ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শান্তা ফারজানাসহ ৬ জন গ্রেপ্তার
প্রেসক্লাবের সংঘর্ষের জেরে ঢামেকে হট্টগোল, আতঙ্কে রোগী-স্বজনরা
চীনকে টেক্কা দিতে বাংলাদেশের সঙ্গে নৌ-মহড়া করবে যুক্তরাষ্ট্র, বিক্রি করবে অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র
‘যে যাই বলুক, আমরা শেখ হাসিনার জন্য দোয়া করি’: খুরুশকুল আশ্রয়ণের ফ্ল্যাট বুঝে পাওয়া উদ্বাস্তু জনগোষ্ঠী
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রদানের সঙ্গে ভারত সরকারের কোনও সম্পর্ক নেই
রাজাকারের পোস্টার ঘিরে বিতর্ক: বেরোবিতে ছাত্রদল-শিবির সংঘাতের জেরে উত্তপ্ত বিভিন্ন ক্যাম্পাস
২৭ সেকেন্ডের আপত্তিকর ভিডিও এবং অপহরণের ঘটনায় এনসিপি নেতাকে অব্যাহতি
পশ্চিমা বিশ্বে ভিসা প্রত্যাখ্যানের ভিড়ে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য আশার আলো ভারতের আইসিসিআর বৃত্তি
একদিকে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, হাঙ্গেরিসহ পশ্চিমা বিশ্বের একাধিক দেশে উচ্চশিক্ষার জন্য স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়া দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য, অন্যদিকে ভারত সরকারের আইসিসিআর বৃত্তি কর্মসূচি এ বছরও ৫৪১ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর জন্য উচ্চশিক্ষার দরজা খুলে দিয়েছে। এমন এক সময়ে যখন স্কলারশিপ পেয়েও শুধু ভিসা জটিলতায় বিদেশযাত্রা আটকে যাচ্ছে বহু মেধাবী শিক্ষার্থীর, তখন প্রতিবেশী দেশের এই উদ্যোগ শিক্ষার্থী মহলে স্বস্তি ও আশাবাদ তৈরি করেছে।
ভিসা প্রত্যাখ্যানের চাপে পশ্চিমের পথ সংকুচিত
সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, স্কলারশিপ অর্জনের পরও কেবল ভিসা প্রত্যাখ্যানের কারণে বিদেশে পড়াশোনার সুযোগ হাতছাড়া হচ্ছে অসংখ্য বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর। বিশেষত যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, হাঙ্গেরি ও অস্ট্রেলিয়ায় স্টুডেন্ট ভিসা প্রত্যাখ্যানের
হার উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনগুলো জানাচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ায় আবেদনকারী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের অর্ধেকের বেশি আবেদনই প্রত্যাখ্যাত হচ্ছে বলে সংবাদমাধ্যমের তথ্যে উঠে এসেছে, যার ফলে দেশটিতে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখা শিক্ষার্থীদের আরও সতর্ক ও প্রস্তুত হয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। কড়াকড়ি অভিবাসন নীতি, আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণে বাড়তি শর্ত এবং যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় কঠোরতার কারণে সামগ্রিকভাবে পশ্চিমা বিশ্বে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষার পথ ক্রমেই সংকুচিত হয়ে আসছে। এই বাস্তবতায় ভারতের বৃত্তি কর্মসূচি এক ভিন্ন বার্তা এমন প্রেক্ষাপটে ঢাকাস্থ ভারতীয় হাই কমিশনের আয়োজনে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয় আইসিসিআর বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের জন্য এক বিদায় সংবর্ধনা। চলতি বছর ভারতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নের জন্য ৫৪১ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে আইসিসিআর
বৃত্তি দেওয়া হয়েছে। পশ্চিমা দেশগুলোর তুলনায় তুলনামূলক সহজ ভিসা প্রক্রিয়া, ভৌগোলিক নৈকট্য এবং দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠিত একাডেমিক সম্পর্কের কারণে বহু বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর কাছে এই বৃত্তি হয়ে উঠছে উচ্চশিক্ষার একটি নির্ভরযোগ্য বিকল্প পথ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ভারতীয় হাই কমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী একাডেমিক অংশীদারিত্ব ও বৃত্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে সহযোগিতা করার বিষয়ে ভারতের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান, তারা যেন ভারতে অবস্থানকালে বাংলাদেশের যোগ্য প্রতিনিধি হিসেবে নিজেদের তুলে ধরেন এবং দুই দেশের মানুষে-মানুষে সম্পর্ককে আরও গভীর করার ক্ষেত্রে অবদান রাখেন। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের পরিবেশিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও উপস্থিত অতিথিদের মন জয় করে। শিক্ষা খাতে ভরসার নতুন ঠিকানা শিক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, পশ্চিমা
