ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মধ্যরাতে কিয়েভে রাশিয়ার ভয়াবহ হামলা, নিহত ১৭
তিন বছর পর ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিলিস্তিনের সাবেক মন্ত্রীর পরিবারের ১১২ জনের লাশ উদ্ধার
যুক্তরাষ্ট্র কেন জাপানি মুদ্রার পতন ঠেকাতে চাইছে?
হলুদ সাংবাদিকতার দায়ে পাকিস্তানে নিষিদ্ধ হলো আলজাজিরা
মার্কিন স্যাংশন ও ট্যারিফের রাজনীতিতে রাজনীতি নেই, আছে শোষণ ও বিশ্বগ্রাসের বাসনা
ভারতে চাকরির পরীক্ষা যেভাবে ক্ষোভের কারণ
ইরানকে শাস্তি দিতে ‘সৃজনশীল উপায়’ খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র
ইউক্রেন-রাশিয়া আকাশ ও সমুদ্র যুদ্ধে নতুন মোড়
ইউক্রেন যুদ্ধের আকাশপথের লড়াইয়ে সম্প্রতি বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে, যা পুরো যুদ্ধের গতিপথকে প্রভাবিত করছে। মার্চ মাসের পর থেকে ইউক্রেন রাশিয়ার তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি ড্রোন হামলা চালাতে সক্ষম হয়েছে। সাম্প্রতিক ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার ভেতরে ১৮টি আলাদা অঞ্চলে (ওবলাস্ত) হামলা চালিয়েছে, যা মূলত উরাল পর্বতমালার পশ্চিমে পুরো রাশিয়া জুড়ে বিস্তৃত।
ওয়াইল্ডবেরিজ গুদামে হামলা
তদন্তে দেখা গেছে, রাশিয়ার অনলাইন খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ওয়াইল্ডবেরিজ—যাকে “রাশিয়ার আমাজন” বলা হয়—এর বিশাল গুদামগুলো একের পর এক হামলার শিকার হচ্ছে। এসব গুদামে ছোট ও মাঝারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বিপুল পরিমাণ পণ্য মজুত থাকে। ক্রিমিয়া এবং নভোরোসিস্ক পর্যন্ত এই হামলা ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে ওয়াইল্ডবেরিজ কর্তৃপক্ষ এখন ২০২৭-২৮
সালের মধ্যে কাজাখস্তানে নতুন গুদাম স্থাপনের কথা ভাবছে—যা ইঙ্গিত দেয় যে প্রতিষ্ঠানটি নিজেই মনে করছে এই যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হচ্ছে না। ইউক্রেনের দাবি, ওয়াইল্ডবেরিজ সামরিক সরঞ্জামের যন্ত্রাংশ সরবরাহে জড়িত বলেই তারা এটিকে লক্ষ্যবস্তু করছে, যদিও এই যুক্তি বিতর্কিত—কারণ বর্তমান সামরিক সরঞ্জামে বেসামরিক যন্ত্রাংশের ব্যবহার ব্যাপক। সৈকতে ড্রোন বিপর্যয় একটি দুঃখজনক ঘটনায়, কৃষ্ণ সাগর তীরবর্তী জনপ্রিয় ছুটি কাটানোর স্থান আনাপা-ওজিপোভকায় একটি ইউক্রেনীয় ড্রোন সৈকতে গিয়ে পড়ে। ভূমি থেকে গুলি করে ড্রোনটি নামানো হলেও এটি সৈকতে আছড়ে পড়ে প্রাণহানি ও আহতের ঘটনা ঘটায়। বিশ্লেষকদের মতে, ড্রোনটি সম্ভবত ভিন্ন কোনো লক্ষ্যবস্তুর উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছিল, কিন্তু গুলিবিদ্ধ হয়ে পথ পরিবর্তন করে সৈকতে পড়ে যায়—এই দায় রাজনৈতিকভাবে
ইউক্রেনের জন্য বেশ অস্বস্তিকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। জবাবে রাশিয়া সুমি, নিপ্রো, মাইকোলাইভ ও বেলগোরোদ অঞ্চলে ব্যাপক পাল্টা হামলা চালিয়েছে, যাতে বহু হতাহতের খবর পাওয়া গেছে। আজভ সাগরে ইউক্রেনের সাফল্য, কৃষ্ণ সাগরে নতুন ঝুঁকি গত কয়েক সপ্তাহে ইউক্রেন আজভ সাগরে রুশ জাহাজের বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে—তাদের দাবি অনুযায়ী শতাধিক রুশ জাহাজে হামলা চালানো হয়েছে, যদিও এই সংখ্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। এর ফলে রাশিয়া গত ১৫ জুলাই থেকে কের্চ প্রণালী কার্যত বন্ধ রেখেছে, কারণ তারা এই জলপথ নিরাপদ মনে করছে না। এতে আজভ সাগর উপকূল দিয়ে রাশিয়ার শস্য ও তেল রপ্তানি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। তবে পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে রাশিয়া এখন ইউক্রেনের পক্ষে কাজ করা আন্তর্জাতিক জাহাজগুলোকেও
