ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাজার হাজার হেক্টর বোরো জমি শুকিয়ে যাচ্ছে, চাল উৎপাদনে ৭০ লাখ টন ঘাটতির সম্ভাবনা
‘অর্থকষ্টে’ সরকার!
দিনে ৭-১০ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং, শহরের চেয়ে গ্রামে সংকট তীব্রতর
ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আজ
স্বাস্থ্য খাতে ৪২ হাজার কোটি টাকার বাজেটে হরিলুট! কাঠগড়ায় ড. ইউনূস টিকা না কিনে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদকে আবেদন
মহামারিতে পরিণত হাম পরিস্থিতি, সন্নিকটে মানবিক বিপর্যয়
নববর্ষ কবে থেকে শুরু ও বাংলা মাসের নামকরণ কীভাবে হলো
আজ মহান মে দিবস
মহান মে দিবস আজ। বিশ্বব্যাপী শ্রমজীবী মানুষের আন্দোলন-সংগ্রামের স্বীকৃতির দিন। শ্রমিকদের দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে প্রতিবছর ১ মে সারা বিশ্বে দিবসটি পালন করা হয়।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও গুরুত্বের সঙ্গে দিবসটি পালন করা হচ্ছে। প্রতিবছর দিবসটি উপলক্ষ্যে সরকারি ছুটি থাকে। তবে এ বছর শুক্রবারে মে দিবস হওয়ায় আলাদা করে ছুটির প্রয়োজন হচ্ছে না। এ বছর মে দিবসের প্রতিপাদ্য-‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত, আসবে এবার নবপ্রভাত।’
দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেছেন, ‘মহান মে দিবস এবং জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস’ উপলক্ষ্যে আমি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব শ্রমজীবী মানুষকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
শ্রমিকের অধিকার ও পেশাগত নিরাপত্তার গুরুত্ব বিবেচনায় দিবসের এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত, আসবে এবার নবপ্রভাত’ সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি। বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শ্রমজীবী-কর্মজীবী মানুষই যে কোনো দেশের উন্নয়ন, সমৃদ্ধি আর অগ্রযাত্রার প্রধান অবলম্বন। শ্রমিকের নিরলস পরিশ্রমেই গড়ে ওঠে শিল্প, কৃষি, অবকাঠামো ও সমৃদ্ধ অর্থনীতি। সুতরাং তাদের জীবনমান উন্নয়ন, ন্যায্য অধিকার নিশ্চিতকরণ, নিরাপদ কর্মপরিবেশ সৃষ্টি এবং সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধানতম অঙ্গীকার। তিনি বলেন, শ্রমবান্ধব নীতি, কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ এবং কল্যাণমূলক উদ্যোগের মাধ্যমে শ্রমজীবী মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন নিশ্চিত করা সম্ভব। বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিশ্বাস করতেন শ্রমিকের দুটো হাত রাষ্ট্র এবং সমাজের
সমৃদ্ধি এবং উন্নয়নের চাবিকাঠি। শ্রমজীবী-কর্মজীবী মানুষের কল্যাণের কথা ভেবেই শহীদ জিয়া নানা যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। তার প্রবর্তিত নীতি ও সংস্কার শ্রমিক কল্যাণের ভিতকে শক্তিশালী করেছে। বিদেশে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে শ্রমবাজার তৈরি করেছিলেন তিনি। সেই প্রবাসী শ্রমিকরা বর্তমানে দেশের অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি। ১৮৮৬ সালের এ দিনে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের হে মার্কেটের শ্রমিকরা ৮ ঘণ্টা কাজের দাবিতে জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। ওই সময়ে আন্দোলনরত শ্রমিকদের ঘিরে থাকা পুলিশের ওপর অজ্ঞাতনামা কেউ বোমা নিক্ষেপ করলে পুলিশ শ্রমিকদের ওপর গুলি চালায়। এতে ১০-১২ জন শ্রমিক ও পুলিশ নিহত হন। ওই দিন তাদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে বিশ্বে শ্রমিক শ্রেণির অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে দিবস পালনের সিদ্ধান্ত হয়
আরও পরে। ১৮৮৯ সালে ফরাসি বিপ্লবের শতবার্ষিকীতে প্যারিসে অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক কংগ্রেস। সেখানে ১৮৯০ সাল থেকে শিকাগো প্রতিবাদের বার্ষিকী আন্তর্জাতিকভাবে বিভিন্ন দেশে পালনের প্রস্তাব করেন রেমন্ড লাভিনে। ১৮৯১ সালে আন্তর্জাতিক কংগ্রেসে এ প্রস্তাব গৃহীত হয়। এরপর ১৮৯৪ সালে মে দিবসে দাঙ্গার ঘটনা ঘটে। এর ধারাবাহিকতায় ১০০ বছর পর ১৯০৪ সালে আমস্টারডাম শহরে অনুষ্ঠিত সমাজতন্ত্রীদের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে এ উপলক্ষ্যে একটি প্রস্তাব গৃহীত হয়। ওই প্রস্তাবে বিশ্বজুড়ে সব শ্রমিক সংগঠন ১ মে ‘বাধ্যতামূলকভাবে কাজ না করার’ সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর থেকে সারা বিশ্বে দিনটি ‘মে দিবস’ হিসাবে পালিত হয়ে আসছে। মে দিবস উপলক্ষ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সারা দেশে নানা ধরনের কর্মসূচি হাতে
