ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সড়কে স্ত্রীকে মারধর করতে গিয়ে গণপিটুনির শিকার যুবক, ভিডিও ভাইরাল
‘পশ্চিম বাংলাদেশ’ হওয়া থেকে বেঁচে গেছে পশ্চিমবঙ্গ: অগ্নিমিত্রা
হরমুজ ‘চিরতরে’ বন্ধ ও বাহরাইনকে চরম পরিণতির হুঁশিয়ারি দিল ইরান
ইরানের ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় সংরক্ষণের প্রস্তাব পুতিনের
মুন্সীগঞ্জে হত্যাকাণ্ড: নিউইয়র্কে ভাতিজার ১৫ বছরের কারাদণ্ড
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী
যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ‘যথাসময়ে’ জবাব দেবে ইরান
আফগানিস্তানে ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২৭, আহত ৫৩০
আফগানিস্তানের মাজার-ই-শরিফে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৭ জন হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও শতাধিক মানুষ। সোমবার (স্থানীয় সময় রাত ১টার দিকে) ৬ দশমিক ৩ মাত্রার এই ভূমিকম্প আঘাত হানে দেশটির উত্তরাঞ্চলে।
আফগান সরকারি সংবাদ সংস্থা বাখতার নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পটি বালখ, সামাঙ্গান, সার-ই-পুল, বাগলান ও কুন্দুজসহ একাধিক প্রদেশে আঘাত হানে। এতে অন্তত ৭৩০ জন আহত হয়েছেন। সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে সামাঙ্গান ও বালখ প্রদেশে।
আফগান রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, ভূমিকম্পে ব্যাপক মানবিক ক্ষয়ক্ষতি ও আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধারকাজ চলছে এবং নিখোঁজদের সন্ধান অব্যাহত রয়েছে।
বালখ প্রদেশের রাজধানী মাজার-ই-শরিফেও হতাহতের খবর পাওয়া গেছে। শহরের ঐতিহাসিক স্থাপনা রওজা মোবারক আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে
বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এ ছাড়া বাগলান প্রদেশেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বাদাখশান প্রদেশের শহর-ই-বোজর্গ জেলার চোগানি গ্রামে প্রায় ৮০০টি ঘরবাড়ি আংশিকভাবে ধ্বংস হয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল মাজার-ই-শরিফ শহরের কাছে, মাটির ২৮ কিলোমিটার গভীরে। ভূমিকম্পের পর স্থানীয় প্রশাসন সব হাসপাতালকে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দিয়েছে, যাতে আহতদের দ্রুত চিকিৎসা সেবা দেওয়া যায়। উদ্ধারকাজে স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি রেড ক্রিসেন্ট ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলোর কর্মীরাও অংশ নিয়েছেন।
বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এ ছাড়া বাগলান প্রদেশেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বাদাখশান প্রদেশের শহর-ই-বোজর্গ জেলার চোগানি গ্রামে প্রায় ৮০০টি ঘরবাড়ি আংশিকভাবে ধ্বংস হয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল মাজার-ই-শরিফ শহরের কাছে, মাটির ২৮ কিলোমিটার গভীরে। ভূমিকম্পের পর স্থানীয় প্রশাসন সব হাসপাতালকে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দিয়েছে, যাতে আহতদের দ্রুত চিকিৎসা সেবা দেওয়া যায়। উদ্ধারকাজে স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি রেড ক্রিসেন্ট ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলোর কর্মীরাও অংশ নিয়েছেন।