দেশগুলোতে ক্রমবর্ধমান ভিসা জটিলতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে ভারতের মতো তুলনামূলক সহজলভ্য ও কম খরচের গন্তব্য বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে গুরুত্ব পাচ্ছে আরও বেশি করে। আইসিসিআর বৃত্তির মতো উদ্যোগ শুধু আর্থিক সহায়তাই নয়, বরং উচ্চশিক্ষা অর্জনের একটি নিশ্চিত ও নির্বিঘ্ন পথও তৈরি করে দিচ্ছে, যা বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে অনেক শিক্ষার্থীর জন্যই স্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
হার উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনগুলো জানাচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ায় আবেদনকারী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের অর্ধেকের বেশি আবেদনই প্রত্যাখ্যাত হচ্ছে বলে সংবাদমাধ্যমের তথ্যে উঠে এসেছে, যার ফলে দেশটিতে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখা শিক্ষার্থীদের আরও সতর্ক ও প্রস্তুত হয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। কড়াকড়ি অভিবাসন নীতি, আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণে বাড়তি শর্ত এবং যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় কঠোরতার কারণে সামগ্রিকভাবে পশ্চিমা বিশ্বে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষার পথ ক্রমেই সংকুচিত হয়ে আসছে। এই বাস্তবতায় ভারতের বৃত্তি কর্মসূচি এক ভিন্ন বার্তা এমন প্রেক্ষাপটে ঢাকাস্থ ভারতীয় হাই কমিশনের আয়োজনে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয় আইসিসিআর বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের জন্য এক বিদায় সংবর্ধনা। চলতি বছর ভারতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নের জন্য ৫৪১ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে আইসিসিআর
বৃত্তি দেওয়া হয়েছে। পশ্চিমা দেশগুলোর তুলনায় তুলনামূলক সহজ ভিসা প্রক্রিয়া, ভৌগোলিক নৈকট্য এবং দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠিত একাডেমিক সম্পর্কের কারণে বহু বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর কাছে এই বৃত্তি হয়ে উঠছে উচ্চশিক্ষার একটি নির্ভরযোগ্য বিকল্প পথ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ভারতীয় হাই কমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী একাডেমিক অংশীদারিত্ব ও বৃত্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে সহযোগিতা করার বিষয়ে ভারতের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান, তারা যেন ভারতে অবস্থানকালে বাংলাদেশের যোগ্য প্রতিনিধি হিসেবে নিজেদের তুলে ধরেন এবং দুই দেশের মানুষে-মানুষে সম্পর্ককে আরও গভীর করার ক্ষেত্রে অবদান রাখেন। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের পরিবেশিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও উপস্থিত অতিথিদের মন জয় করে। শিক্ষা খাতে ভরসার নতুন ঠিকানা শিক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, পশ্চিমা
দেশগুলোতে ক্রমবর্ধমান ভিসা জটিলতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে ভারতের মতো তুলনামূলক সহজলভ্য ও কম খরচের গন্তব্য বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে গুরুত্ব পাচ্ছে আরও বেশি করে। আইসিসিআর বৃত্তির মতো উদ্যোগ শুধু আর্থিক সহায়তাই নয়, বরং উচ্চশিক্ষা অর্জনের একটি নিশ্চিত ও নির্বিঘ্ন পথও তৈরি করে দিচ্ছে, যা বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে অনেক শিক্ষার্থীর জন্যই স্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।