নেওয়া হয়েছে। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে-শ্রমিকদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান, র্যালি, সমাবেশ এবং আলোচনা সভা অন্যতম। দিবসটি উপলক্ষ্যে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আজ বিশাল সমাবেশের আয়োজন করেছে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল। সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান উপস্থিত থাকবেন। জুমার নামাজ শেষে এই সমাবেশ শুরু হবে। এছাড়াও সারা দেশে বিএনপি ও তাদের অঙ্গ বা সহযোগী সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করেছে। বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীও নানা কর্মসূচি নিয়েছে। জামায়াতপন্থি শ্রমিক সংগঠনসহ বিভিন্ন দল ও সংগঠন আজ পৃথকভাবে সমাবেশ করবে। জামায়াতে ইসলামপন্থি সংগঠন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন নানা কর্মসূচি পালন করবে। দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে জাতীয় পত্রিকায় বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ
টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার ও বেসরকারি টিভি চ্যানেলগুলো বিশেষ অনুষ্ঠান ও টকশো সম্প্রচার করছে।
শ্রমিকের অধিকার ও পেশাগত নিরাপত্তার গুরুত্ব বিবেচনায় দিবসের এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত, আসবে এবার নবপ্রভাত’ সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি। বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শ্রমজীবী-কর্মজীবী মানুষই যে কোনো দেশের উন্নয়ন, সমৃদ্ধি আর অগ্রযাত্রার প্রধান অবলম্বন। শ্রমিকের নিরলস পরিশ্রমেই গড়ে ওঠে শিল্প, কৃষি, অবকাঠামো ও সমৃদ্ধ অর্থনীতি। সুতরাং তাদের জীবনমান উন্নয়ন, ন্যায্য অধিকার নিশ্চিতকরণ, নিরাপদ কর্মপরিবেশ সৃষ্টি এবং সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধানতম অঙ্গীকার। তিনি বলেন, শ্রমবান্ধব নীতি, কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ এবং কল্যাণমূলক উদ্যোগের মাধ্যমে শ্রমজীবী মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন নিশ্চিত করা সম্ভব। বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিশ্বাস করতেন শ্রমিকের দুটো হাত রাষ্ট্র এবং সমাজের
সমৃদ্ধি এবং উন্নয়নের চাবিকাঠি। শ্রমজীবী-কর্মজীবী মানুষের কল্যাণের কথা ভেবেই শহীদ জিয়া নানা যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। তার প্রবর্তিত নীতি ও সংস্কার শ্রমিক কল্যাণের ভিতকে শক্তিশালী করেছে। বিদেশে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে শ্রমবাজার তৈরি করেছিলেন তিনি। সেই প্রবাসী শ্রমিকরা বর্তমানে দেশের অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি। ১৮৮৬ সালের এ দিনে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের হে মার্কেটের শ্রমিকরা ৮ ঘণ্টা কাজের দাবিতে জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। ওই সময়ে আন্দোলনরত শ্রমিকদের ঘিরে থাকা পুলিশের ওপর অজ্ঞাতনামা কেউ বোমা নিক্ষেপ করলে পুলিশ শ্রমিকদের ওপর গুলি চালায়। এতে ১০-১২ জন শ্রমিক ও পুলিশ নিহত হন। ওই দিন তাদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে বিশ্বে শ্রমিক শ্রেণির অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে দিবস পালনের সিদ্ধান্ত হয়
আরও পরে। ১৮৮৯ সালে ফরাসি বিপ্লবের শতবার্ষিকীতে প্যারিসে অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক কংগ্রেস। সেখানে ১৮৯০ সাল থেকে শিকাগো প্রতিবাদের বার্ষিকী আন্তর্জাতিকভাবে বিভিন্ন দেশে পালনের প্রস্তাব করেন রেমন্ড লাভিনে। ১৮৯১ সালে আন্তর্জাতিক কংগ্রেসে এ প্রস্তাব গৃহীত হয়। এরপর ১৮৯৪ সালে মে দিবসে দাঙ্গার ঘটনা ঘটে। এর ধারাবাহিকতায় ১০০ বছর পর ১৯০৪ সালে আমস্টারডাম শহরে অনুষ্ঠিত সমাজতন্ত্রীদের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে এ উপলক্ষ্যে একটি প্রস্তাব গৃহীত হয়। ওই প্রস্তাবে বিশ্বজুড়ে সব শ্রমিক সংগঠন ১ মে ‘বাধ্যতামূলকভাবে কাজ না করার’ সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর থেকে সারা বিশ্বে দিনটি ‘মে দিবস’ হিসাবে পালিত হয়ে আসছে। মে দিবস উপলক্ষ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সারা দেশে নানা ধরনের কর্মসূচি হাতে
নেওয়া হয়েছে। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে-শ্রমিকদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান, র্যালি, সমাবেশ এবং আলোচনা সভা অন্যতম। দিবসটি উপলক্ষ্যে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আজ বিশাল সমাবেশের আয়োজন করেছে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল। সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান উপস্থিত থাকবেন। জুমার নামাজ শেষে এই সমাবেশ শুরু হবে। এছাড়াও সারা দেশে বিএনপি ও তাদের অঙ্গ বা সহযোগী সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করেছে। বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীও নানা কর্মসূচি নিয়েছে। জামায়াতপন্থি শ্রমিক সংগঠনসহ বিভিন্ন দল ও সংগঠন আজ পৃথকভাবে সমাবেশ করবে। জামায়াতে ইসলামপন্থি সংগঠন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন নানা কর্মসূচি পালন করবে। দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে জাতীয় পত্রিকায় বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ
টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার ও বেসরকারি টিভি চ্যানেলগুলো বিশেষ অনুষ্ঠান ও টকশো সম্প্রচার করছে।



