ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গৃহকর্মী থেকে প্রতিমন্ত্রী হয়ে কলিতা মাঝি পেলেন গৃহায়ণ মন্ত্রণালয়
মমতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাওয়া সায়নী ঘোষ এবার বিদ্রোহী শিবিরে
ট্রাম্পের মুখে ইরানের সঙ্গে চুক্তির আভাস, কমল তেলের দাম
ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির আভাস মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের
ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করতে সহায়তা করে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বদলে গেল মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সমীকরণ, কীভাবে?
বিশ্লেষণ।। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র ট্রেড ডিল: কার স্বার্থে, কার বিনিময়ে?
আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রথমবার সিরিয়ার ফার্স্টলেডি
সিরিয়ার ফার্স্টলেডি লতিফা আল-দ্রুবি প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক একমঞ্চে হাজির হয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছেন। তিনি তুরস্কের আনতালিয়ায় ১১-১৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ‘আনতালিয়া ডিপ্লোমেসি ফোরাম’-এ অংশ নেন। সেখানে তিনি তুরস্কের ফার্স্টলেডি এমিনে এরদোগানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
এই সম্মেলনে বিশ্বের নানা দেশের কূটনীতিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বেরা অংশ নেন। লতিফা আল-দ্রুবির উপস্থিতি আরব মিডিয়ার নজর কেড়ে নিয়েছে।
এর আগে তাকে সবসময়ই কালো আরব ঐতিহ্যবাহী পোশাকে দেখা যেত। তবে এই ফোরামে তিনি তুর্কি ফার্স্টলেডির মতোই কিছুটা মুক্ত ও আধুনিক পোশাকে হাজির হন।
সাক্ষাতের পর এমিনে এরদোগান সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, ‘আমরা একসঙ্গে সিরিয়ার নারী ও শিশুদের জীবন উন্নত করার কিছু প্রকল্প নিয়ে
আলোচনা করেছি। আশা করি এই উদ্যোগগুলো শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিয়ে আসবে।’ এই অনুষ্ঠান ছিল লতিফা আল-দ্রুবির প্রথম আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ, যা তার স্বামী আহমাদ আল-শারার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে তার প্রথম প্রকাশ্য উপস্থিতি। লতিফা ১৯৮৪ সালে সিরিয়ার হোমসে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আরবি ভাষা ও সাহিত্যে মাস্টার্স করেছেন এবং তিন ছেলের মা। আহমাদ আল-শারা, যিনি আগে আবু মোহাম্মদ আল-জুলানি নামে পরিচিত ছিলেন, এখন এক নতুন ভাবমূর্তি গড়ে তুলতে চাইছেন। স্ত্রীর আন্তর্জাতিক উপস্থিতির মাধ্যমে তিনি সিরিয়ার সরকারকে আরও মধ্যপন্থী ও আধুনিকভাবে তুলে ধরতে চাইছেন।
আলোচনা করেছি। আশা করি এই উদ্যোগগুলো শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিয়ে আসবে।’ এই অনুষ্ঠান ছিল লতিফা আল-দ্রুবির প্রথম আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ, যা তার স্বামী আহমাদ আল-শারার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে তার প্রথম প্রকাশ্য উপস্থিতি। লতিফা ১৯৮৪ সালে সিরিয়ার হোমসে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আরবি ভাষা ও সাহিত্যে মাস্টার্স করেছেন এবং তিন ছেলের মা। আহমাদ আল-শারা, যিনি আগে আবু মোহাম্মদ আল-জুলানি নামে পরিচিত ছিলেন, এখন এক নতুন ভাবমূর্তি গড়ে তুলতে চাইছেন। স্ত্রীর আন্তর্জাতিক উপস্থিতির মাধ্যমে তিনি সিরিয়ার সরকারকে আরও মধ্যপন্থী ও আধুনিকভাবে তুলে ধরতে চাইছেন।