লক্ষ্যবস্তু করা শুরু করেছে। ওদেসা ও চোরনোমোরস্ক বন্দর থেকে বসফরাস হয়ে ভূমধ্যসাগর পর্যন্ত যে নিরাপদ উপকূলীয় রুট গত দুই-তিন বছর ধরে ইউক্রেনের জন্য কার্যকর ছিল, তা এখন হুমকির মুখে। উত্তর কোরিয়া থেকে পাওয়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোনের সাহায্যে রাশিয়া এখন এই রুটের জাহাজগুলোতেও হামলা চালাতে সক্ষম। নতুন কৌশলগত মাত্রা এই পরিস্থিতিতে একটি বিড়ম্বনা দেখা দিয়েছে—কয়েক বছর আগে পশ্চিম কৃষ্ণ সাগরের যুদ্ধে জয়ী হয়ে ইউক্রেন যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সুবিধা পেয়েছিল, আজভ সাগরে জয়ী হওয়ার ফলে সেই সুবিধা এখন হারানোর ঝুঁকিতে পড়েছে। বিশ্লেষকরা এর সঙ্গে ইরান যুদ্ধের একটি সাদৃশ্য টেনেছেন—যেভাবে ইরান হরমুজ প্রণালীকে সরাসরি বন্ধ না করেও বিপজ্জনক করে তুলে কার্যত অবরুদ্ধ করে রেখেছে,
একইভাবে রাশিয়াও মাইন না পেতে শুধু ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলে কৃষ্ণ সাগরকে ইউক্রেনের জন্য অবরুদ্ধ করে দিতে পারে। যদি তা ঘটে, তাহলে ইউক্রেন যুদ্ধ সবার জন্য একটি সম্পূর্ণ নতুন কৌশলগত মাত্রা নেবে।
সালের মধ্যে কাজাখস্তানে নতুন গুদাম স্থাপনের কথা ভাবছে—যা ইঙ্গিত দেয় যে প্রতিষ্ঠানটি নিজেই মনে করছে এই যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হচ্ছে না। ইউক্রেনের দাবি, ওয়াইল্ডবেরিজ সামরিক সরঞ্জামের যন্ত্রাংশ সরবরাহে জড়িত বলেই তারা এটিকে লক্ষ্যবস্তু করছে, যদিও এই যুক্তি বিতর্কিত—কারণ বর্তমান সামরিক সরঞ্জামে বেসামরিক যন্ত্রাংশের ব্যবহার ব্যাপক। সৈকতে ড্রোন বিপর্যয় একটি দুঃখজনক ঘটনায়, কৃষ্ণ সাগর তীরবর্তী জনপ্রিয় ছুটি কাটানোর স্থান আনাপা-ওজিপোভকায় একটি ইউক্রেনীয় ড্রোন সৈকতে গিয়ে পড়ে। ভূমি থেকে গুলি করে ড্রোনটি নামানো হলেও এটি সৈকতে আছড়ে পড়ে প্রাণহানি ও আহতের ঘটনা ঘটায়। বিশ্লেষকদের মতে, ড্রোনটি সম্ভবত ভিন্ন কোনো লক্ষ্যবস্তুর উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছিল, কিন্তু গুলিবিদ্ধ হয়ে পথ পরিবর্তন করে সৈকতে পড়ে যায়—এই দায় রাজনৈতিকভাবে
ইউক্রেনের জন্য বেশ অস্বস্তিকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। জবাবে রাশিয়া সুমি, নিপ্রো, মাইকোলাইভ ও বেলগোরোদ অঞ্চলে ব্যাপক পাল্টা হামলা চালিয়েছে, যাতে বহু হতাহতের খবর পাওয়া গেছে। আজভ সাগরে ইউক্রেনের সাফল্য, কৃষ্ণ সাগরে নতুন ঝুঁকি গত কয়েক সপ্তাহে ইউক্রেন আজভ সাগরে রুশ জাহাজের বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে—তাদের দাবি অনুযায়ী শতাধিক রুশ জাহাজে হামলা চালানো হয়েছে, যদিও এই সংখ্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। এর ফলে রাশিয়া গত ১৫ জুলাই থেকে কের্চ প্রণালী কার্যত বন্ধ রেখেছে, কারণ তারা এই জলপথ নিরাপদ মনে করছে না। এতে আজভ সাগর উপকূল দিয়ে রাশিয়ার শস্য ও তেল রপ্তানি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। তবে পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে রাশিয়া এখন ইউক্রেনের পক্ষে কাজ করা আন্তর্জাতিক জাহাজগুলোকেও
লক্ষ্যবস্তু করা শুরু করেছে। ওদেসা ও চোরনোমোরস্ক বন্দর থেকে বসফরাস হয়ে ভূমধ্যসাগর পর্যন্ত যে নিরাপদ উপকূলীয় রুট গত দুই-তিন বছর ধরে ইউক্রেনের জন্য কার্যকর ছিল, তা এখন হুমকির মুখে। উত্তর কোরিয়া থেকে পাওয়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোনের সাহায্যে রাশিয়া এখন এই রুটের জাহাজগুলোতেও হামলা চালাতে সক্ষম। নতুন কৌশলগত মাত্রা এই পরিস্থিতিতে একটি বিড়ম্বনা দেখা দিয়েছে—কয়েক বছর আগে পশ্চিম কৃষ্ণ সাগরের যুদ্ধে জয়ী হয়ে ইউক্রেন যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সুবিধা পেয়েছিল, আজভ সাগরে জয়ী হওয়ার ফলে সেই সুবিধা এখন হারানোর ঝুঁকিতে পড়েছে। বিশ্লেষকরা এর সঙ্গে ইরান যুদ্ধের একটি সাদৃশ্য টেনেছেন—যেভাবে ইরান হরমুজ প্রণালীকে সরাসরি বন্ধ না করেও বিপজ্জনক করে তুলে কার্যত অবরুদ্ধ করে রেখেছে,
একইভাবে রাশিয়াও মাইন না পেতে শুধু ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলে কৃষ্ণ সাগরকে ইউক্রেনের জন্য অবরুদ্ধ করে দিতে পারে। যদি তা ঘটে, তাহলে ইউক্রেন যুদ্ধ সবার জন্য একটি সম্পূর্ণ নতুন কৌশলগত মাত্রা নেবে।



