা থাকে। এবার কোথাও হাটু, কোথাও কোমর পানি। ঋণ করে বর্গা জমি নিয়েছি, কিন্তু কিছুই করতে পারছি না।” আরেক কৃষক নিখিল দাস বলেন, “এই সময় হাওরে কাজ থাকে। কিন্তু পানি না নামায় কাজ না পেয়ে বাড়িতে ফিরে থাকতে হচ্ছে।” আদমপুর গ্রামের কৃষক হাবিবুর রহমানের অভিযোগ, “পানি না নামলে বীজতলা বানানো সম্ভব না। চাষও করা যাবে না। ইকুরদিয়া নদী খনন না করলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।” একই এলাকার কৃষক আলী আক্কাছ বলেন, “জলাবদ্ধতায় পাঁচ হাজার একরের বেশি জমি ডুবে আছে। অনেকেই চাষাবাদ বাদ দিতে বাধ্য হচ্ছেন।
এতে হাওরের বড় ক্ষতি হবে।” অষ্টগ্রাম উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অভিজিৎ সরকার বলেন, “পলি পড়ে বৈঠাখালি নদীর মুখ ভরাট হওয়ায় জলাবদ্ধতা দীর্ঘায়িত হয়েছে। এতে আড়াই হাজার হেক্টর জমির বোরো আবাদ হুমকির মুখে।” তিনি জানান, এ জমিগুলো থেকে ৩০ থেকে ৩৬ হাজার মেট্রিকটন ধান উৎপন্ন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না হলে কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি হবে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিলশাদ জাহান বলেন, “বিষয়টি নজরে এসেছে। দ্রুত পানি নিষ্কাশন ও চাষাবাদের উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তাহলে না খেয়ে থাকতে হবে। আমাদের সবই কৃষিনির্ভর।” একই এলাকার কৃষক দীপংকর দাস বলেন, “অন্যান্য বছর এই সময়ে জমি শুকনা থাকে। এবার কোথাও হাটু, কোথাও কোমর পানি। ঋণ করে বর্গা জমি নিয়েছি, কিন্তু কিছুই করতে পারছি না।” আরেক কৃষক নিখিল দাস বলেন, “এই সময় হাওরে কাজ থাকে। কিন্তু পানি না নামায় কাজ না পেয়ে বাড়িতে ফিরে থাকতে হচ্ছে।” আদমপুর গ্রামের কৃষক হাবিবুর রহমানের অভিযোগ, “পানি না নামলে বীজতলা বানানো সম্ভব না। চাষও করা যাবে না। ইকুরদিয়া নদী খনন না করলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।” একই এলাকার কৃষক আলী আক্কাছ বলেন, “জলাবদ্ধতায় পাঁচ হাজার একরের বেশি জমি ডুবে আছে। অনেকেই চাষাবাদ বাদ দিতে বাধ্য হচ্ছেন।
এতে হাওরের বড় ক্ষতি হবে।” অষ্টগ্রাম উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অভিজিৎ সরকার বলেন, “পলি পড়ে বৈঠাখালি নদীর মুখ ভরাট হওয়ায় জলাবদ্ধতা দীর্ঘায়িত হয়েছে। এতে আড়াই হাজার হেক্টর জমির বোরো আবাদ হুমকির মুখে।” তিনি জানান, এ জমিগুলো থেকে ৩০ থেকে ৩৬ হাজার মেট্রিকটন ধান উৎপন্ন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না হলে কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি হবে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিলশাদ জাহান বলেন, “বিষয়টি নজরে এসেছে। দ্রুত পানি নিষ্কাশন ও চাষাবাদের উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”



