ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
২০ মাসে ফাহিমের বিদেশ সফরের পেছনেই বিসিবির খরচ প্রায় ৪১ লাখ টাকা
‘ খেলা’ কমিয়ে দিলো দুই দেশের বৈরি সম্পর্ক
নারী বিশ্বকাপে থাকছে রেকর্ড প্রাইজমানি
ম্যাচিউরিটি না আসা পর্যন্ত কোনো মেয়েরই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়: অপু বিশ্বাস
বিশ্বকাপের আগে তিন দুঃসংবাদ পেলো আর্জেন্টিনা
বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজের ম্যাচ অফিশিয়াল যারা
১০ হাজার কিলোমিটার দৌড়ে বিশ্বরেকর্ড!
এশিয়ান কাপের অভিষেকে শক্তিশালী চীনের বিপক্ষে লড়াই করল বাংলাদেশের মেয়েরা
কাগজে-কলমে লড়াইটা ছিল ‘ডেভিড বনাম গোলিয়াথে’র মতো—একপক্ষে ১৭ নম্বর র্যাঙ্কিংয়ের শক্তিশালী চীন, অন্যপক্ষে ১১২ নম্বরে থাকা বাংলাদেশ। কিন্তু মঙ্গলবার সিডনির মাঠে নয়বারের চ্যাম্পিয়নদের সঙ্গে সমানতালে লড়াই করল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। হারলেও মাঠের লড়াকু ফুটবল দিয়ে অভিষেকেই সবার প্রশংসা কুড়িয়েছে বাংলাদেশ।
এএফসি নারী এশিয়ান কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে শক্তিশালী চীনের কাছে ২-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। তবে স্কোরলাইন দেখে এই লড়াইয়ের পুরো চিত্র বোঝা সম্ভব নয়। পুরো ম্যাচেই দুর্দান্ত রক্ষণ আর সাহসের পরিচয় দিয়েছেন পিটার বাটলারের শিষ্যরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই সুশৃঙ্খল রক্ষণভাগ নিয়ে চীনের আক্রমণ সামলাতে থাকে বাংলাদেশ। প্রথমার্ধের ১৪ মিনিটে তো উল্টো চীনকেই স্তব্ধ করে দিতে পারত তারা। ঋতুপর্ণা চাকমার সেই চিরচেনা দূরপাল্লার শট কোনোমতে
ঠেকিয়ে দেন চীনের গোলরক্ষক চেন চেন। ২৪ মিনিটে চীন একবার জালে বল পাঠালেও ভিএআর পরীক্ষায় সেটি অফসাইড বলে বাতিল হয়। তবে বিরতির ঠিক আগে খেই হারায় বাংলাদেশ। ৪৪ মিনিটে ওয়াং শুয়াংয়ের গোলে এগিয়ে যায় চীন। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ঝাং রুই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। পুরো ম্যাচে আলাদা করে নজর কেড়েছেন বাংলাদেশের গোলরক্ষক মিলি আক্তার। চমক হিসেবে তাকে মূল একাদশে নামিয়েছিলেন কোচ বাটলার। একের পর এক দারুণ সেভ করে মিলি কোচের আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন। দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশ আরও বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। বেশ কিছু পরিবর্তন এনে খেলার গতি বাড়ান কোচ। ১৯৯৯ বিশ্বকাপের রানার্স-আপ দলটির সঙ্গে সমানতালে বলের দখল রাখা এবং আক্রমণ করার চেষ্টা করে বাংলাদেশ।
এর ফলে চীনের ছন্দ অনেকটাই ভেঙে যায়। ম্যাচের বাকি সময়ে বাংলাদেশ আর কোনো গোল হজম করেনি। শেষ বাঁশি বাজা পর্যন্ত লড়াইটা ছিল সমানে-সমান।
ঠেকিয়ে দেন চীনের গোলরক্ষক চেন চেন। ২৪ মিনিটে চীন একবার জালে বল পাঠালেও ভিএআর পরীক্ষায় সেটি অফসাইড বলে বাতিল হয়। তবে বিরতির ঠিক আগে খেই হারায় বাংলাদেশ। ৪৪ মিনিটে ওয়াং শুয়াংয়ের গোলে এগিয়ে যায় চীন। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ঝাং রুই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। পুরো ম্যাচে আলাদা করে নজর কেড়েছেন বাংলাদেশের গোলরক্ষক মিলি আক্তার। চমক হিসেবে তাকে মূল একাদশে নামিয়েছিলেন কোচ বাটলার। একের পর এক দারুণ সেভ করে মিলি কোচের আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন। দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশ আরও বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। বেশ কিছু পরিবর্তন এনে খেলার গতি বাড়ান কোচ। ১৯৯৯ বিশ্বকাপের রানার্স-আপ দলটির সঙ্গে সমানতালে বলের দখল রাখা এবং আক্রমণ করার চেষ্টা করে বাংলাদেশ।
এর ফলে চীনের ছন্দ অনেকটাই ভেঙে যায়। ম্যাচের বাকি সময়ে বাংলাদেশ আর কোনো গোল হজম করেনি। শেষ বাঁশি বাজা পর্যন্ত লড়াইটা ছিল সমানে-সমান।



